দেশ বার্তা::
কক্সবার্তা ডট কম।।
বয়স তার দেড় বছর। এখনও ঘুমায় সে বাবা মায়ের সঙ্গেই। রবিবার রাতেও তাই হয়েছিল। কিন্তু ভোরে উঠে শিশুটিকে আর পাওয়া যায় না। সকাল থেকেই বাড়িতে কান্নার রোল। কী হয়েছে শিশুটির? হন্যে হয়ে খুঁজে থাকে স্বজনরা। পরে শিশুটিকে পাওয়া যায়। কিন্তু মৃত অবস্থায়।
বাড়ির থেকে বেশ খানিকটা দূরে একটি খালের পাড়ে পাওয়া যায় শিশুটিকে। সে কীভাবে সেখানে গেলো, সে এখন পর্যন্ত রহস্যই হয়ে রইলো স্বজন আর পুলিশের কাছে।
শিশুটির নাম ইমন। তার বাড়ি পাবনার বেড়া পৌর সদরের পায়না মহল্লায়। সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিশুটির বাবা ফরমান মোল্লার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাতে ইমনকে নিয়ে ঘোমানো বাবা মা ভোরে টের পান সন্তান নেই বিছানায়। এরপর ঘরের ভেতর খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায় না তাকে। পরে ঘরের বাইরে যান বাবা-মা। কিন্তু সেখানেও হসিদ মেলেনি ইমনের।
এর মধ্যে ঘটনার জানাজানি হয় আর অনুসন্ধান কাজে যোগ দেয় স্থানীয়রাও। আর বেলা ১২টার দিকে বাড়ির অদুরে খাল পাড়ে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে বেড়া থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে পাবনার সহকারী পুলিশ সুপার (বেড়া সার্কেল) শামসুল হক বলেন, 'শিশুটির মৃত্যুর ঘটনা রহস্যজনক। কীভাবে তার এই পরিণতি হলো সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।'
এক প্রশ্নের জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, শিশুটির মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে পাবনা হাসাপাতালে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসলেই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাড়ির থেকে বেশ খানিকটা দূরে একটি খালের পাড়ে পাওয়া যায় শিশুটিকে। সে কীভাবে সেখানে গেলো, সে এখন পর্যন্ত রহস্যই হয়ে রইলো স্বজন আর পুলিশের কাছে।
শিশুটির নাম ইমন। তার বাড়ি পাবনার বেড়া পৌর সদরের পায়না মহল্লায়। সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিশুটির বাবা ফরমান মোল্লার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাতে ইমনকে নিয়ে ঘোমানো বাবা মা ভোরে টের পান সন্তান নেই বিছানায়। এরপর ঘরের ভেতর খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায় না তাকে। পরে ঘরের বাইরে যান বাবা-মা। কিন্তু সেখানেও হসিদ মেলেনি ইমনের।
এর মধ্যে ঘটনার জানাজানি হয় আর অনুসন্ধান কাজে যোগ দেয় স্থানীয়রাও। আর বেলা ১২টার দিকে বাড়ির অদুরে খাল পাড়ে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে বেড়া থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে পাবনার সহকারী পুলিশ সুপার (বেড়া সার্কেল) শামসুল হক বলেন, 'শিশুটির মৃত্যুর ঘটনা রহস্যজনক। কীভাবে তার এই পরিণতি হলো সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।'
এক প্রশ্নের জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, শিশুটির মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে পাবনা হাসাপাতালে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসলেই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
