দেশ বার্তা:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।
অবরোধ চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সাংসদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের কুশপুত্তলিকা পোড়ান প্রতিবাদকারীরা। এ সময় তারা ছায়েদুল হককে দল ও মন্ত্রীর পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
একইসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসন ও মন্দিরে-বাড়িঘরে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে কর্মসূচি শেষে মিছিল নিয়ে শাহবাগ গিয়ে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। পরে শ্রী শ্রী রমনা কালীমন্দির ও শ্রীমা আনন্দময়ী আশ্রম পরিচালনা পরিষদ, জাগো হিন্দু বাংলাদেশ, স্বামী বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদসহ বিভিন্ন ব্যানারে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বিক্ষোভে অংশ নেয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রেখেছে তারা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্জুন কুমার দত্ত বলেন, 'নাসিরনগরের হামলা ছিল সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। এমন একটি হামলার পর দেশের একজন প্রতিনিধি (মন্ত্রী ছায়েদুল হক) কখনো এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করতে পারেন না। আমরা অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করছি। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য না আসা পর্যন্ত আমরা শাহবাগ ছাড়ব না।'
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করতে থাকে। এতে এই এলাকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।
ফেসবুকে ইসলাম ধর্মকে কটূক্তি করে একটি ছবি পোস্ট করার প্রেক্ষাপটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বেশ কয়েকটি মন্দির এবং দেড় শতাধিক বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। এ নিয়ে উত্তেজনাকর অবস্থার মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক সমাবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।
অবরোধ চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সাংসদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের কুশপুত্তলিকা পোড়ান প্রতিবাদকারীরা। এ সময় তারা ছায়েদুল হককে দল ও মন্ত্রীর পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
একইসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসন ও মন্দিরে-বাড়িঘরে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে কর্মসূচি শেষে মিছিল নিয়ে শাহবাগ গিয়ে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। পরে শ্রী শ্রী রমনা কালীমন্দির ও শ্রীমা আনন্দময়ী আশ্রম পরিচালনা পরিষদ, জাগো হিন্দু বাংলাদেশ, স্বামী বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদসহ বিভিন্ন ব্যানারে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বিক্ষোভে অংশ নেয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রেখেছে তারা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্জুন কুমার দত্ত বলেন, 'নাসিরনগরের হামলা ছিল সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। এমন একটি হামলার পর দেশের একজন প্রতিনিধি (মন্ত্রী ছায়েদুল হক) কখনো এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করতে পারেন না। আমরা অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করছি। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য না আসা পর্যন্ত আমরা শাহবাগ ছাড়ব না।'
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করতে থাকে। এতে এই এলাকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।
ফেসবুকে ইসলাম ধর্মকে কটূক্তি করে একটি ছবি পোস্ট করার প্রেক্ষাপটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বেশ কয়েকটি মন্দির এবং দেড় শতাধিক বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। এ নিয়ে উত্তেজনাকর অবস্থার মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক সমাবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
