হাফেজ মোঃ কাসেম:
মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপি টেকনাফের পৌরসভা এলাকার জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফনদী থেকে আবারও বাংলাদেশী ৬ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ১২ ডিসেম্বর সোমবার বিকালে দুই নৌকাসহ তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। অপহৃত জেলেরা হলেন মো. হোসেন (৩০), আবদুর করিম (২৮), আক্তার ফারুক (১৬), সাদেক হোসেন (১৮), মো. ফারুক (৩৭) ও মো. সাদেক (১৭)। তাদের বাড়ি টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরী পাড়া এলাকায়। স্থানীয়রা জানান প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকালে নৌকা নিয়ে একই এলাকার আট জেলে নাফ নদীতে মাছ শিকার করছিলেন। এক পর্যায়ে বিজিপির টহল দল নৌকাসহ তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। এসময় নৌকা থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরিয়ে স্থানীয় এক জেলের সহযোগিতায় দুই জেলে কূলে ফিরে আসেন। তারা হলেন আবদুল আমিন (২০) ও নুর মোহাম্মদ (২৫)।
পালিয়ে আসা জেলে আবদুল আমিন ও নুর মোহাম্মদ জানান সোমবার সকালে নাফ নদীতে দুটি নৌকা করে আটজন জেলে মাছ ধরতে যান। বিকালে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের দিকে অস্ত্র উঁচিয়ে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে তাদের মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার সময় নৌকা থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন তারা। ডুব দিয়ে ও সাঁতরিয়ে পালিয়ে আসার সময় নাফ নদীতে মাছ শিকার করা অবস্থায় অপর জেলে আবদুল আজিজ তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। অপহৃত ৬ জন জেলে মিয়ানমার বিজিপির কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের পরিবার।
নৌকার মালিক মো. ইব্ররাহীম জানান তার নৌকা নিয়ে জেলেরা বাংলাদেশ জলসীমানায় মাছ শিকারের যান। এসময় বিজিপির সদস্যরা নৌকাসহ আট জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এর মধ্যে দুই জেলে পালিয়ে কূলে ফিরে আসেন।
টেকনাফ ২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী জানান বিষয়টি শুনেছি, ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিজিপির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত অপহৃত জেলে পরিবারের পক্ষে থেকে কিছুই অবহিত করা হয়নি। তিনি আরও জানান নাফনদীতে বেহুন্দী জাল (স্থানীয় ভাষায় বিঙ্গী জাল) নিয়ে মাছ শিকার করতে সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করার সত্ত্বেও জেলেরা মিয়ানারের জলসীমানায় গিয়ে মাছ শিকার করছে। তাই বারবার এ ধরণের ঘটনা ঘটছে।
উল্লেখ্য, এর আগে নাফনদী থেকে আরও ১৪ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল মিয়ানমারের বিজিপি। তাদের এখনও ফেরত দেয়নি।
পালিয়ে আসা জেলে আবদুল আমিন ও নুর মোহাম্মদ জানান সোমবার সকালে নাফ নদীতে দুটি নৌকা করে আটজন জেলে মাছ ধরতে যান। বিকালে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের দিকে অস্ত্র উঁচিয়ে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে তাদের মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার সময় নৌকা থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন তারা। ডুব দিয়ে ও সাঁতরিয়ে পালিয়ে আসার সময় নাফ নদীতে মাছ শিকার করা অবস্থায় অপর জেলে আবদুল আজিজ তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। অপহৃত ৬ জন জেলে মিয়ানমার বিজিপির কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের পরিবার।
নৌকার মালিক মো. ইব্ররাহীম জানান তার নৌকা নিয়ে জেলেরা বাংলাদেশ জলসীমানায় মাছ শিকারের যান। এসময় বিজিপির সদস্যরা নৌকাসহ আট জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এর মধ্যে দুই জেলে পালিয়ে কূলে ফিরে আসেন।
টেকনাফ ২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী জানান বিষয়টি শুনেছি, ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিজিপির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত অপহৃত জেলে পরিবারের পক্ষে থেকে কিছুই অবহিত করা হয়নি। তিনি আরও জানান নাফনদীতে বেহুন্দী জাল (স্থানীয় ভাষায় বিঙ্গী জাল) নিয়ে মাছ শিকার করতে সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করার সত্ত্বেও জেলেরা মিয়ানারের জলসীমানায় গিয়ে মাছ শিকার করছে। তাই বারবার এ ধরণের ঘটনা ঘটছে।
উল্লেখ্য, এর আগে নাফনদী থেকে আরও ১৪ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল মিয়ানমারের বিজিপি। তাদের এখনও ফেরত দেয়নি।
