অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর বাড্ডা ও ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ১১ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে পৃথক দু’টি মামলার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১১ জুন) ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলামের আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তপূর্বক আগামী ০৭ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
বাড্ডার মামলাটি দায়ের করেন নুরুন নাহার নাছিমা বেগম। এ মামলার আসামি ওসিসহ ৮ জন। তারা হলেন- বাড্ডা থানার ওসি এম এ জলিল, এসআই শহীদ, এএসআই দ্বীন ইসলাম, এএসআই মো. আব্দুর রহিম, অ্যাডভোকেট জাহানারা রশিদ রূপা, রোকেয়া রশিদ, আতাউর রহমান কাইচার ও মো. শুক্কুর আলী।
অন্যদিকে ভাটারা থানার মামলার বাদী মমতাজ উদ্দিন খান। ওই মামলার আসামি ওসিসহ ৩ জন। তারা হলেন- ভাটারা থানার ওসি নুরুল মোত্তাকিন, এসআই বাবুল হোসেন ও এএসআই মারুফ।
বাড্ডা থানার মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার বাদী নুরুন নাহার নাছিমার সঙ্গে মামলার পাঁচ নম্বর আসামি জাহানারা রশিদের (বাদিনীর সতীনের মেয়ে) জমি-জমা নিয়ে মামলা চলে আসছিল।
সেই সূত্র ধরে গত ২৬ মে ওসি এম এ জলিলের আদেশে এএসআই আব্দুর রহিম বাদিনীর ভাড়াটিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে বাসার চাবি নিয়ে যান। বাদিনী চাবি ফেরত চাইতে থানায় গেলে আব্দুর রহিম ওসি এম এ জলিলের জন্য দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। না দেওয়ায় শনিবার (১০ জুন) আসামিরা জোর করে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ও বাদীর বাসার আসবাবপত্র তছনছ করেন। তারা ২০ হাজার টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণ এবং আসামি জাহানারা রশিদ বাদিনীর জমি-জমার কাগজপত্র নিয়ে যান।
ভাটারা থানার মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ০৬ জুন আসামিরা পরস্পরের যোগসাজসে ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে অজ্ঞাত ১০/১২ জন সিভিল পোশাকধারী পুলিশ সদস্য নিয়ে তার ভাটারা থানা এলাকার নূরের চালার বাসায় অতর্কিতে উপস্থিত হয়ে গেটের দরজা ভেঙে প্রবেশ করেন। তারা তার ভাতিজা জহির ও রহমত উল্লাহসহ তিনবার হজ করে আসা বয়স্ক লোককে বন্দুক ও পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। পরে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণ ও তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান।nb
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: ওসি সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
Rating: 5
Reviewed By: Unknown