মিছবাহ উদ্দীন:::
কক্সবার্তা ডট কম।।
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও চান্দেঁরঘোণা উত্তর পাড়া ও নামারপাড়া সড়ক ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। প্রবল টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে প্লাবিত হয় এসব এলাকার নিমাঞ্চল। যার ফলে এসব এলাকায় বেড়েছে দূর্ভোগ। ইউনিয়নের চান্দেঁরঘোণা উত্তর পাড়া সড়ক ও পূর্বপড়া খালের উপর দিয়ে পারাপারের একমাত্র কাঠের ব্রীজটি বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জন ও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সরেজমিনের এসব এলাকা ঘুরে জানা যায়, ঢলের পানিতে চান্দেঁরঘোণা উত্তর পাড়া ও নামারপাড়া সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় চলাচল অযোগ্য হয়েছে। এতে করে চরম বেকায়দায় পড়েছে বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন। এলাকার পানিবন্দি লোকজন উনুন জ্বালাতে পারেনি কদিন ধরে। অনেক পরিবার অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। নিমাঞ্চল থেকে পানি নেমে গেলেও সাধারণ লোকজনের দূর্ভোগ দূর্গতি দিন দিন বেড়েছে। ইউনিয়নের পালপাড়া, ভোমরিয়া ঘোনা, মাইজ পাড়া, কালিরছড়া, মাছুয়াখালী, জাগির পাড়া, সাতঘড়িয়া পাড়া, মেহেরঘোনাসহ বিভিন্ন নিমাঞ্চল থেকে ঢলের পানি কমে গেছে। তবে পূর্ব পাড়া খালের কাঠের সাঁকোটি বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এলাকার শত শত মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত এই সাকোঁটি নির্মাণের জোর দাবী জানান ।
অপরদিকে উত্তরপাড়া মুস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি থেকে ভূলু মেম্বারে বাড়ি পর্যন্ত সড়কটিতে তিনটি স্থানে ও নামারপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়স্থ জায়গাই নদীর ভেড়ীবাদ ভেঙ্গে যাওয়ায় তলিয়ে গেছে স্থানীয় আমির হুসেনের অর্ধেক বাড়ী,জন ও যানচলাচল করতে না পারায় চরমদূর্দশা ও দূর্গতিতে দিন কাটাচ্ছে গ্রামের শত শত মানুষ ছাত্র/ছাত্রী ও রোগীসহ নারীরা। নামারপড়ার এ সড়কটি ছাত্র/ ছাত্রী ও কবরস্থানে চলাচলের জন্যই বেশিরভাগ ব্যবহার হয়ে থাকে। যদিওবা উত্তরপাড়ার ভাঙ্গায় অস্থায়ী গাছের সাঁকো তৈরি করেছে স্তানীয় যুবকেরা কিন্তু পূর্বপাড়া খালের পারাপারের তক্তার ব্রীজটি এখনো কেউ দেখতেও আসেনি।
ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম জানান, ইউনিয়নের প্রায় জাইগায় ঘুরে ঘুরে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করা হয়েছে। আশা করছি দ্রত কাজ শুরু হবে।
সরেজমিনের এসব এলাকা ঘুরে জানা যায়, ঢলের পানিতে চান্দেঁরঘোণা উত্তর পাড়া ও নামারপাড়া সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় চলাচল অযোগ্য হয়েছে। এতে করে চরম বেকায়দায় পড়েছে বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন। এলাকার পানিবন্দি লোকজন উনুন জ্বালাতে পারেনি কদিন ধরে। অনেক পরিবার অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। নিমাঞ্চল থেকে পানি নেমে গেলেও সাধারণ লোকজনের দূর্ভোগ দূর্গতি দিন দিন বেড়েছে। ইউনিয়নের পালপাড়া, ভোমরিয়া ঘোনা, মাইজ পাড়া, কালিরছড়া, মাছুয়াখালী, জাগির পাড়া, সাতঘড়িয়া পাড়া, মেহেরঘোনাসহ বিভিন্ন নিমাঞ্চল থেকে ঢলের পানি কমে গেছে। তবে পূর্ব পাড়া খালের কাঠের সাঁকোটি বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এলাকার শত শত মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত এই সাকোঁটি নির্মাণের জোর দাবী জানান ।
অপরদিকে উত্তরপাড়া মুস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি থেকে ভূলু মেম্বারে বাড়ি পর্যন্ত সড়কটিতে তিনটি স্থানে ও নামারপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়স্থ জায়গাই নদীর ভেড়ীবাদ ভেঙ্গে যাওয়ায় তলিয়ে গেছে স্থানীয় আমির হুসেনের অর্ধেক বাড়ী,জন ও যানচলাচল করতে না পারায় চরমদূর্দশা ও দূর্গতিতে দিন কাটাচ্ছে গ্রামের শত শত মানুষ ছাত্র/ছাত্রী ও রোগীসহ নারীরা। নামারপড়ার এ সড়কটি ছাত্র/ ছাত্রী ও কবরস্থানে চলাচলের জন্যই বেশিরভাগ ব্যবহার হয়ে থাকে। যদিওবা উত্তরপাড়ার ভাঙ্গায় অস্থায়ী গাছের সাঁকো তৈরি করেছে স্তানীয় যুবকেরা কিন্তু পূর্বপাড়া খালের পারাপারের তক্তার ব্রীজটি এখনো কেউ দেখতেও আসেনি।
ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম জানান, ইউনিয়নের প্রায় জাইগায় ঘুরে ঘুরে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করা হয়েছে। আশা করছি দ্রত কাজ শুরু হবে।
