উপকূলীয় প্রতিনিধি:
মহেশখালী উপজেলা চালিয়াতলী-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক সংস্কারের কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। এ সড়ক দিয়ে অসুস্থ রোগী ছাড়া ও ভাল মানুষ পর্যন্ত হাটাঁ যেন দায়। এক পাশ দিয়ে কোনো রকম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে লোকজন। সেখানেও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে একেবারে যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা হয়।
আসন্ন ঈদুল আযহার সময় দেশের বিভিন্ন এলাকায় কর্মস্থলে থাকা নাড়ির টানে বাড়ি ফেরের মানুষের দূর্ভোগ বাড়বে বলে সচেতন লোকজন জানান। বদরখালী থেকে মাতারবাড়ী পৌঁছতে দুইবার গাড়ী পাল্টাতে হয়। এই প্রতিদিনের চিত্র মহেশখালীর চালিয়াতলী-মাতারবাড়ি সংযোগ সড়কের। এ সড়কের আধা কিলোমিটার অংশ চার মাসের বেশি সময় হলেও সংস্কার হয়নি। ফলে ভাঙা সড়কে চলাচলে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মাতারবাড়ী ও ধলঘাট ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ। কোন মতে গাড়ী চলাচলের জন্য সড়কে বালি দিলে হয়ত মানুষের দুরর্দশার কোন মতে লাগব হত বলেও জানা গেছে। কিন্তু কেউ বালি ও মাটি দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসছেনা।
সিঙ্গাপুরের স্বপ্ন দেখানে মানুষ গুলো চাই যোগাযোগ ব্যবস্থার অমূল্য পরিবর্তন ও টেকসই সড়ক! কিন্তু হচ্ছেনা! অসংখ্যা খানাখন্দে ভরা চালিয়াতলী-মাতারবাড়ি সংযোগ সড়কে দীর্ঘদিন থেকে অনেকটা জোঁড়াতালি দিয়ে কোন রকম যানবাহন চলাচল করলেও গত ২১ মে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে সৃষ্ট জলোচ্ছ্রস সড়কটি ভেঙ্গে যায়। সড়কের চারটি অংশে বড় ধরনের ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় দূর্ভোগে পড়েছে মাতারবাড়ি ধলঘাটার মানুষ। এখনো জোয়ার ভাটা চলতে থাকায় ক্রমেই বাড়ছে ভাঙ্গনের পরিধি। ফের নতুন করে ভাঙল সড়কটি। মেরামতের ব্যবস্থা নিলে আগামীতে বাড়বে মাত্রাতিরিক্ত নির্মান ব্যয় এমনই জানান মাতারবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মাষ্টার মো. উল্লাহ বি,এ ও এমইউপি সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চার কিলোমিটার সড়কের এক কিলোমিটার সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় হেঁটে যেতে হচ্ছে। আবার এসব গর্তে পানি জমে কাঁদা মাটিকে রূপ নিয়েছে।সড়কটি চলাচলের উপযোগি করার জন্য পথচারী লোকজনলোকজন সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. আবুল কালাম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তেক্ষেপ কামনা করেছেন।