টেকনাফে তুচ্ছ ঘটনার জেরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাহমুদুল হকের (২০) মাথা ফাটিয়েছে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। গত রবিবার সকাল ৮টার টেকনাফের কানজর পাড়া গ্রামে ঘোনাপাড়ায় রাস্তায় এই সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়। মাহামুদুল হক উখিয়া ডিগ্রী কলেজের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। সে কানজার পাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেঝে ছেলে। মাহামুদুল হক বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার শহরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নেয়া হয় এতে তার অবস্থা অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এইখানেও তার অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় বর্তমানে বেসরকারী হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মাহামুদুল হকের পরিবারের লোকজন জানায়, গত রবিবার সকালে মাহামুদুল হকের ছোট ভাই আয়াছ উদ্দিনের সঙ্গে স্থানীয় গোলতাজ নামের এক মহিলার সাথে খেক্ষেতের জলাবদ্ধতার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এই সময় উক্ত মহিলা এই কথা কাটাকাটির বিষয়ে ভাইদেরকে মোবাইল করে। সকালে মাহামুদুল হক বাসা থেকে বের হওয়ার পথে উক্ত মহিলার ভাইরা অর্তকিত হামলা তার মাথা পাঠিয়ে দেয়। এতে মাহামুদুল হক আহত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এই সময় স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় টেকনাফ হাসাপাতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাহামুদুল হকের অবস্থা আশংকাজনক বলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।
এই ব্যাপারে টেকনাফের হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের সদস্য আবদুল গাফ্ফার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সন্ত্রাসীদের হাতে আহত মাহামুদুল হক অত্যান্ত শান্ত ও মেধাবী ছাত্র। তাছাড়া সে এবারের উখিয়া কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি ও সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
এইদিকে মাহামুদুল হকের পারিবার জানিয়েছেন, মাহামুদুল হকের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তারা এখনো অভিযোগ দেয়নি থানায়। তারা মাহামুদুল হকের চিকিৎসার পর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার নেয়ার কথা জানান। তারা আরো অভিযোগ করেন, মাহামুদুল হকের উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক মামলা থাকলেও পুলিশ তাদেরকে ধরছেনা। ফলে উক্ত সন্ত্রাসীরা এলাকায় একের পর এক ত্রাস ছালিয়ে যাচ্ছে। ফলে উক্ত সন্ত্রাসীরা আবারো নিরহ কলেজ ছাত্রের উপর হামলা করে মাথা পাঠিয়ে দেয়ার সাহস দেখিয়েছে। টেকনাফ থানার পুলিশ জানিয়েছেন,এই ব্যাপারে থানায় কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ ফেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।
