নিউজ ডেস্ক :
ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের এক ডাক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খোরশেদ আলম (৪১) নামে ওই ডাক্তার পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্মহত্যা করে থাকতেন পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তিন দিন আগে গত ২২ এপ্রিল নিজের শরীরে ‘ইনজেকশন পুশ’ আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কর্মস্থল হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। রাত সাড়ে ১২টায় মরদেহ পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে।
খোরশেদ আলম উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টরের গরিবে নেওয়াজ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাড়ির চারতলায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদরে।
উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২২ এপ্রিল বিকেলে খোরশেদ আলম নিজের শরীরে ‘ইনজেকশন পুশ’ করে। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার মারা গেলেন তিনি।
পুলিশ ধারণা করছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে খোরশেদ আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে বিস্তারিত জানা যাবে।nb
তিন দিন আগে গত ২২ এপ্রিল নিজের শরীরে ‘ইনজেকশন পুশ’ আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কর্মস্থল হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। রাত সাড়ে ১২টায় মরদেহ পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে।
খোরশেদ আলম উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টরের গরিবে নেওয়াজ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাড়ির চারতলায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদরে।
উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২২ এপ্রিল বিকেলে খোরশেদ আলম নিজের শরীরে ‘ইনজেকশন পুশ’ করে। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার মারা গেলেন তিনি।
পুলিশ ধারণা করছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে খোরশেদ আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে বিস্তারিত জানা যাবে।nb