দেশ বার্তা:
বেনাপোল কাস্টমস হাউজে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা ১০ ট্রাক মার্বেল ও গ্রানাইট স্লাবের একটি চালান আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা। আমদানিকৃত পণ্য চালানটির বিপরীতে ৫২ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় এক সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক এইচএম শরিফুল হাসান এ তথ্য জানান।
ঢাকা ও বেনাপোল কাস্টমসের শুল্ক গোয়েন্দা ও কাস্টমসের কর্মকর্তারা পণ্য চালানটি পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে স্লেট স্টোনের পরিবর্তে মার্বেল ও গ্রানাইট স্লাব পেয়েছেন বলে সম্মেলনে বলা হয়।
উপ-পরিচালক এইচএম শরিফুল হাসান জানান, সোমবার (৭ নভেম্বর) যশোরের হোটেল জাবির প্যারাডাইস লিমিটেড নামের এক আমদানিকারক ভারতীয় ৬টি ট্রাকে স্লেট স্টোন ঘোষণা দিয়ে ১৩০ টন মার্বেল ও গ্রানাইট স্টোন আমদানি করেন।পণ্য চালানটি ছাড় করানোর জন্য মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন বেনাপোলের বেঙ্গল এজেন্সি নামের একটি সিঅ্যাণ্ডএফ এজেন্ট। বিল অব এন্ট্রি নম্বর ৬৭০২০। তড়িঘড়ি করে পণ্য চালানটি কোনও কায়িক পরীক্ষা না করে মঙ্গলবার শুল্ককর বাবদ ১১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৮ টাকা রাজস্ব জমা দিয়ে ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশে ট্রাকে খালাস করা হচ্ছিল। এ সময় শুল্ক গোয়েন্দা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পণ্য চালানটি আটক করেন। মঙ্গলবার ও বুধবার অনেক দেনদরবার করেও পণ্য চালানটি খালাস নেওয়ার চেস্টা করে ব্যর্থ হয় প্রভাবশালী আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট। পরে বুধবার শুল্ক গোয়েন্দা ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পুনরায় পণ্যচালানটি কায়িক পরীক্ষা করে স্লেট স্টোনের পরিবর্তে ৯০ টন গ্রানাইট স্লাব ও ৪০ টন মার্বেল স্লাব পান। যার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা এবং সরকারি রাজস্ব প্রায় ৬৪ লাখ টাকা। কিন্তু ১১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৮ টাকা রাজস্ব পরিশোধ করে পণ্য চালানটি ছাড় করার চেষ্টা করছিল সিএন্ডএফ এজেন্টের লোকজন।
বৃহস্পতিবার এ ঘটনা তদন্ত করতে সিআইসি (সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স সেল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর ঢাকা ও খুলনা থেকে মোট ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি চালানটি নিয়ে তদন্ত করেছেন। ঢাকা সিআইসি (সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স সেল) যুগ্ম পরিচালক মিয়া মোঃ আবু ওবায়দার নেতৃত্বে এই কমিটি গঠন করা হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফরের সহকারী পরিচালক গোলাম রসুল বলেন,'শুল্ক আইনে কোনও পণ্য শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ প্রমানিত হলে পণ্যমূল্যের তিনগুন পরিমাণ অর্থদণ্ড হতে পারে। একই সঙ্গে পণ্য রাষ্ট্রের অনকুলে বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা ১০ ট্রাক মার্বেল ও গ্রানাইট স্লাবের একটি চালান আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা। আমদানিকৃত পণ্য চালানটির বিপরীতে ৫২ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় এক সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক এইচএম শরিফুল হাসান এ তথ্য জানান।
ঢাকা ও বেনাপোল কাস্টমসের শুল্ক গোয়েন্দা ও কাস্টমসের কর্মকর্তারা পণ্য চালানটি পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে স্লেট স্টোনের পরিবর্তে মার্বেল ও গ্রানাইট স্লাব পেয়েছেন বলে সম্মেলনে বলা হয়।
উপ-পরিচালক এইচএম শরিফুল হাসান জানান, সোমবার (৭ নভেম্বর) যশোরের হোটেল জাবির প্যারাডাইস লিমিটেড নামের এক আমদানিকারক ভারতীয় ৬টি ট্রাকে স্লেট স্টোন ঘোষণা দিয়ে ১৩০ টন মার্বেল ও গ্রানাইট স্টোন আমদানি করেন।পণ্য চালানটি ছাড় করানোর জন্য মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন বেনাপোলের বেঙ্গল এজেন্সি নামের একটি সিঅ্যাণ্ডএফ এজেন্ট। বিল অব এন্ট্রি নম্বর ৬৭০২০। তড়িঘড়ি করে পণ্য চালানটি কোনও কায়িক পরীক্ষা না করে মঙ্গলবার শুল্ককর বাবদ ১১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৮ টাকা রাজস্ব জমা দিয়ে ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশে ট্রাকে খালাস করা হচ্ছিল। এ সময় শুল্ক গোয়েন্দা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পণ্য চালানটি আটক করেন। মঙ্গলবার ও বুধবার অনেক দেনদরবার করেও পণ্য চালানটি খালাস নেওয়ার চেস্টা করে ব্যর্থ হয় প্রভাবশালী আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট। পরে বুধবার শুল্ক গোয়েন্দা ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পুনরায় পণ্যচালানটি কায়িক পরীক্ষা করে স্লেট স্টোনের পরিবর্তে ৯০ টন গ্রানাইট স্লাব ও ৪০ টন মার্বেল স্লাব পান। যার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা এবং সরকারি রাজস্ব প্রায় ৬৪ লাখ টাকা। কিন্তু ১১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৮ টাকা রাজস্ব পরিশোধ করে পণ্য চালানটি ছাড় করার চেষ্টা করছিল সিএন্ডএফ এজেন্টের লোকজন।
বৃহস্পতিবার এ ঘটনা তদন্ত করতে সিআইসি (সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স সেল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর ঢাকা ও খুলনা থেকে মোট ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি চালানটি নিয়ে তদন্ত করেছেন। ঢাকা সিআইসি (সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স সেল) যুগ্ম পরিচালক মিয়া মোঃ আবু ওবায়দার নেতৃত্বে এই কমিটি গঠন করা হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফরের সহকারী পরিচালক গোলাম রসুল বলেন,'শুল্ক আইনে কোনও পণ্য শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ প্রমানিত হলে পণ্যমূল্যের তিনগুন পরিমাণ অর্থদণ্ড হতে পারে। একই সঙ্গে পণ্য রাষ্ট্রের অনকুলে বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
