স্পোর্টস বার্তা
কক্সবার্তা ডট কম।।
কক্সবার্তা ডট কম।।
আবারও জ্বলে উঠল মোহাম্মদ নবীর ব্যাট। তাতে আবারও জয়ের উৎসবে মাতল চিটাগং ভাইকিংস। আফগান এই অলরাউন্ডারের হার না মানা ২৪ বলে ৪৬ রানের ঝোড়ো ইনিংসের ওপর ভর দিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় পেল ভাইকিংস। কুমিল্লার ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে করা ১৮৩ রানের জবাবে তামিম ইকবালরা জয় নিশ্চিত করে ৪ বল হাতে রেখে।
শেষ ওভারে ভাইকিংসের জেতার জন্য দরকার ছিল ৮ রান। সময় নষ্ট করেননি নবী, মোহাম্মদ শফিউদ্দিনের করা প্রথম বলে মারলেন চার, পরের বল বাউন্ডারির ওপারে পাঠিয়ে আফগান অলরাউন্ডার নিশ্চত করেন ভাইকিংসের টানা দ্বিতীয় জয়। নবী ২৪ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৪৬ রানে।
১৮৪ রানে লক্ষ্যে শুরুটা মন্দ ছিল না ভাইকিংসের। ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল তারা। মাশরাফি বিন মর্তুজার বলে ডোয়াইন স্মিথ আউট হওয়ার আগে ১২ বলে খেলে যান ২১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তার আউটের পর অবশ্য স্বাগতিকদের রান উঠেছে ধীর গতিতে। কুমিল্লার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভাইকিংসও রান নিয়েছে দেখেশুনে। এনামুল হককে সঙ্গে নিয়ে অধিনায়ক তামিম দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ৬২ রানের জুটি। রান টেন ডোশাটের বলে তামিম ২৭ বলে ৩০ রান করে ফিরে যাওয়ার সময় তাদের রান ছিল ২ উইকেটে ৯০। খানিক পর এনামুলও ফিরে যান ওই ডোশাটের শিকার হয়ে। এই উইকেটরক্ষ ব্যাটসম্যান ৩০ বলে খেলেন ৪০ রানের ইনিংস, যাতে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কার মার।
রানের গতি অবশ্য থামেনি। চলতি বিপিএলে ব্যাট হাতে বাজে সময় কাটানো পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক দাঁড়িয়ে যান কুমিল্লার বিপক্ষে। স্বদেশি পেসার সোহেল তানভিরের বলে বোল্ড হওয়ার আগে খেলে যান ২৫ বলে ৩৮ রানের কার্যকরী ইনিংস। এর পর বাকি কাজটা সেরেছেন নবী।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে লড়াই করার মতো স্কোর গড়েছিল কুমিল্লা। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে গেলেও দাঁড়িয়ে যান আরেক ওপেনার খালিদ লতিফ। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে খেলেন তিনি ৭৬ রানের কার্যকরী ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেটে তিনি ইমরুল কায়েসের সঙ্গে গড়েন ৬৮ রানের জুটি। ইমরুল ২৬ বলে ৩৬ রান করে তামিমের থ্রোতে রান আউট হয়ে গেলে ভাঙে তাদের জুটি। লতিফও ৫৩ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রান করে ফেরেন রান আউট হয়ে।পাকিস্তানি এই ওপেনারকে রান আউট করেন উইকেটরক্ষক এনামুল হক।
লতিফ ফেরার আগে অবশ্য স্বদেশি আহমেদ শেহজাদের সঙ্গে গড়েছিলেন ৭০ রানের কার্যকরী জুটি। শেহজাদ ২৫ বলে অপরাজিত ছিলেন ৪০ রানে। টপ অর্ডারের এক সঙ্গে জ্বলে উঠাতেই কুমিল্লা পায় বড় সংগ্রহ। যদিও ভাইকিংস ব্যাটসম্যানদের তাণ্ডবে ১৮৩ রানের স্কোরটাও কাজে এলো না মাশরাফিদের।
শেষ ওভারে ভাইকিংসের জেতার জন্য দরকার ছিল ৮ রান। সময় নষ্ট করেননি নবী, মোহাম্মদ শফিউদ্দিনের করা প্রথম বলে মারলেন চার, পরের বল বাউন্ডারির ওপারে পাঠিয়ে আফগান অলরাউন্ডার নিশ্চত করেন ভাইকিংসের টানা দ্বিতীয় জয়। নবী ২৪ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৪৬ রানে।
১৮৪ রানে লক্ষ্যে শুরুটা মন্দ ছিল না ভাইকিংসের। ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল তারা। মাশরাফি বিন মর্তুজার বলে ডোয়াইন স্মিথ আউট হওয়ার আগে ১২ বলে খেলে যান ২১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তার আউটের পর অবশ্য স্বাগতিকদের রান উঠেছে ধীর গতিতে। কুমিল্লার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভাইকিংসও রান নিয়েছে দেখেশুনে। এনামুল হককে সঙ্গে নিয়ে অধিনায়ক তামিম দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ৬২ রানের জুটি। রান টেন ডোশাটের বলে তামিম ২৭ বলে ৩০ রান করে ফিরে যাওয়ার সময় তাদের রান ছিল ২ উইকেটে ৯০। খানিক পর এনামুলও ফিরে যান ওই ডোশাটের শিকার হয়ে। এই উইকেটরক্ষ ব্যাটসম্যান ৩০ বলে খেলেন ৪০ রানের ইনিংস, যাতে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কার মার।
রানের গতি অবশ্য থামেনি। চলতি বিপিএলে ব্যাট হাতে বাজে সময় কাটানো পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক দাঁড়িয়ে যান কুমিল্লার বিপক্ষে। স্বদেশি পেসার সোহেল তানভিরের বলে বোল্ড হওয়ার আগে খেলে যান ২৫ বলে ৩৮ রানের কার্যকরী ইনিংস। এর পর বাকি কাজটা সেরেছেন নবী।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে লড়াই করার মতো স্কোর গড়েছিল কুমিল্লা। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে গেলেও দাঁড়িয়ে যান আরেক ওপেনার খালিদ লতিফ। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে খেলেন তিনি ৭৬ রানের কার্যকরী ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেটে তিনি ইমরুল কায়েসের সঙ্গে গড়েন ৬৮ রানের জুটি। ইমরুল ২৬ বলে ৩৬ রান করে তামিমের থ্রোতে রান আউট হয়ে গেলে ভাঙে তাদের জুটি। লতিফও ৫৩ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রান করে ফেরেন রান আউট হয়ে।পাকিস্তানি এই ওপেনারকে রান আউট করেন উইকেটরক্ষক এনামুল হক।
লতিফ ফেরার আগে অবশ্য স্বদেশি আহমেদ শেহজাদের সঙ্গে গড়েছিলেন ৭০ রানের কার্যকরী জুটি। শেহজাদ ২৫ বলে অপরাজিত ছিলেন ৪০ রানে। টপ অর্ডারের এক সঙ্গে জ্বলে উঠাতেই কুমিল্লা পায় বড় সংগ্রহ। যদিও ভাইকিংস ব্যাটসম্যানদের তাণ্ডবে ১৮৩ রানের স্কোরটাও কাজে এলো না মাশরাফিদের।
