চৌধুরী আকবর হোসেন :
পৌষ মাস প্রায় শেষের দিকে, অথচ শীতের দেখা নেই। এনিয়ে কিছুটা হলেও দুর্ভাবনা ছিলো অনেকের মনে। অবশেষে পৌষের শেষে এসে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৫ দশমিক ৫ আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দুই-একদিনে সারা দেশে শীতের তীব্রতা বাড়বে, রাজধানীসহ সারা দেশে তাপমাত্রাও কমবে। সারা দেশেই রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ১০ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা হ্রাস এবং শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছিল। তবে ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর আরও দুই-একদিন শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে এরই মধ্যে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে।
এ প্রসঙ্গে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আগামী দুই-একদিনে সারাদেশে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
রাজধানী ঢাকাও শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়তে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার তা কমে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরও কমলে শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে।
ভৌগোলিক কারণে উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলেও জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ২ ও সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮, চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ৬ ও সর্বনিম্ন ১৪, সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৬ ও সর্বনিম্ন ১৩, ময়মনসিংহ বিভাগে সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ১ ও সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৬, রাজশাহী বিভাগে সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ৪ ও সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ২, রংপুর বিভাগে সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ২ ও সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৮, খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ৫ ও সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ২ এবং বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ২৪ ও সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিলো। tb
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: পৌষের শেষে শীতের প্রকোপ
Rating: 5
Reviewed By: Unknown