ক্যাম্পাস বার্তা::
রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (টিটিসি) আবাসিক এলাকায় পুকরে ডুবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম হোসাইন মু. ফাহিম।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ষোষণা করেন।
নিহত ফাহিমের গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলায়। তার বাবা ফরিদুল ইসলাম রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষক।
বাবার চাকরির সুবাদে তিনি টিটিসির কোয়ার্টারে থাকতেন। বর্তমানে তার বাবা নিউজিল্যান্ডে অবস্থান করছেন।
এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর মিজানুর রহমান বলেন, পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।
কয়েকজনের কাছ থেকে শুনলাম যে, বিকাল ৪টার দিক সে পুকুরে নামে, তার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে তাকে রাজশাহী মেডিকেল থেকে তার বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে, আমি সেখানে যাচ্ছি।
ইংরেজি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. এ এফ এম মাসউদ আখতার বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে আমাদের বিভাগের একজন শিক্ষার্থী জানিয়াছে যে, ফাহিম নামে আমাদের প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষার্থী মারা গেছে। এর বেশি আমি এখনো জানতে পারিনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ষোষণা করেন।
নিহত ফাহিমের গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলায়। তার বাবা ফরিদুল ইসলাম রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষক।
বাবার চাকরির সুবাদে তিনি টিটিসির কোয়ার্টারে থাকতেন। বর্তমানে তার বাবা নিউজিল্যান্ডে অবস্থান করছেন।
এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর মিজানুর রহমান বলেন, পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।
কয়েকজনের কাছ থেকে শুনলাম যে, বিকাল ৪টার দিক সে পুকুরে নামে, তার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে তাকে রাজশাহী মেডিকেল থেকে তার বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে, আমি সেখানে যাচ্ছি।
ইংরেজি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. এ এফ এম মাসউদ আখতার বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে আমাদের বিভাগের একজন শিক্ষার্থী জানিয়াছে যে, ফাহিম নামে আমাদের প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষার্থী মারা গেছে। এর বেশি আমি এখনো জানতে পারিনি।
