পার্বত্য প্রতিনিধি :
বান্দরবানের নাইংছড়ি উপজেলাধীন বাইশারী এলাকার জনগন জঙ্গী আতংকে ভুগছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার ছায়ানীড়ের জঙ্গী আস্তানায় বাইশারী এলাকার কামাল হোছেন তার স্ত্রী জোবাইদা ইয়াছমিন এক সন্তানসহ নিহত হয় এবং কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের হাতে বাইশারীর ছুরুত আলম ওরফে হাসান আটক হওয়ায় জঙ্গী আতংকে ভোগছে বাইশারী বাসী।
বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বিডি২৪লাইভ.কম কে জানান, বাইশারী এলাকার প্রায় ৭০ জন যুবক দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কাজে কর্মরত আছে। যাচাই বাচাই করে দেখেছি তার মধ্যে ৬ জন নিখোঁজ। তারা হলেন মোঃ রুবেল(২৩) পিতা-মোঃ হোসেন গ্রাম- বাইশারী, মোঃ সালমান (২১) পিতা-শফিকুর রহমান গ্রাম-বাইশারী, রুবি আকতার স্বামী-শফিকুর রহমান গ্রাম-তুফান আলী পাড়া বাইশারী, মোঃ ইউনুছ (৪০) পিতা-জয়নাল আবেদিন গ্রাম-উত্তর বাইশারী ও শফিকুর রহমান পিতা-অজ্ঞাত সর্বসাং- বাইশারী।
তিনি আরো জানান, বাকীরা স্ব-স্ব কাজে কর্মরত থাকলে ও নিখোঁজ ৬ জন জঙ্গী সংগঠনের সাথে জড়িত থাকতে পারে। নাই্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম তৌহিদ কবির সাংবাদিকদের বলেন, বাইশারীর ৭০ জন যুবক নিখোঁজ এই বক্তব্য সঠিক নয়। তিনি বলেন পুরো নাই্যংছড়ি থানায় ২৫ জন এবং বাইশারীতে ৬ জন যুবক নিখোঁজ থাকার তথ্য আমাদের কাছে আছে। আমরা তা যাচাই বাচাই করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
স্থানীয় সাবেক সেনা সার্জেন্ট আব্দুল হামিদ জানান, যারা নিহত এবং আটক হয়েছে তারা এলাকার তেমন পরিচিতজন ছিল না। হাসান আটক না হলে আমরা বাইশারীবাসী কখন ও জানতে পারতাম না সাধারন মানুষের ভিতর জঙ্গী লুকিয়ে আছে। গত ২০১৬ সালে মাত্র ৪ মাসের ব্যবধানে বাইশারীতে ৩ জঙ্গী ঘটনা ঘটেছিল। বাইশারী বাজারে পুলিশকে ল্য করে বোমা বিস্ফোরণ, বৌদ্ধ ভিক্ষু হত্যা ও আওয়ামীলীগ নেতা মংশৈহাকে হত্যা করা হয়েছিল। প্রত্যেক ঘটনার পর জঙ্গী সংগঠন আইএস এর নামে কথিত তাদের ওয়েবসাইডে দায় স্বীকার করে স্ট্যাটাস দেয়।
এলাকাবাসী মনে করেন ঐ ঘটনা এরাই ঘটিয়েছে এবং এলাকায় আবারো জঙ্গী হামলা হতে পারে। এলাকাবাসী পুলিশের নজরদারীসহ নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুজেঁ বের করার দাবী জানান।