কক্সবার্তা ডেস্ক : প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার -ঘুনদুম রেল লাইন প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে। আগামী বছরের মার্চ মাস নাগাদ কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ সালাহ উদ্দিন।
গতকাল চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে নতুন রেল লাইন তৈরির প্রকল্প পরিদর্শনে এসে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা জানান।
সচিব বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রধান কাজ হলো ভূমি অধিগ্রহণ। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে কাজ করেছে। এই প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ শুরু করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি সরকার খুবই গুরুত্বের সাথে দেখভাল করছেন।
তিনি আরও বলেন, রেল লাইনের কিছু অংশ সংরক্ষিত বন বিভাগের ভেতর দিয়ে যাবে। যেখানে হাতি চলাচল করে। সংরক্ষিত বন এলাকায় হাতি চলাচলের পাঁচটি স্থায়ী এবং ছয়টি মৌসুমি স্থান রয়েছে। এ জায়গাগুলো আমরা চিহ্নিত করব। এখানে আন্ডার পাস বা ওভার পাস করে যাতে হাতি চলাচলের সমস্যা না হয় সে ব্যবস্থা করব। আমরা কিভাবে বন্যপ্রাণীর সঙ্গে সহাবস্থানের মাধ্যমে পরিবেশের সবচেয়ে কম ক্ষতি করে পরিবেশবান্ধব হিসেবে রেললাইন করতে পারি সে বিষয়ে আলোচনা করেছি।
সেজন্য আমরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের সাথে কথা বলছি। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা কাজ করবো।
দোহাজারী-ঘুনদুম প্রকল্পের পরিচালক মাহবুবুল হক বকশী জানান, এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এই প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়টি অর্থমন্ত্রাণালয়কে নিশ্চিত করেছে।
১২৮ কিলোমিটারের দোহাজারী-ঘুনদুম প্রকল্পের কাজ দুই ধাপে বাস্তবায়ন হবে। প্রথম ধাপে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ করা হবে। রামু থেকে গুনদুম পর্যন্ত করা হবে পরের ধাপে। প্রথম ধাপে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪২টা ব্রিজ, ৪২টা কালভার্ট এবং ৯টা স্টেশন নির্মাণ করা হবে।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। বর্তমানে দুটি বিষয়ে কাজ চলছে। তা হলো— মাঠপর্যায়ে ভূমি জরিপ ও অধিগ্রহণ এবং টেন্ডারিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আহমেদ মোর্শেদ, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোঃ মাসুদ করিম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মোঃ মফিজুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোমিনুর রশিদ আমিন, শঙ্কর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এসএম গোলাম মওলা, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) দৌলতুজ্জামান, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
cbm
গতকাল চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে নতুন রেল লাইন তৈরির প্রকল্প পরিদর্শনে এসে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা জানান।
সচিব বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রধান কাজ হলো ভূমি অধিগ্রহণ। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে কাজ করেছে। এই প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ শুরু করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি সরকার খুবই গুরুত্বের সাথে দেখভাল করছেন।
তিনি আরও বলেন, রেল লাইনের কিছু অংশ সংরক্ষিত বন বিভাগের ভেতর দিয়ে যাবে। যেখানে হাতি চলাচল করে। সংরক্ষিত বন এলাকায় হাতি চলাচলের পাঁচটি স্থায়ী এবং ছয়টি মৌসুমি স্থান রয়েছে। এ জায়গাগুলো আমরা চিহ্নিত করব। এখানে আন্ডার পাস বা ওভার পাস করে যাতে হাতি চলাচলের সমস্যা না হয় সে ব্যবস্থা করব। আমরা কিভাবে বন্যপ্রাণীর সঙ্গে সহাবস্থানের মাধ্যমে পরিবেশের সবচেয়ে কম ক্ষতি করে পরিবেশবান্ধব হিসেবে রেললাইন করতে পারি সে বিষয়ে আলোচনা করেছি।
সেজন্য আমরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের সাথে কথা বলছি। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা কাজ করবো।
দোহাজারী-ঘুনদুম প্রকল্পের পরিচালক মাহবুবুল হক বকশী জানান, এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এই প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়টি অর্থমন্ত্রাণালয়কে নিশ্চিত করেছে।
১২৮ কিলোমিটারের দোহাজারী-ঘুনদুম প্রকল্পের কাজ দুই ধাপে বাস্তবায়ন হবে। প্রথম ধাপে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ করা হবে। রামু থেকে গুনদুম পর্যন্ত করা হবে পরের ধাপে। প্রথম ধাপে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪২টা ব্রিজ, ৪২টা কালভার্ট এবং ৯টা স্টেশন নির্মাণ করা হবে।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। বর্তমানে দুটি বিষয়ে কাজ চলছে। তা হলো— মাঠপর্যায়ে ভূমি জরিপ ও অধিগ্রহণ এবং টেন্ডারিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আহমেদ মোর্শেদ, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোঃ মাসুদ করিম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মোঃ মফিজুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোমিনুর রশিদ আমিন, শঙ্কর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এসএম গোলাম মওলা, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) দৌলতুজ্জামান, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
cbm