তামিরুল ইসলাম মিল্লাত:
স্টাফ রিপোর্টার।।
ফ্রান্সেই জিতেছিলেন প্রথম ব্যালন ডি'অরটি ।
এরপর শুরু মেসি অধ্যায় । যে অধ্যায়ে মেসি শ্রেষ্ঠত্ব তাকে মেনে নিতে হয়েছিল অনিচ্ছাসত্ত্বেও ।
টানা চারবার মেসিকে আলিঙ্গন করে ট্রফিটিও বোধহয় আশা ছেড়ে দিয়েছিল তার হাতে ওঠার । স্বপ্নের জমিতে হয়ত লাঙ্গল কোপেও ক্ষান্ত দিয়েছিল ভক্তকূল।
তবে দমেননি পরিশ্রমের রাজপুত্রটি ।
মনোবল, অধ্যাবসায় আর পরিশ্রমে ব্যালন শ্রেষ্ঠত্বের কক্ষপথে ফিরেছিলেন । টানা দুইবার শ্রেষ্ঠত্বের পর সেটি খোঁয়া গিয়েছিল আবারো । তবে সেটিতে যেন আরও তীব্র নারাজ হলেন পর্তুগীজ তারকাটি ।
নারাজিতে চাঁপলো তীব্র জেঁদ । আর এ জেঁদেই খেললেন ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম।
ইউরোপীয়ান অভিজাত ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বে তার দল জিতলো রেকর্ড ১১তম শিরোপা।
দুই ক্লাব মিলিয়ে তার নামের পাশে শিরোপাটি সংখ্যায় তিন ।
হলেন আয়োজনের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা ।
এরপর তো সেই জিইয়ে রাখা স্বপ্নের বাস্তবায়ন ।
গৃহীত এক যুগ আগে শেষের ব্যর্থতায় সৃষ্টিকর্তার কাছে আরেকটি সুযোগের আবেদন ।
নিজ দেশের হয়ে জিতলেন শিরোপা ।
ক্লাব ফুটবলের পর জাতিগত ফুটবল যুদ্ধেও ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের সুগন্ধি মাখলেন গড়াপেটা শরীরে ।
এরপর তার ক্লাবের উয়েফা সুপার কাপ বিজয় ও তার ইউরোপ শ্রেষ্ঠ খেলোয়ারের মুকুট ।
পুরষ্কারের শিরোমণি ব্যালন ডি'অর তখনও যেন মেসির কোল থেকে উঁকি দিচ্ছিলো ।
সে উঁকিতে আকুলতা ছিলো নাকি ছিল নানা ফেরার মলিনতা- তা দেখার সময় কই মাদ্রিদ প্রাণ ভোমড়ার ?
মৌসুমে এতসব অর্জনে জুলিয়াস সিজারের রোম জয়ের মতই ব্যালন বিজয়ে সহজ সুন্দর সাবলীল ছিলেন ।
তাইতো আগে থেকেই এক ফটোসেশনে ব্যালন হাতে চার আঙ্গুল দেখিয়ে জানান দিয়েছিলেন- শ্রেষ্ঠত্ব এবার আমার কোলেই ফিরবে ।
ফিরেছে বৈকি !
সুইজারল্যাণ্ডে খোঁয়ানো সেই শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার ফ্রান্সে । আর তার সুবাতাস তাকে পেতে হলো সুদুর জাপানে ।
"কোন কম্পনে দমনীয় নই আমি, নই আমি শ্রেষ্ঠত্ব চাহিদায় নমনীয়"-
ভূমকম্পনের দেশে বসে যেন আরেকবার বিশ্বকে এই বার্তাই দিলেন পরিশ্রমের মহানায়ক ।
শেষ চার বছরের তিনটিতেই বাজিমাত তার ।
বুড়িয়ে যাওয়া কিংবা ফুরিয়ে যাওয়ার রব জবাবে যিনি প্রতিবাদী এক ঘোড় সওয়ার।
তিনি ব্র্যাণ্ড নিউ ব্যালন বিজয়ী রোনালদো !
