দেশ বার্তা::
বঙ্গোপসাগর থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি আট জেলেকে চার দিনেও ফেরত দেয়নি মিয়ানমার। প্রথমদিকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিই অস্বীকার করেছিল তারা। পরে অবশ্য তা স্বীকার করে।
বৃহস্পতিবার বিকালে সেন্টমার্টিনসের দক্ষিণে বাংলাদেশ-মিয়ানমার জলসীমার শূন্যরেখার কাছে মাছ ধরার সময় জেলেদেরকে ধরে নিয়ে যায় দেশটির নৌ-বাহিনী। এসময় তারা জেলেদের নৌকাটি সাগরে ডুবিয়ে দেয়।
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন আব্দুর রশিদ মাঝি, সৈয়দ করিম, নূর হাসান, মোহাম্মদ উল্লাহ, জামাল হোসেন, দিল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ সাদেক ও মোহাম্মদ জাকের।
বিজিবির কর্মকর্তা আবুজার বলেন, ট্রলার মালিক ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে খবরটি জানার পর তারা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা প্রথমে বিষয়টি নিয়ে কোন তথ্য দিতে পারেননি। তবে তারা স্বীকার করলেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না পাওয়ার কথা জানিয়ে জেজলেদের ফেরত দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে।
এ নিয়ে শুক্রবার মিয়ানমারের বিজিপির কাছে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান এই বিজিবি কর্মকর্তা।
ডুবিয়ে দেয়া ট্রলারটির মালিক আবুল হোসেন বলেন, 'বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মৌলভীর শিল পয়েন্টে আমার মালিকানাধীন ট্রলারটি নিয়ে আট জেলে মাছ ধরছিল। এসময় আশপাশে বাংলাদেশি জেলেদের আরো কয়েকটি ট্রলার মাছ ধরতে জাল ফেলে। হঠাৎ মিয়ানমার নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ এসে বাংলাদেশি জেলেদের ধাওয়া দেয়। এতে বাংলাদেশি জেলেদের কয়েকটি ট্রলার পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও জাহাজটি আমার মালিকানাধীন ট্রলারটিকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয়। পরে জেলেদের জাহাজে তুলে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার নৌ-বাহিনী।'
আবুল বলেন, 'এ ঘটনাটি মিয়ানমার নৌ-বাহিনীর তাড়া খেয়ে পালিয়ে আসা অন্য ট্রলারের জেলেরা জানালে শুক্রবার সকালে তা বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবহিত করেছেন।'
বৃহস্পতিবার বিকালে সেন্টমার্টিনসের দক্ষিণে বাংলাদেশ-মিয়ানমার জলসীমার শূন্যরেখার কাছে মাছ ধরার সময় জেলেদেরকে ধরে নিয়ে যায় দেশটির নৌ-বাহিনী। এসময় তারা জেলেদের নৌকাটি সাগরে ডুবিয়ে দেয়।
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন আব্দুর রশিদ মাঝি, সৈয়দ করিম, নূর হাসান, মোহাম্মদ উল্লাহ, জামাল হোসেন, দিল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ সাদেক ও মোহাম্মদ জাকের।
বিজিবির কর্মকর্তা আবুজার বলেন, ট্রলার মালিক ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে খবরটি জানার পর তারা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা প্রথমে বিষয়টি নিয়ে কোন তথ্য দিতে পারেননি। তবে তারা স্বীকার করলেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না পাওয়ার কথা জানিয়ে জেজলেদের ফেরত দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে।
এ নিয়ে শুক্রবার মিয়ানমারের বিজিপির কাছে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান এই বিজিবি কর্মকর্তা।
ডুবিয়ে দেয়া ট্রলারটির মালিক আবুল হোসেন বলেন, 'বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মৌলভীর শিল পয়েন্টে আমার মালিকানাধীন ট্রলারটি নিয়ে আট জেলে মাছ ধরছিল। এসময় আশপাশে বাংলাদেশি জেলেদের আরো কয়েকটি ট্রলার মাছ ধরতে জাল ফেলে। হঠাৎ মিয়ানমার নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ এসে বাংলাদেশি জেলেদের ধাওয়া দেয়। এতে বাংলাদেশি জেলেদের কয়েকটি ট্রলার পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও জাহাজটি আমার মালিকানাধীন ট্রলারটিকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয়। পরে জেলেদের জাহাজে তুলে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার নৌ-বাহিনী।'
আবুল বলেন, 'এ ঘটনাটি মিয়ানমার নৌ-বাহিনীর তাড়া খেয়ে পালিয়ে আসা অন্য ট্রলারের জেলেরা জানালে শুক্রবার সকালে তা বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবহিত করেছেন।'
