দেশ বার্তা::
মাত্র চার মাসের ব্যবধানে আবারও কপাল পুড়ল কড়াইল বউবাজার বস্তিবাসীর। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ও দোকান পুড়ে যায়। ঘুমন্ত বস্তিবাসী নিজেদের জীবন বাঁচাতে পারলেও রক্ষা করতে পারেননি কষ্টে উপার্জিত সম্পদ।
সর্বস্ব হারিয়ে অনেকেই মাথায় হাত দিয়ে ধ্বংসস্তুপের পাশে বসেই বিলাপ করছেন। কেউ ধ্বংসস্তুপের নীচে থেকে পুড়ে যাওয়া জিনিসপত্র বের করার চেষ্টা করছেন।
ধ্বংসস্তুপের পাশে বসে বিলাপ করছিলেন নুরজাহান বেগম নামের এক বৃদ্ধা। দোতলার টিনের ঘরের নীচ তলায় চাল, ডাল ও বিভিন্ন মসলার ব্যবসা করতেন তিনি। আর পরিবার সন্তান নিয়ে থাকতেন উপরের তলায়। আগুনে তার সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দুটি বাটিতে জমানো কিছু পয়সা ও পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া টাকা নিয়ে নিরবে চোখের পানি ঝড়াচ্ছেন বয়োজ্যেষ্ঠ এই নারী।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও এই বস্তিতে আগুন লেগে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগে ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও এই বস্তিতে আগুনের ঘটনা
সত্তর বছর বয়সী ভাড়াটিয়া মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান বলেন, 'টাকার অভাবে বিশ বছর ধইরা এই বস্তিতে থাকি। এক চোখে দেহি না। ভাতা ও অল্প আয়ে দিনে আইনা দিনে খাইতাম।' ডুকরে কেঁদে উঠে এই বৃদ্ধ বলেন, 'আগুন থেইকা নিজেগো জীবন বাঁচাইতে পারছি, তয় আশা মইরা গেছে।'
হোসনে আরা নামের এক নারী বলেন, '২০০৪ সালের আগুনে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট হইছিল। কিন্তু এবার কেমনে কী করমু কোনো পথ দেহি না।'
তৌহিদ, খলিলুর রহমান, ফারুক আক্তার, অয়ন মাহমুদসহ অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের দাবি, এই বাজারের প্রায় চার হাজারের মতো ঘর ও দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি তহবিল ও বিত্তবানদের সহায়তা ছাড়া এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সম্ভব নয়।
তবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসিদের সহায়তার আস্বাস দিয়েছেন।
সর্বস্ব হারিয়ে অনেকেই মাথায় হাত দিয়ে ধ্বংসস্তুপের পাশে বসেই বিলাপ করছেন। কেউ ধ্বংসস্তুপের নীচে থেকে পুড়ে যাওয়া জিনিসপত্র বের করার চেষ্টা করছেন।
ধ্বংসস্তুপের পাশে বসে বিলাপ করছিলেন নুরজাহান বেগম নামের এক বৃদ্ধা। দোতলার টিনের ঘরের নীচ তলায় চাল, ডাল ও বিভিন্ন মসলার ব্যবসা করতেন তিনি। আর পরিবার সন্তান নিয়ে থাকতেন উপরের তলায়। আগুনে তার সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দুটি বাটিতে জমানো কিছু পয়সা ও পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া টাকা নিয়ে নিরবে চোখের পানি ঝড়াচ্ছেন বয়োজ্যেষ্ঠ এই নারী।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও এই বস্তিতে আগুন লেগে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগে ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও এই বস্তিতে আগুনের ঘটনা
সত্তর বছর বয়সী ভাড়াটিয়া মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান বলেন, 'টাকার অভাবে বিশ বছর ধইরা এই বস্তিতে থাকি। এক চোখে দেহি না। ভাতা ও অল্প আয়ে দিনে আইনা দিনে খাইতাম।' ডুকরে কেঁদে উঠে এই বৃদ্ধ বলেন, 'আগুন থেইকা নিজেগো জীবন বাঁচাইতে পারছি, তয় আশা মইরা গেছে।'
হোসনে আরা নামের এক নারী বলেন, '২০০৪ সালের আগুনে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট হইছিল। কিন্তু এবার কেমনে কী করমু কোনো পথ দেহি না।'
তৌহিদ, খলিলুর রহমান, ফারুক আক্তার, অয়ন মাহমুদসহ অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের দাবি, এই বাজারের প্রায় চার হাজারের মতো ঘর ও দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি তহবিল ও বিত্তবানদের সহায়তা ছাড়া এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সম্ভব নয়।
তবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসিদের সহায়তার আস্বাস দিয়েছেন।