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দস সান্তোস এ্যাভেইরো !
এরপর শুরু মেসি অধ্যায় । যে অধ্যায়ে মেসি শ্রেষ্ঠত্ব তাকে মেনে নিতে হয়েছিল অনিচ্ছাসত্ত্বেও ।
টানা চারবার মেসিকে আলিঙ্গন করে ট্রফিটিও বোধহয় আশা ছেড়ে দিয়েছিল তার হাতে ওঠার । স্বপ্নের জমিতে হয়ত লাঙ্গল কোপেও ক্ষান্ত দিয়েছিল ভক্তকূল।
তবে দমেননি পরিশ্রমের রাজপুত্রটি ।
মনোবল, অধ্যাবসায় আর পরিশ্রমে ব্যালন শ্রেষ্ঠত্বের কক্ষপথে ফিরেছিলেন । টানা দুইবার শ্রেষ্ঠত্বের পর সেটি খোঁয়া গিয়েছিল আবারো । তবে সেটিতে যেন আরও তীব্র নারাজ হলেন পর্তুগীজ তারকাটি ।
নারাজিতে চাঁপলো তীব্র জেঁদ । আর এ জেঁদেই খেললেন ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম।
ইউরোপীয়ান অভিজাত ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বে তার দল জিতলো রেকর্ড ১১তম শিরোপা।
দুই ক্লাব মিলিয়ে তার নামের পাশে শিরোপাটি সংখ্যায় তিন ।
হলেন আয়োজনের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা ।
এরপর তো সেই জিইয়ে রাখা স্বপ্নের বাস্তবায়ন ।
গৃহীত এক যুগ আগে শেষের ব্যর্থতায় সৃষ্টিকর্তার কাছে আরেকটি সুযোগের আবেদন ।
নিজ দেশের হয়ে জিতলেন শিরোপা ।
ক্লাব ফুটবলের পর জাতিগত ফুটবল যুদ্ধেও ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের সুগন্ধি মাখলেন গড়াপেটা শরীরে ।
এরপর তার ক্লাবের উয়েফা সুপার কাপ বিজয় ও তার ইউরোপ শ্রেষ্ঠ খেলোয়ারের মুকুট ।
পুরষ্কারের শিরোমণি ব্যালন ডি'অর তখনও যেন মেসির কোল থেকে উঁকি দিচ্ছিলো ।
সে উঁকিতে আকুলতা ছিলো নাকি ছিল নানা ফেরার মলিনতা- তা দেখার সময় কই মাদ্রিদ প্রাণ ভোমড়ার ?
মৌসুমে এতসব অর্জনে জুলিয়াস সিজারের রোম জয়ের মতই ব্যালন বিজয়ে সহজ সুন্দর সাবলীল ছিলেন ।
তাইতো আগে থেকেই এক ফটোসেশনে ব্যালন হাতে চার আঙ্গুল দেখিয়ে জানান দিয়েছিলেন- শ্রেষ্ঠত্ব এবার আমার কোলেই ফিরবে ।
ফিরেছে বৈকি !
সুইজারল্যাণ্ডে খোঁয়ানো সেই শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার ফ্রান্সে । আর তার সুবাতাস তাকে পেতে হলো সুদুর জাপানে ।
"কোন কম্পনে দমনীয় নই আমি, নই আমি শ্রেষ্ঠত্ব চাহিদায় নমনীয়"-
ভূমকম্পনের দেশে বসে যেন আরেকবার বিশ্বকে এই বার্তাই দিলেন পরিশ্রমের মহানায়ক ।
শেষ চার বছরের তিনটিতেই বাজিমাত তার ।
বুড়িয়ে যাওয়া কিংবা ফুরিয়ে যাওয়ার রব জবাবে যিনি প্রতিবাদী এক ঘোড় সওয়ার।
তিনি ব্র্যাণ্ড নিউ ব্যালন বিজয়ী রোনালদো !
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দস সান্তোস এ্যাভেইরো !
