বিদেশ বার্তা::
নরওয়ের গণহত্যাকারী অ্যান্ডার্স বেরিং ব্রেইভিককে বিচ্ছিন্ন কারাগারে রেখে কোনো 'অমানবিক' আচরণ করা হচ্ছে না জানিয়েছে আদালত।অসলোর একটি আপিল আদালত বুধবার এই রায় ঘোষণা করে। খবর ডেকান ক্রনিক্যালের।
আদালতের রায়ে বলা হয়, ব্রেইভিকের ওপর নির্যাতন, অত্যাচার বা অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে না।
২০১১ সালের জুলাই মাসে ৩৮ বছর বয়সী উগ্র ডানপন্থী অ্যান্ডার্স বেরিং ব্রেইভিক অসলোর সরকারি স্থাপনায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটান এবং উটোয়া দ্বীপে নরওয়েজিয়ান লেবার পার্টির গ্রীষ্মকালীন তরুণ ক্যাম্পে বন্দুক হামলা চালান। ব্রেইভিকের গুলিতে প্রাণ হারান ৭৭ জন। তিনি বর্তমানে ২১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
২০১৬ সালের এপ্রিলে অসলো ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে 'অমানবিক' এবং 'অমার্যাদাকর' আচরণের অভিযোগ আনেন ব্রেইভিক। যা মানবাধিকার বিষয়ে ইউরোপীয় কনভেনশনের আর্টিকেন ৩ এর লঙ্ঘন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বুধবার আদালতের এক রায়ে বলা হয়, ব্রেইভিক বিচ্ছিন্ন কারাগারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আদালতের মতামত হচ্ছে, ভবিষ্যতে ব্রেইভিক আরও বড় ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারেন।
বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগে কঠোরতা আরোপের বিষয়ে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ এনেছিলেন। আদালত তার এই অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আদালতের বক্তব্য, ব্রেইভিক এখনো একজন বিপজ্জনক ব্যক্তি। তিনি তার অনুসারীদের উগ্র ডানপন্থী আদর্শ ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন এবং তার অনুসারীদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা করছেন।
আদালতের রায়ে বলা হয়, ব্রেইভিকের ওপর নির্যাতন, অত্যাচার বা অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে না।
২০১১ সালের জুলাই মাসে ৩৮ বছর বয়সী উগ্র ডানপন্থী অ্যান্ডার্স বেরিং ব্রেইভিক অসলোর সরকারি স্থাপনায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটান এবং উটোয়া দ্বীপে নরওয়েজিয়ান লেবার পার্টির গ্রীষ্মকালীন তরুণ ক্যাম্পে বন্দুক হামলা চালান। ব্রেইভিকের গুলিতে প্রাণ হারান ৭৭ জন। তিনি বর্তমানে ২১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
২০১৬ সালের এপ্রিলে অসলো ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে 'অমানবিক' এবং 'অমার্যাদাকর' আচরণের অভিযোগ আনেন ব্রেইভিক। যা মানবাধিকার বিষয়ে ইউরোপীয় কনভেনশনের আর্টিকেন ৩ এর লঙ্ঘন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বুধবার আদালতের এক রায়ে বলা হয়, ব্রেইভিক বিচ্ছিন্ন কারাগারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আদালতের মতামত হচ্ছে, ভবিষ্যতে ব্রেইভিক আরও বড় ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারেন।
বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগে কঠোরতা আরোপের বিষয়ে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ এনেছিলেন। আদালত তার এই অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আদালতের বক্তব্য, ব্রেইভিক এখনো একজন বিপজ্জনক ব্যক্তি। তিনি তার অনুসারীদের উগ্র ডানপন্থী আদর্শ ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন এবং তার অনুসারীদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা করছেন।
