কাদের হোছাইন, ডুলাহাজারা:
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বাজারে গত ১৩ মে ইয়াবা সহ ব্যবসায়ী মো: শাহিনকে আটক করে চকরিয়া থানার পুলিশ ফোর্স । এ ঘটনার পর থেকে ডুলাহাজারা ব্যবসায়ী মহলে আলোচনা-সমালোচনা ঝড় উঠে। নিরীহ এই ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর পিছনে মেম্বার পরিবারের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, চকরিয়া থানার এস.আই সুকান্ত চৌধুরী ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে মো: শাহীনকে গ্রেপ্তার করার পিছনে ডুলাহাজারা ৮নং ওয়ার্ডের এম.ইউ.পি মো: সোলাইমানের পরিবারকে দায়ী করিয়াছে আটক শাহিনের স্ত্রী মুন্নি আক্তার। যাহা ছিল তাদের পূর্ব পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তিনি আরো জানান, আমার স্বামীক এই মিথ্যা অভিযোগে ফাসানোর জন্য ঈদগাঁও পোকখালী এলাকা থেকে সোলাইমান মেম্বারের চাচাত ভাই আবু বক্কর তার বন্ধুর ২ ছেলেকে তাদের বাড়ীতে বেড়াইতে আনে। রাত্রে তার বাড়ীতে রাখে। পরের দিন শনিবার শাহিনের সাফা টেলিকম থেকে বেড়াতে আসা ছেলে ২টি একটি গান বাজানো এ্যাম ক্রয় করে নিয়ে মেম্বারের ভাইয়ের বাড়ীতে নিয়ে যায়। কিন্তু ২ ঘন্টা পর মেম্বারের ছোট ভাই আলী আহমদ সহ ও তার চাচাত ভাই আবু বক্কর ঐ ক্রয়কৃত এ্যাম এর ভিতরে ১২০টি ইয়াবা ঢুকিয়ে ছেলে ২টি দিয়ে সকালে নিয়ে যাবে বলে ইয়াবা ভর্তি এ্যামটি আমার স্বামীর দোকানে রেখে যায়। কিন্তু ১০/১২টি এ্যাম এর মধ্যে পুলিশ এসে ইয়াবা ভর্তি ঐ এ্যামটি বাহির করতে বলে। এতে ব্যবসায়ী শাহিন দুর্বল হয়ে পড়ে। শাহিন আরো জানান, মেম্বারের পরিবারের সব ধরণের কু-কর্মের সাথে জড়িত। মেম্বারের ছোট ভাই আলী আহমদ রংমহল ছৈয়দ সওদাগরের পুত্রবধু মিনু হত্যা মামলার অন্যতম আসামী। মেম্বার সোলাইমান ইনু হত্যার প্রধান আসামী। এতে পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত আছে বলে ডুলাহাজার ব্যবসায়ী মহলে ধারণা। এই ইয়াবা ব্যবসায়ী পরিবার ব্যবসায়ী মো: শাহিনকে পূর্বের শত্রুতার জের ধরে ষড়যন্ত্রভাবে ফাসানো হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী শাহিনের পরিবারের। হত্যা মামলার আসামীকে আইনের আওতায় না আনার কারণে প্রশাসনের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে।
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: ডুলাহাজারা ইয়াবা সহ আটকের ঘটনার রহস্য উৎঘাটন
Rating: 5
Reviewed By: Unknown