কক্সবাজার প্রতিনিধি :
সকালে বিমানের বোয়িং উড়োজাহাজ মেঘদূত এ কক্সবাজার নামার পর ইনানী সৈকতে যান প্রধানমন্ত্রী। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধনের পর সৈকতে কিছু সময় হাঁটাহাঁটিও করেন প্রধানমন্ত্রী। সাগরের পানিতে নেমে পা ভেজান তিনি।
মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সমুদ্র সৈকতকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, এত সুন্দর সমুদ্রসৈকত সব সময় অবহেলিত ছিল। কক্সবাজারে এটাকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে গড়ে তোলা আমাদের কর্তব্য।
অতীত স্মৃতি তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কক্সবাজারে প্রথম বেড়াতে আসার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে কক্সবাজারের উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপের কথাও বলেন।
নির্দিষ্ট সময়ের আগে কাজ শেষ হওয়ায় সেনাবাহিনী এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
ইনানী সৈকতের এই অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, সড়ক বিভাগের সচিব এম এন সিদ্দিক বক্তব্য রাখেন।
নির্দিষ্ট সময়ের আগে কাজ শেষ হওয়ায় সেনাবাহিনী এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
ইনানী সৈকতের এই অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, সড়ক বিভাগের সচিব এম এন সিদ্দিক বক্তব্য রাখেন।
কক্সবাজারের সম্প্রসারিত রানওয়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'সুপরিসর বড় বিমানের প্রতি সপ্তাহে একটা করে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।
এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিমানবাহিনীসহ সবাই এর সুবিধা পাবে।
kk
এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিমানবাহিনীসহ সবাই এর সুবিধা পাবে।
kk