মোঃ নিজাম উদ্দিন,
নিজস্ব প্রতিনিধি :
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা মৃতদেহের পরিচায় পাওয়া গেছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মেধাকচ্ছপিয়া ঢালার জঙ্গল থেকে চকরিয়া থানার পুলিশ ওই যুবকের লাশটি উদ্ধার করে।
যুবকের নাম রবিউল হাসান মুন্না (৩৩)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জিমনখালী গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে। রাত আটটার দিকে চকরিয়া থানায় উপস্থিত হয়ে রবিউল হাসানের লাশ শনাক্ত করেন তাঁর স্ত্রী। তিনি বলেন, ২৪ এপ্রিল রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
চকরিয়া থানার এসআই সুকান্ত চৌধুরী বলেন স্থানীয় এক কাঠুরিয়ার দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেধাকচ্ছপিয়ার ঢালার জঙ্গল থেকে রবিউল হাসানের লাশ উদ্ধার করে। তাঁর শরীর বিকৃত হয়ে গেছে। তবে ডান হাতে একটি গুলির চিহ্ন ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর রাত আটটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম বলেন, লাশের সঙ্গে একটি মুঠোফোন সেট পাওয়া গেছে। ওই মুঠোফোনের নম্বরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সার্চ দিয়ে রবিউল হাসানের নাম পাওয়া যায়। পরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রবিউলের স্ত্রী লাশ শনাক্ত করেন।
এএসপি মতিউল বলেন, রবিউলকে তিন-চার দিন আগে অন্য কোনো জায়গায় হত্যা করা হয়। পরে লাশ মেধাকচ্ছপিয়ার জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
রবিউলের স্ত্রী আসমা আকতার সাংবাদিকদের বলেন, ২৪ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার এক বন্ধুর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে রবিউল বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেলে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি।