নিজস্ব প্রতিনিধি,চকরিয়া:
কক্সবার্তা ডট কম
চকরিয়ার ডুলাহাজারা ও হারবাং'এ বিজয় দিবস মাসকে পুজি করে পার্কের গেইটে বানিজ্য মেলা ও ঘৌড়ার দৌড় মেলা নামে চলছে রমরমা জুয়া খেলা আর অনৈতিক বানিজ্য।
পার্কের গেইটে সাকার্সের আড়ালে গড়ে উঠা হোটেল গুলো এখন পতিতা পল্লীতে রূপ নিয়েছে। এছাড়া বানিজ্য মেলার আকর্ষনীয় পুরুস্কারের নামে চলচে লটারীর ব্যবসা। এতে করে বিজয়ের সুনাম নষ্ঠের পাশাপাশি বিপদগামী হচ্ছে যুবসমাজ। খোজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হারবাং ও বরইতলী এলাকার কিছু সরকার দলের লোক পরিচয় দিয়ে ঘৌড়ার দৌড় নামে হরদমে বসিয়েছে জুয়া খেলার আসর। রাতে চলে মাদক দ্রব্য ব্যবসা ও অনৈতিক কাজ। এতে করে ওই এলাকার আইন শৃংখলা বিঘ্নের পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ।
অপর দিকে ডুলাহাজারা সাফারী পার্কের গেইটে মহান বিজয় দিবসের নাম করে সার্কাস, আকর্ষনীয় অপারে লটারী আর পার্শ্বে গড়ে উঠা কয়েকটি হোটেলে চলছে অনৈতিক কর্মকান্ড ও জুয়ার আসর। এতে করে ওই এলাকা গুলো আইন শৃংখলার বাহিরে চলে গেছে। সরকার দলের লোকদের প্রভাব বিস্তার করায় অসহায় হয়ে পড়েছে পুলিশ। অনৈতিক কাজে বাঁধা দেয়ার জন্য কোন উদ্যোগ নিলে বাঁধতে পারে বিরোধ। ফলে পুলিশ চোখে মালা আর কানে তুলো দিয়ে রেখেছে।
এ অবস্থা চলতে থাকলে ওই স্থান গুলোর আইন শৃংখরা পরিবেশ নষ্ঠ ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
পার্কের গেইটে সাকার্সের আড়ালে গড়ে উঠা হোটেল গুলো এখন পতিতা পল্লীতে রূপ নিয়েছে। এছাড়া বানিজ্য মেলার আকর্ষনীয় পুরুস্কারের নামে চলচে লটারীর ব্যবসা। এতে করে বিজয়ের সুনাম নষ্ঠের পাশাপাশি বিপদগামী হচ্ছে যুবসমাজ। খোজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হারবাং ও বরইতলী এলাকার কিছু সরকার দলের লোক পরিচয় দিয়ে ঘৌড়ার দৌড় নামে হরদমে বসিয়েছে জুয়া খেলার আসর। রাতে চলে মাদক দ্রব্য ব্যবসা ও অনৈতিক কাজ। এতে করে ওই এলাকার আইন শৃংখলা বিঘ্নের পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ।
অপর দিকে ডুলাহাজারা সাফারী পার্কের গেইটে মহান বিজয় দিবসের নাম করে সার্কাস, আকর্ষনীয় অপারে লটারী আর পার্শ্বে গড়ে উঠা কয়েকটি হোটেলে চলছে অনৈতিক কর্মকান্ড ও জুয়ার আসর। এতে করে ওই এলাকা গুলো আইন শৃংখলার বাহিরে চলে গেছে। সরকার দলের লোকদের প্রভাব বিস্তার করায় অসহায় হয়ে পড়েছে পুলিশ। অনৈতিক কাজে বাঁধা দেয়ার জন্য কোন উদ্যোগ নিলে বাঁধতে পারে বিরোধ। ফলে পুলিশ চোখে মালা আর কানে তুলো দিয়ে রেখেছে।
এ অবস্থা চলতে থাকলে ওই স্থান গুলোর আইন শৃংখরা পরিবেশ নষ্ঠ ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
