• Latest News

    উপকূলীয় ডজন মামলার আসামী হারুন ধরাছোঁয়ার বাইরে


    উপকূলীয় প্রতিনিধি :
    কক্সবাজারের কুতুবদিয়া মাতারবাড়ী চ্যানেলের অদূরে বঙ্গোপসাগরে গত রবিবার কোস্ট গার্ড অভিযান চালিয়ে ১৩ জলদস্যুকে আটক করলেও মূল হোতা ডজন মামলার পলাতক আসামী জলদস্যু সর্দার হারুণ ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে লুট হওয়া ট্রলারসহ অপহৃত ৭ মাঝি মাল্লা ও ডাকাতের ব্যবহৃত বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। মূল হোতা হারুন রশিদ চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নের তোতকখালী বলি বাজার গ্রামের মোস্তাক আহমদের ছেলে। তার নেতৃত্বেই রবিবার সাগরে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে এবং অস্ত্র, গুলি ও ব্যবহৃত বোটের যোগান দাতা ছিল হারুন রশিদ। তিনি জড়িত থাকার বিষয়টি প্রশাসনের একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। কিন্তু বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে জলদস্যুদের গডফাদার হারুন রশিদ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ডজনখানে মামলা রয়েছে। ডাকাতি ছাড়াও একাধিকবার জেল ফেরত এ হারুন এলাকায় ভূমি দখল, স্বর্ণ ব্যবসা ও মানবপাচারসহ নানা ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। কোস্ট গার্ডের হাতে ডাকাতদল আহত হওয়ার পর থেকে হারুন রশিদ আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তার লোকজন এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে এবং সাগরে আরো বোট ডাকাতির পরিকল্পনা নিচ্ছে বলেও সূত্রে প্রকাশ। কোস্ট গার্ডের হাতে আটক ১৩ ডাকাতের মধ্যে ৯জনই হচ্ছে হারুনের সহযোগী। তার নেতৃত্বে বাঁশখালী কুতুব দিয়া ও মহেশখালীর সোনাদিয়া উপকূলে ডাকাতদলের বিশাল একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এ সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রতিনিয়ত ডাকাতি করে যাচ্ছে বলে জেলেদের সূত্রে জানা গেছে। সিন্ডিকেটের প্রধান হারুন রশিদের বিরুদ্ধে বাঁশখালী কুতুবদিয়া মহেশখালী চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন থানায় ডজনখানে মামলা রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, হারুন রশিদের মূল আয়ের উৎস হচ্ছে ডাকাতি। এছাড়া মাদক ব্যবসা, অবৈধ স্বর্ণ ব্যবসা, ভূমি দখল ও মানবপাচারসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। কক্সবাজার থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, আটককৃত ১৩ ডাকাতের মধ্যে ৯জনই হচ্ছে বাঁশখালীর বাসিন্দা। আটককৃতদের স্বীকারোক্তিতে তাদের গডফাদারের নামও পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাঁশখালী থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, ডাকাতির ঘটনা তিনি শোনেছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। এছাড়া তার বিরুদ্ধে জি.আর ৩৪/১১, বাঁশখালী থানার মামলা নং ৮(২)/১১ তাং ৫/২/১১, সি.আর ২৫/১১ (বন), জি.আর ১৭৩/১৩ মিচ মামলা ৬২/১৩, জি.আর ১৬/১৩, কুতুবদিয়া থানার মামলা নং ৩৬(৩)/১৩, মহেশখালী থানার জিডি নং ৩৭/১৩, চট্টগ্রাম নারী কোর্ট মামলা নং ৩৬৯/১১ (বাদী আমেনা বেগম), চট্টগ্রাম নারী ও শিশু কোর্ট মামলা নং ১২২১/১২ (বাদী লুৎফুন্নিছাসহ) ডজন খানেক মামলা রয়েছে এ জলদস্যু হারুনের বিরুদ্ধে। আরো জানা-অজানা বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ও জিডি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের দাবী। সুষ্ঠু তদন্ত করলেই তার পুরো রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল।ne

    • Blogger Comments
    • Facebook Comments
    Item Reviewed: উপকূলীয় ডজন মামলার আসামী হারুন ধরাছোঁয়ার বাইরে Rating: 5 Reviewed By: Unknown
    উপরে যান