কায়ছার হামিদ:
উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের সন্ত্রাসের জনপদ আঞ্জুমান পাড়া গ্রামে ওয়াকফ এস্টেটের জায়গা জবরদখল ও পাকাধান লুটপাট করতে গিয়ে কয়েক শত রাউন্ড গুলিবর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে মহিলা সহ ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাশ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এসে আহদের উদ্ধার করে উখিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি সদস্য ও পুলিশ সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র সহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল খায়ের ও তদন্ত ওসি কায় কিসলু বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ও বিজিবি'র অতিরিক্ত সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে। গতকাল (১২ ডিসেম্বর) সোমবার বিকেলে ৫টায় দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে। সন্ধার পর থেকে পালংখালী আঞ্জুমান পাড়া এলাকায় টানটান উত্তেজনা ও থমথম অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রামবাসীরা বলেন, পালংখালী ইউনিয়নের মরহুম মৌলভী আব্দুল লতিফ আনোয়ার চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেটের জমি ও চিংড়িঘের দখল নিয়ে দু'গ্র"পের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। বিশেষ করে উক্ত ওয়াকফ এস্টেটের মতোয়াল্লি দাবী নিয়ে লতিফ আনোয়ার চৌধুরী প্রকাশ খোকা মিয়া ও সোহেল মোস্তফা চৌধুরী প্রকাশ সোহেল মিয়া মধ্যে তীব্র দ্বন্দ চলে আসলেও সাধারণ গ্রামবাসী, প্রজা ও চাষীদের সমর্থনে খোকা মিয়া এস্টেটের দেখভাল ও পরিচালনা করে আসছে। কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন জুয়েল বলেন, গতকাল বিকেলে সোহেল মোস্তাফা চৌধুরীর নেতৃত্বে শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অর্তকিত অবস্থায় আঞ্জুমান পাড়া ওয়াকফ এস্টেটে ঢুকে ব্যাপক গুলি বর্ষন করে ও লুটপাট চালায়। ভাড়াটিয়া ও চিহিৃত অস্ত্রধারীরা মুহু মুহু গুলি বর্ষন করে এলাকা রনক্ষেত্র পরিণত করে। সন্ত্রাসীদের তান্ডব ও গুলির শব্দে নিরহ জনগণ এলাকা ছেড়ে পালাতে থাকে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল খায়ের ও তদন্ত ওসি কায় কিসলু বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ও বিজিবি'র অতিরিক্ত সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে। গতকাল (১২ ডিসেম্বর) সোমবার বিকেলে ৫টায় দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে। সন্ধার পর থেকে পালংখালী আঞ্জুমান পাড়া এলাকায় টানটান উত্তেজনা ও থমথম অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রামবাসীরা বলেন, পালংখালী ইউনিয়নের মরহুম মৌলভী আব্দুল লতিফ আনোয়ার চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেটের জমি ও চিংড়িঘের দখল নিয়ে দু'গ্র"পের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। বিশেষ করে উক্ত ওয়াকফ এস্টেটের মতোয়াল্লি দাবী নিয়ে লতিফ আনোয়ার চৌধুরী প্রকাশ খোকা মিয়া ও সোহেল মোস্তফা চৌধুরী প্রকাশ সোহেল মিয়া মধ্যে তীব্র দ্বন্দ চলে আসলেও সাধারণ গ্রামবাসী, প্রজা ও চাষীদের সমর্থনে খোকা মিয়া এস্টেটের দেখভাল ও পরিচালনা করে আসছে। কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন জুয়েল বলেন, গতকাল বিকেলে সোহেল মোস্তাফা চৌধুরীর নেতৃত্বে শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অর্তকিত অবস্থায় আঞ্জুমান পাড়া ওয়াকফ এস্টেটে ঢুকে ব্যাপক গুলি বর্ষন করে ও লুটপাট চালায়। ভাড়াটিয়া ও চিহিৃত অস্ত্রধারীরা মুহু মুহু গুলি বর্ষন করে এলাকা রনক্ষেত্র পরিণত করে। সন্ত্রাসীদের তান্ডব ও গুলির শব্দে নিরহ জনগণ এলাকা ছেড়ে পালাতে থাকে।
