তামিরুল ইসলাম মিল্লাত:::
স্টাফ রিপোর্টার।।
কক্সবার্তা ডট কম।।
সাফল্যের ধারাবাহিতায় এগিয়ে যাওয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থী তসলিমা সিরাজ সদ্য প্রকাশিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফলাফলে কক্সবাজার সরকারী কলেজের ২০১১-২০১২ সেশনের সিজিপিএ ৩.৯৫ পেয়ে গণিত বিভাগ থেকে সারাদেশে প্রথম হয়েছে।
তসলিমা সিরাজ উখিয়া উপজেলার রত্না পালং ইউনিয়নের টেকপাড়ার মৌলভী সিরাজের দ্বিতীয় কন্যা। তিনি ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় সৌদি আরবের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ,জিদ্দা থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করে। এরপর তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয় তার বাবা-মা। পরে তিনি উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন কক্সবাজার সরকারী মহিলা কলেজে। ২০১১ সালে একই বিভাগে কক্সবাজার সরকারী মহিলা কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাশ করেন।
জানা গেছে, ধারাবাহিক ভাবে এতো সাফল্য মণ্ডিত ফলাফল করার পরেও পরিবারের অসম্মতির কারণে কোনও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। একসময় পড়াশোনা নিয়ে ভবিষ্যৎ কি হবে সে চিন্তায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন তসলিমা সিরাজ। তারপরও থেমে থাকা নয়, নিজের এক ধরণের অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কক্সবাজার সরকারী কলেজের গণিত বিভাগে ভর্তি হন। এখন থেকেই শুরু হলো তার আরেক সাফল্য যাত্রা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও সারা দেশে সাড়া জাগানো ফল অর্জন করলেন তসলিমা সিরাজ।
এমন নজির সৃষ্টকারী ফলাফল অর্জনে তার অনুভূতি কি জানতে চাইলে তসলিমা সিরাজ বলেন, সময়ানুবর্তিতা ও সততার সাথে নিয়মিত পড়ালেখা করলে এবং দিনের পড়া দিনেই শেষ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া শিক্ষকরাই ছিলেন আমার মূল অনুপ্রেরণা।
আর এই কৃতিত্বের জন্য আমি আমার স্কুল শিক্ষক, শিক্ষিকা পরিবার পরিজন, আমার কলেজের শিক্ষকগণ,আমার বন্ধু বান্ধব যারা আমার পাশে ছিল সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এই সফলতা আমার নয় তাদের,যারা আমাকে মাধ্যমিক জীবনে থেকে উৎসাহ দিয়ে এতটুকু আসতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তসলিমা সিরাজ বলেন, সর্বক্ষেত্রে ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই এবং ভবিষ্যতে একজন বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। তিনি এই ধারাবাহিতা বজায় রাখতে সকলে দোয়া প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, তাসলিমা সিরাজ তার অনার্স প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে যথাক্রমে জিপিএ-৩.৯৩, জিপিএ-৪, জিপিএ-৩.৯৪ ও জিপিএ-৩.৯৩ পেয়ে প্রতি বর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সারাদেশে ১ম হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তার এই ধারাবাহিক ফলাফলে গর্বিত তার শিক্ষক,পরিবার,বন্ধু-বান্ধব প্রতিবেশী সকলে।
তসলিমা সিরাজ উখিয়া উপজেলার রত্না পালং ইউনিয়নের টেকপাড়ার মৌলভী সিরাজের দ্বিতীয় কন্যা। তিনি ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় সৌদি আরবের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ,জিদ্দা থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করে। এরপর তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয় তার বাবা-মা। পরে তিনি উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন কক্সবাজার সরকারী মহিলা কলেজে। ২০১১ সালে একই বিভাগে কক্সবাজার সরকারী মহিলা কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাশ করেন।
জানা গেছে, ধারাবাহিক ভাবে এতো সাফল্য মণ্ডিত ফলাফল করার পরেও পরিবারের অসম্মতির কারণে কোনও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। একসময় পড়াশোনা নিয়ে ভবিষ্যৎ কি হবে সে চিন্তায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন তসলিমা সিরাজ। তারপরও থেমে থাকা নয়, নিজের এক ধরণের অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কক্সবাজার সরকারী কলেজের গণিত বিভাগে ভর্তি হন। এখন থেকেই শুরু হলো তার আরেক সাফল্য যাত্রা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও সারা দেশে সাড়া জাগানো ফল অর্জন করলেন তসলিমা সিরাজ।
এমন নজির সৃষ্টকারী ফলাফল অর্জনে তার অনুভূতি কি জানতে চাইলে তসলিমা সিরাজ বলেন, সময়ানুবর্তিতা ও সততার সাথে নিয়মিত পড়ালেখা করলে এবং দিনের পড়া দিনেই শেষ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া শিক্ষকরাই ছিলেন আমার মূল অনুপ্রেরণা।
আর এই কৃতিত্বের জন্য আমি আমার স্কুল শিক্ষক, শিক্ষিকা পরিবার পরিজন, আমার কলেজের শিক্ষকগণ,আমার বন্ধু বান্ধব যারা আমার পাশে ছিল সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এই সফলতা আমার নয় তাদের,যারা আমাকে মাধ্যমিক জীবনে থেকে উৎসাহ দিয়ে এতটুকু আসতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তসলিমা সিরাজ বলেন, সর্বক্ষেত্রে ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই এবং ভবিষ্যতে একজন বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। তিনি এই ধারাবাহিতা বজায় রাখতে সকলে দোয়া প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, তাসলিমা সিরাজ তার অনার্স প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে যথাক্রমে জিপিএ-৩.৯৩, জিপিএ-৪, জিপিএ-৩.৯৪ ও জিপিএ-৩.৯৩ পেয়ে প্রতি বর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সারাদেশে ১ম হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তার এই ধারাবাহিক ফলাফলে গর্বিত তার শিক্ষক,পরিবার,বন্ধু-বান্ধব প্রতিবেশী সকলে।
