এম হোবাইব সজিব::
কক্সবার্তা ডট কম।।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীন কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ দেওয়া ১৯ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানিয়রা অভিযোগ করছেন, সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগসাজশে মহাসড়কের মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়ম করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার এলাকায় 'ওভারলে' (আন্তরণ) প্রকল্পটি বাস্তবায়নের নামে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ১৯ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও সড়কের যে অংশের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ওই অংশে কোনো খানা-খন্দের চিহ্নও নেই। তারপরও ওই কাজে সরকারের এতো বিশাল অংকের টাকা বরাদ্দ দেয়ার ঘটনায় স্থানিয় জনপ্রতিনিধিসহ সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তাদের অভিযোগ, অক্ষত সড়ক উন্নয়নের নামে সরকারি অর্থ হরিলুট বন্ধ করতে হলে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তদন্ত করলে অনিয়মের সত্যতা খুঁজে পাবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট শাখা কর্মকর্তা চলমান উন্নয়ন কাজের দেখ ভালে নেই। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সাথে সড়ক বিভাগের একজন কার্যসহকারী সার্বক্ষণিক কাজের তদারকি করছেন। ফলে সিনিয়র কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের ইচ্ছেমতে যেনতেনভাবে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছেন।
চকরিয়া হারবাং ইনানী রিসোর্টের সামনে চলমান প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অক্ষত সড়কের উপরিভাগে সিডিউল বহির্ভূত নিন্মমানের বিটুমিন মিশিয়ে তার উপর প্রতিবর্গ ফুটে যে পরিমাণ খোয়ার মিশ্রনে ওভারলে'র কাজ করার কথা সেই নিয়মগুলো সড়কের উন্নয়ন কাজের কোথাও মানা হচ্ছে না। সড়কে স্থান ভেদে উপরের স্তরে গড়ে ৫০ মিলিমিটার দুরত্ব বজায় রাখার কথা থাকলেও এই ক্ষেত্রেও অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হচ্ছে। ওভারলে কাজে চার ধরনের ইন্ডিয়ান পাকুয়া পাথরের সাথে মিশ্রন ঘটিয়ে প্রতি বর্গফুটে যে পরিমাণ বিটুমিন সংমিশ্রিত পাথর বসানোর কথা থাকলেও সিডিউলের সেই নিয়ম কোথাও মানা হচ্ছে না।
স্থানিয়রা জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিবিএস (ডাবল বিটুমিন ওয়্যারিং কোর্স সার্ফেসিং)'র কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখনো সড়কের বেশির ভাগ অংশ অক্ষত আছে। তারপরও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা অক্ষত সড়কের উন্নয়নের নামে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থের বরাদ্দ এনে বেশিরভাগ টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে।
চকরিয়া সড়ক বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলৗ ও চলমান সড়ক উন্নয়ন কাজের তদারক কর্মকর্তা আবু আহসান মো. আজিজুল মোস্তাফা জানান, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বাজার থেকে উত্তরে হারবাং ইউনিয়নের আজিজগর জাহালিয়ার ঢালা পর্যন্ত ও দোহাজারি অংশে সড়কের বিভিন্ন অংশের ১৫ কিলোমিটার ও কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ উপবিভাগের ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটারসহ মাট ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়কে ওভারলে কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছ্ উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন কুমিল্লার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিডেট ও হাতেম বিল্ডার্স লিমিটেড নামের একটি জয়েন্টবেঞ্চার প্রতিষ্ঠান। তিনি আরো জানান, চলমান কাজের মধ্যে ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার ওভারলে, ১৮০ মিটার ড্রেইন, ৩৫টি সাইন সিগনাল, বিভিন্ন অংশে গাইড ওয়াল, হার্ড সোল্ডারের উপর কার্পেটিংয়ের কাজ বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
একাধিক সেংসকার স্থানিয় বেশ ক'জন ঠিকাদার ও জনপ্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, ওভারলে প্রকল্পের আওতায় নিন্মমানের উন্নয়ন কাজের কারণে চলতি বর্ষা মৌসুমে এসব কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা মহাসড়কের চলমান উন্নয়ন কাজটি সিডিউল মোতাবেক টেকসইভাবে নির্মাণ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকাবাসীরা জানান, সড়কের দু'পাশে হার্ড সোল্ডারের কাজগুলো আগেই করা ছিল। বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হার্ড সোল্ডারের ৮শ' মিটারের কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন তা সঠিক নয়। গত ডিসেম্বর মাসে কাজটি শুরু করে চলতি মে মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা এবং জুন মাসে সরকারি কোষাগার থেকে বিলের টাকা উত্তোলনের আয়োজন রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া। তিনি বলেন, উন্নয়ন কাজে কোন ধরনের অনিয়ম হচ্ছেনা। হার্ড সোল্ডার সড়কের সব জায়গায় দিতে হচ্ছে না, যেখানে দেয়া প্রয়োজন সেখানে দেয়া হচ্ছে। আজিজনগর থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সড়কের ২৮ কিলোমিটার অংশ মেরামতের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু সার্ভে রিপোর্টে পাশ হয়েছে চকরিয়ার ১৯ কিলোমিটার সড়ক।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের নতুন প্রযুক্তির আদলে সড়ক সংস্কার কাজ হচ্ছে। কোথাও উন্নয়ন কাজে সমস্যা হচ্ছে, এমন তথ্য জানা মাত্রই আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
