মিশরের নীল নদের তলদেশ থেকে তিন হাজার বছরের পুরনো একটি মূর্তি উদ্ধার করেছেন দেশটির একদল প্রত্নতাত্ত্বিক। ধারনা করা হচ্ছে, এটি মিশরের এক রাজা বা ফেরো দ্বিতীয় র্যামসেসের মূর্তির দেহের অংশ।
কায়রোর সুক আল-খামিস এলাকায় নদীরে কাছাকাছি জায়গায় খনন করে মূর্তিটি পাওয়া যায়। পরে মূর্তির মাথাটি গত সপ্তাহে একই জায়াগায় খুঁজে পাওয়া যায়।
রাজধানী কায়রোর কাছে প্রাচীন মিশরের রাজধানী হেলিওপোলিসের ধ্বংসাবশেষের জায়গায় এই মূর্তিটি খুঁজে পাওয়া যায়। দ্বিতীয় র্যামসেসের কথিত মূর্তির মাথাটি গত সপ্তাহে পাওয়া যায়।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়, মিশরীয় এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি যৌথ দল তিন টন ওজনের এই মূর্তিটি খুঁজে বের করে।
ফেরো দ্বিতীয় র্যামসেস মোট ৬০ বছর রাজত্ব করেছিলেন। সে সময় মিশরে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়ে।
ছবিতে মূর্তি উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত এক শ্রমিককে দেখা যাচ্ছে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, যদি প্রমাণিত হয় যে এটি রাজার আসল মূর্তি তবে তা হবে এক বিরাট অর্জন।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বলছে, কায়রোর কেন্দ্রীয় যাদুঘরে মূর্তিটির অংশগুলো জোড়া লাগানো হবে। খননের সময় আশেপাশের বাড়িঘর থেকে লোকজন তা দেখছেন।
কায়রোর সুক আল-খামিস এলাকায় নদীরে কাছাকাছি জায়গায় খনন করে মূর্তিটি পাওয়া যায়। পরে মূর্তির মাথাটি গত সপ্তাহে একই জায়াগায় খুঁজে পাওয়া যায়।
রাজধানী কায়রোর কাছে প্রাচীন মিশরের রাজধানী হেলিওপোলিসের ধ্বংসাবশেষের জায়গায় এই মূর্তিটি খুঁজে পাওয়া যায়। দ্বিতীয় র্যামসেসের কথিত মূর্তির মাথাটি গত সপ্তাহে পাওয়া যায়।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়, মিশরীয় এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি যৌথ দল তিন টন ওজনের এই মূর্তিটি খুঁজে বের করে।
ফেরো দ্বিতীয় র্যামসেস মোট ৬০ বছর রাজত্ব করেছিলেন। সে সময় মিশরে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়ে।
ছবিতে মূর্তি উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত এক শ্রমিককে দেখা যাচ্ছে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, যদি প্রমাণিত হয় যে এটি রাজার আসল মূর্তি তবে তা হবে এক বিরাট অর্জন।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বলছে, কায়রোর কেন্দ্রীয় যাদুঘরে মূর্তিটির অংশগুলো জোড়া লাগানো হবে। খননের সময় আশেপাশের বাড়িঘর থেকে লোকজন তা দেখছেন।



