তামিরুল ইসলাম মিল্লাত::
স্টাফ রিপোর্টার,
কক্সবার্তা ডট কম।।
এম,পি,ও ভূক্তির আবেদনপত্র অগ্রায়নে কক্সবাজারধীন চকরিয়া উপজেলাস্থ কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবিরের চরম
অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুত্র মতে জানা যায়, এনটিআরসিএ কতৃক সুপারিশকৃত হয়ে বিগত
১৫/১১/২০১৬ ইং তারিখ মোট ৫ জন শিক্ষক কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে
নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে জনাব ওবাইদুল হক সর্বোচ্চ নম্বরধারী এবং ইংরেজী বিষয়ে সুপারিশকৃত ২ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করা সত্ত্বেও ঘুষ না দেওয়ায় অদৃশ্য কারণে বিগত ১৫/০৫/২০১৭ ইং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির ২য় স্থান অর্জনকারী শিক্ষক জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর এম,পি,ও ভূক্তির আবেদনপত্র অগ্রায়ন করেন এবং মে মাসের এম,পি,ও ওনাকে অন্তভূক্ত করা হয়।
এছাড়া নিবন্ধন ও একাডেমিক ফলাফল
এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণেও জনাব ওবাইদুল হক ২য় প্রার্থীর তুলনায় অনেক এগিয়ে।
একাডেমিক ফলাফল বিবেচনা করলে দেখা যায়, জনাব ওবাইদুল হক এর একাডেমিক ফলাফল হচ্ছে এসএসসি: জিপিএ ৪.০৬(জিপিএ ৫.০০
এর মধ্যে) এইসএসসি: ৪.৬০(জিপিএ ৫.০০ এর মধ্যে), বি.এ (অনার্স-ইংরেজী)ও এম.এ (ইংরেজী) পরিক্ষায় যথাক্রমে ২.৬৬ ও ২.৬৭।
যেখানে জনাব রমিজ উদ্দিন
আহমদ এর একাডেমিক ফলাফল এসএসসি, এইসএসসি, বি.এ (অনার্স-ইংরেজী), এম.এ(ইংরেজী) যথাক্রমে:১ম বিভাগ, ২য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ।
বিদ্যালয়ে জনাব ওবাইদুল হক এর নিয়োগ ও যোগদান জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর পূর্বেই সম্পাদিত হয় এবং সে অনুসারে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তার নাম জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর আগে তালিকাভূক্ত করা হয়।
নিয়োগদান হতে এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে
জনাব ওবাইদুল হক এর উপস্তিতি জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর চেয়ে বেশী।
তাছাড়া, নিয়োগদান ও যোগদান সংক্রান্ত দুটি রেজ্যুলেশনে জনাব ওবাইদুল হক
এর নাম প্রথমে উল্লেখিত।
এখানে আরো উল্লেখ্য, জনাব মহুয়া জান্নাত কলি কে সহকারী
শিক্ষক বিজ্ঞান পদে কারিগরি শাখায় নিয়োগ প্রদান করা সত্ত্বেও তাকে
নিয়মবহিভূতভাবে অদৃশ্য শক্তিবলে সাধারন শাখায় এম,পি,ও ভূক্তির জন্য তার আবেদনপত্র অগ্রায়ন করা হয় এবং মে মাসের এম,পি,ও তে ওনাকে অন্তভূক্ত করা হয়।
প্রথমদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির
পরামর্শ মোতাবেক সবার আবেদনপত্র অগ্রায়ন করলেও ডিডি অফিস থেকে মোট ৪ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৩ জনের আবেদনপত্র অগ্রায়ন করার সুপারিশ করা হলে পরিচালনা পর্ষদের অজান্তে কোন ধরণের পরামর্শ না করে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অধিকতর যোগ্য প্রার্থী জনাব ওবাইদুল হক এর এম,পি,ও, ভূক্তির আবেদনপত্র অগ্রায়ন করেনি বলে ভূক্তভোগী শিক্ষক জানান।
এ ব্যাপারে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির ফোন করা হলে নাম্বার বিজি পাওয়া যাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কিশলয়ের মত একটি নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রকম অনিয়ম চলতে থাকলে অচিরেই কিশলয়ের এতদিনের অর্জিত সুনাম মাটিতে মিশে যাবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরণের সমস্যা না হয় সেজন্য ঘটনা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।।
অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুত্র মতে জানা যায়, এনটিআরসিএ কতৃক সুপারিশকৃত হয়ে বিগত
১৫/১১/২০১৬ ইং তারিখ মোট ৫ জন শিক্ষক কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে
নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে জনাব ওবাইদুল হক সর্বোচ্চ নম্বরধারী এবং ইংরেজী বিষয়ে সুপারিশকৃত ২ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করা সত্ত্বেও ঘুষ না দেওয়ায় অদৃশ্য কারণে বিগত ১৫/০৫/২০১৭ ইং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির ২য় স্থান অর্জনকারী শিক্ষক জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর এম,পি,ও ভূক্তির আবেদনপত্র অগ্রায়ন করেন এবং মে মাসের এম,পি,ও ওনাকে অন্তভূক্ত করা হয়।
এছাড়া নিবন্ধন ও একাডেমিক ফলাফল
এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণেও জনাব ওবাইদুল হক ২য় প্রার্থীর তুলনায় অনেক এগিয়ে।
একাডেমিক ফলাফল বিবেচনা করলে দেখা যায়, জনাব ওবাইদুল হক এর একাডেমিক ফলাফল হচ্ছে এসএসসি: জিপিএ ৪.০৬(জিপিএ ৫.০০
এর মধ্যে) এইসএসসি: ৪.৬০(জিপিএ ৫.০০ এর মধ্যে), বি.এ (অনার্স-ইংরেজী)ও এম.এ (ইংরেজী) পরিক্ষায় যথাক্রমে ২.৬৬ ও ২.৬৭।
যেখানে জনাব রমিজ উদ্দিন
আহমদ এর একাডেমিক ফলাফল এসএসসি, এইসএসসি, বি.এ (অনার্স-ইংরেজী), এম.এ(ইংরেজী) যথাক্রমে:১ম বিভাগ, ২য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ।
বিদ্যালয়ে জনাব ওবাইদুল হক এর নিয়োগ ও যোগদান জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর পূর্বেই সম্পাদিত হয় এবং সে অনুসারে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তার নাম জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর আগে তালিকাভূক্ত করা হয়।
নিয়োগদান হতে এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে
জনাব ওবাইদুল হক এর উপস্তিতি জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর চেয়ে বেশী।
তাছাড়া, নিয়োগদান ও যোগদান সংক্রান্ত দুটি রেজ্যুলেশনে জনাব ওবাইদুল হক
এর নাম প্রথমে উল্লেখিত।
এখানে আরো উল্লেখ্য, জনাব মহুয়া জান্নাত কলি কে সহকারী
শিক্ষক বিজ্ঞান পদে কারিগরি শাখায় নিয়োগ প্রদান করা সত্ত্বেও তাকে
নিয়মবহিভূতভাবে অদৃশ্য শক্তিবলে সাধারন শাখায় এম,পি,ও ভূক্তির জন্য তার আবেদনপত্র অগ্রায়ন করা হয় এবং মে মাসের এম,পি,ও তে ওনাকে অন্তভূক্ত করা হয়।
প্রথমদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির
পরামর্শ মোতাবেক সবার আবেদনপত্র অগ্রায়ন করলেও ডিডি অফিস থেকে মোট ৪ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৩ জনের আবেদনপত্র অগ্রায়ন করার সুপারিশ করা হলে পরিচালনা পর্ষদের অজান্তে কোন ধরণের পরামর্শ না করে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অধিকতর যোগ্য প্রার্থী জনাব ওবাইদুল হক এর এম,পি,ও, ভূক্তির আবেদনপত্র অগ্রায়ন করেনি বলে ভূক্তভোগী শিক্ষক জানান।
এ ব্যাপারে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির ফোন করা হলে নাম্বার বিজি পাওয়া যাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কিশলয়ের মত একটি নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রকম অনিয়ম চলতে থাকলে অচিরেই কিশলয়ের এতদিনের অর্জিত সুনাম মাটিতে মিশে যাবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরণের সমস্যা না হয় সেজন্য ঘটনা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।।
