দেশ বার্তা::
সুপ্রিম কোর্ট মূল ভবনের সামনে স্থাপিত নারী মূর্তি অপসারণ চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন শতাধিক আইনজীবী। বুধবার তাদের বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিটিতে গিয়াস উদ্দিন খান, এবিএম নুরুল ইসলাম, শাহ মো. খসরুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, এএসএম কবির খান ও গিয়াস উদ্দিন খানসহ ৩০১ জন আইনজীবী স্বাক্ষর করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরের মধ্যে এ ধরনের মূর্তি স্থাপনের কোনো প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও ৯০ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশি জনগণের ধর্মীয় সংস্কৃতির বিরোধী এই মূর্তি স্থাপন করায় আমরা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছি। আমরা প্রধান বিচারপতির কাছে বলতে চাই, উক্ত বিষয়টিকে বিতর্কের গণ্ডিতে আবদ্ধ না করে অবিলম্বে মূর্তি অপসারণ করা হোক।
সুপ্রিম কোর্টের মূলভবনের সামনে 'শাপলা ফোয়ারার ভেতরে গত বছরের ডিসেম্বরে এই ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। ভাস্কর্যটি নির্মাণ করছেন ভাস্কর মৃণাল হক। ভাস্কর্যটি চোখ বাঁধা এক নারীর। তার ডান হাতে তলোয়ার বাম হাতে দাঁড়িপাল্লা। তলোয়ারটি নিচের দিকে নামানো। আর দাঁড়িপাল্লাটি পরিমাপ করছে এমন ভঙ্গিতে ধরা আছে।
এই ভাস্কর্য স্থাপনের পর থেকেই বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক ইসলামী সংগঠন সর্বোচ্চ আদালত থেকে তা অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছে। এর আগে বেশ কয়েকজন ভাস্কর্যটি অপসারণের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মূর্তি অপসারণ চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে প্রাঙ্গন ও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে 'গ্রিক দেবীর মূর্তি' অপসারণের জন্য আবেদন করেন আওয়ামী ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসান শেখ শরিয়তপুরী। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও গত ১ ফেব্রুয়ারি স্মারকলিপি দিয়েছে।
বিবৃতিটিতে গিয়াস উদ্দিন খান, এবিএম নুরুল ইসলাম, শাহ মো. খসরুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, এএসএম কবির খান ও গিয়াস উদ্দিন খানসহ ৩০১ জন আইনজীবী স্বাক্ষর করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরের মধ্যে এ ধরনের মূর্তি স্থাপনের কোনো প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও ৯০ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশি জনগণের ধর্মীয় সংস্কৃতির বিরোধী এই মূর্তি স্থাপন করায় আমরা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছি। আমরা প্রধান বিচারপতির কাছে বলতে চাই, উক্ত বিষয়টিকে বিতর্কের গণ্ডিতে আবদ্ধ না করে অবিলম্বে মূর্তি অপসারণ করা হোক।
সুপ্রিম কোর্টের মূলভবনের সামনে 'শাপলা ফোয়ারার ভেতরে গত বছরের ডিসেম্বরে এই ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। ভাস্কর্যটি নির্মাণ করছেন ভাস্কর মৃণাল হক। ভাস্কর্যটি চোখ বাঁধা এক নারীর। তার ডান হাতে তলোয়ার বাম হাতে দাঁড়িপাল্লা। তলোয়ারটি নিচের দিকে নামানো। আর দাঁড়িপাল্লাটি পরিমাপ করছে এমন ভঙ্গিতে ধরা আছে।
এই ভাস্কর্য স্থাপনের পর থেকেই বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক ইসলামী সংগঠন সর্বোচ্চ আদালত থেকে তা অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছে। এর আগে বেশ কয়েকজন ভাস্কর্যটি অপসারণের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মূর্তি অপসারণ চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে প্রাঙ্গন ও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে 'গ্রিক দেবীর মূর্তি' অপসারণের জন্য আবেদন করেন আওয়ামী ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসান শেখ শরিয়তপুরী। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও গত ১ ফেব্রুয়ারি স্মারকলিপি দিয়েছে।
