দেশ বার্তা::
ধর্ষণচেষ্টার একটি মামলায় আসামি সেজে জামিন নিতে গিয়ে গত সাতদিন যাবৎ কারাভোগ করছেন রিকশাচালক মোজাফফর রহমান। গত ১০ এপ্রিল গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার নলছিয়া গ্রামের ইব্রাহিম মন্ডলের আট বছরের শিশুমেয়েকে একই গ্রামের মৃত মইচ উদ্দিন শেখের ছেলে নজরুল ইসলাম ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনায় শিশুর মা ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি সাঘাটা থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু থানায় মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে শিশুটির মা ৬ জানুয়ারি গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন।
এ বিষয়ে জানতে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মোজাফফর রহমানের সঙ্গে কথা বলা হয়। মোজাফফর এ প্রতিবেদককে জানান, মামলার মূল আসামি নজরুল ইসলামকে বাঁচানোর জন্য আসামির ভাই মজনু মিয়া তাকে ফাঁসিয়েছেন।
মোজাফফর বলেন, আমি ঢাকায় রিকশা চালাই। ছেলের এইচএসসি পরীক্ষার কারণে গত ১ এপ্রিল বাড়িতে আসি। গত ১০ এপ্রিল নজরুল ইসলামের বড়ভাই মজনু মিয়া আমাকে বলেন, তোমার নামে মামলা হয়েছে। তোমাকে গাইবান্ধায় আদালতে যেতে হবে। পরে তিনি আমাকে আদালতে নিয়ে আসেন। মজনু মিয়া আমাকে শিখিয়ে দেন, তুমি আদালতে তোমার নাম নজরুল ও বাবার নাম মইচ উদ্দিন বলবে।
মোজাফফর আরও বলেন, আমি কোনো অপরাধ করিনি, আমার নামে কোনো মামলা আছে বলেও আমার জানা নেই।
মামলার বাদী চামুলি খাতুন জানান, আমি নজরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে মামলা করি। কিন্তু মজনু মিয়া মামলা থেকে ভাইকে বাঁচানোর জন্য মোজাফফরকে ফাঁসিয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক জানান, মোজাফফরকে গত ১০ এপ্রিল নজরুল ইসলাম সাজিয়ে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পরদিন ১১ এপ্রিল পুনরায় একই আদালতে জামিনের আবেদন জানানো হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মজনু মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে আমার ভাই পলাতক ছিল। গত ৩০ মার্চ জামিন নেওয়ার জন্য তাকে বাড়িতে ডেকে এনে অন্য গ্রামে রাখি। পরদিন দেখি সে নেই। পরে এক উকিল ও মহুরির কথামত মোজাফফরকে আসামি সাজিয়ে আদালতে নিয়ে যাই। তাকে বলি- তুমি আদালতে উঠবে আর নামবে। কিন্তু জামিন নামঞ্জুর হবে ভাবিনি।
২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার নলছিয়া গ্রামের ইব্রাহিম মন্ডলের আট বছরের শিশুমেয়েকে একই গ্রামের মৃত মইচ উদ্দিন শেখের ছেলে নজরুল ইসলাম ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনায় শিশুর মা ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি সাঘাটা থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু থানায় মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে শিশুটির মা ৬ জানুয়ারি গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন।
এ বিষয়ে জানতে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মোজাফফর রহমানের সঙ্গে কথা বলা হয়। মোজাফফর এ প্রতিবেদককে জানান, মামলার মূল আসামি নজরুল ইসলামকে বাঁচানোর জন্য আসামির ভাই মজনু মিয়া তাকে ফাঁসিয়েছেন।
মোজাফফর বলেন, আমি ঢাকায় রিকশা চালাই। ছেলের এইচএসসি পরীক্ষার কারণে গত ১ এপ্রিল বাড়িতে আসি। গত ১০ এপ্রিল নজরুল ইসলামের বড়ভাই মজনু মিয়া আমাকে বলেন, তোমার নামে মামলা হয়েছে। তোমাকে গাইবান্ধায় আদালতে যেতে হবে। পরে তিনি আমাকে আদালতে নিয়ে আসেন। মজনু মিয়া আমাকে শিখিয়ে দেন, তুমি আদালতে তোমার নাম নজরুল ও বাবার নাম মইচ উদ্দিন বলবে।
মোজাফফর আরও বলেন, আমি কোনো অপরাধ করিনি, আমার নামে কোনো মামলা আছে বলেও আমার জানা নেই।
মামলার বাদী চামুলি খাতুন জানান, আমি নজরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে মামলা করি। কিন্তু মজনু মিয়া মামলা থেকে ভাইকে বাঁচানোর জন্য মোজাফফরকে ফাঁসিয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক জানান, মোজাফফরকে গত ১০ এপ্রিল নজরুল ইসলাম সাজিয়ে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পরদিন ১১ এপ্রিল পুনরায় একই আদালতে জামিনের আবেদন জানানো হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মজনু মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে আমার ভাই পলাতক ছিল। গত ৩০ মার্চ জামিন নেওয়ার জন্য তাকে বাড়িতে ডেকে এনে অন্য গ্রামে রাখি। পরদিন দেখি সে নেই। পরে এক উকিল ও মহুরির কথামত মোজাফফরকে আসামি সাজিয়ে আদালতে নিয়ে যাই। তাকে বলি- তুমি আদালতে উঠবে আর নামবে। কিন্তু জামিন নামঞ্জুর হবে ভাবিনি।