স্থানিয়রা অভিযোগ করছেন, সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগসাজশে মহাসড়কের মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়ম করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার এলাকায় 'ওভারলে' (আন্তরণ) প্রকল্পটি বাস্তবায়নের নামে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ১৯ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও সড়কের যে অংশের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ওই অংশে কোনো খানা-খন্দের চিহ্নও নেই। তারপরও ওই কাজে সরকারের এতো বিশাল অংকের টাকা বরাদ্দ দেয়ার ঘটনায় স্থানিয় জনপ্রতিনিধিসহ সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তাদের অভিযোগ, অক্ষত সড়ক উন্নয়নের নামে সরকারি অর্থ হরিলুট বন্ধ করতে হলে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তদন্ত করলে অনিয়মের সত্যতা খুঁজে পাবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট শাখা কর্মকর্তা চলমান উন্নয়ন কাজের দেখ ভালে নেই। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সাথে সড়ক বিভাগের একজন কার্যসহকারী সার্বক্ষণিক কাজের তদারকি করছেন। ফলে সিনিয়র কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের ইচ্ছেমতে যেনতেনভাবে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছেন।
চকরিয়া হারবাং ইনানী রিসোর্টের সামনে চলমান প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অক্ষত সড়কের উপরিভাগে সিডিউল বহির্ভূত নিন্মমানের বিটুমিন মিশিয়ে তার উপর প্রতিবর্গ ফুটে যে পরিমাণ খোয়ার মিশ্রনে ওভারলে'র কাজ করার কথা সেই নিয়মগুলো সড়কের উন্নয়ন কাজের কোথাও মানা হচ্ছে না। সড়কে স্থান ভেদে উপরের স্তরে গড়ে ৫০ মিলিমিটার দুরত্ব বজায় রাখার কথা থাকলেও এই ক্ষেত্রেও অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হচ্ছে। ওভারলে কাজে চার ধরনের ইন্ডিয়ান পাকুয়া পাথরের সাথে মিশ্রন ঘটিয়ে প্রতি বর্গফুটে যে পরিমাণ বিটুমিন সংমিশ্রিত পাথর বসানোর কথা থাকলেও সিডিউলের সেই নিয়ম কোথাও মানা হচ্ছে না।
স্থানিয়রা জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিবিএস (ডাবল বিটুমিন ওয়্যারিং কোর্স সার্ফেসিং)'র কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখনো সড়কের বেশির ভাগ অংশ অক্ষত আছে। তারপরও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা অক্ষত সড়কের উন্নয়নের নামে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থের বরাদ্দ এনে বেশিরভাগ টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে।
চকরিয়া সড়ক বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলৗ ও চলমান সড়ক উন্নয়ন কাজের তদারক কর্মকর্তা আবু আহসান মো. আজিজুল মোস্তাফা জানান, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বাজার থেকে উত্তরে হারবাং ইউনিয়নের আজিজগর জাহালিয়ার ঢালা পর্যন্ত ও দোহাজারি অংশে সড়কের বিভিন্ন অংশের ১৫ কিলোমিটার ও কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ উপবিভাগের ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটারসহ মাট ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়কে ওভারলে কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছ্ উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন কুমিল্লার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিডেট ও হাতেম বিল্ডার্স লিমিটেড নামের একটি জয়েন্টবেঞ্চার প্রতিষ্ঠান। তিনি আরো জানান, চলমান কাজের মধ্যে ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার ওভারলে, ১৮০ মিটার ড্রেইন, ৩৫টি সাইন সিগনাল, বিভিন্ন অংশে গাইড ওয়াল, হার্ড সোল্ডারের উপর কার্পেটিংয়ের কাজ বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
একাধিক সেংসকার স্থানিয় বেশ ক'জন ঠিকাদার ও জনপ্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, ওভারলে প্রকল্পের আওতায় নিন্মমানের উন্নয়ন কাজের কারণে চলতি বর্ষা মৌসুমে এসব কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা মহাসড়কের চলমান উন্নয়ন কাজটি সিডিউল মোতাবেক টেকসইভাবে নির্মাণ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকাবাসীরা জানান, সড়কের দু'পাশে হার্ড সোল্ডারের কাজগুলো আগেই করা ছিল। বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হার্ড সোল্ডারের ৮শ' মিটারের কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন তা সঠিক নয়। গত ডিসেম্বর মাসে কাজটি শুরু করে চলতি মে মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা এবং জুন মাসে সরকারি কোষাগার থেকে বিলের টাকা উত্তোলনের আয়োজন রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া। তিনি বলেন, উন্নয়ন কাজে কোন ধরনের অনিয়ম হচ্ছেনা। হার্ড সোল্ডার সড়কের সব জায়গায় দিতে হচ্ছে না, যেখানে দেয়া প্রয়োজন সেখানে দেয়া হচ্ছে। আজিজনগর থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সড়কের ২৮ কিলোমিটার অংশ মেরামতের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু সার্ভে রিপোর্টে পাশ হয়েছে চকরিয়ার ১৯ কিলোমিটার সড়ক।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের নতুন প্রযুক্তির আদলে সড়ক সংস্কার কাজ হচ্ছে। কোথাও উন্নয়ন কাজে সমস্যা হচ্ছে, এমন তথ্য জানা মাত্রই আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
