কক্সবার্তা ডেস্ক:
মহেশখালী বড় মহেশখালী ইউনিয়নের মগরিয়া কাটা আমতলী এলাকায় গভীর রাতে বাহিরের দিক থেকে দরোজায় তালা লাগিয়ে আটকিয়ে পেট্রোল ঢেলে একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার ভোর রাত ২ টার দিকে এই অগ্নিকান্ড ঘটানোর পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় উল্লেখ করে বাড়ির মালিক মোহাম্মদ হোসেন থানায় লিখিত ভাবে সংবাদ দিয়েছে।
স্থানীয় সুত্রের দাবী বড় মহেশখালী মগরিয়াকাটা গ্রামের মৃত আব্দুল করিম এর ৪ ছেলে ও ৪ মেয়েদের মধ্যে বাড়ী ভিটা সংক্রান্ত বিরোধ চওেল আসছিল। এনিয়ে গত ৩ থেকে ৪মাস পূর্বে বাড়ীর মালিক মোহাম্মদ হোসেনকে একটি অস্ত্র দিয়ে পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করছিল তার ছোট ভাই কবির আহাম্মদ।
এতে তার মিশন ব্যার্থ হওয়ার কারনে সৈনিকে চাকুরী করা ভাই কবির ও অপর ভাই ও এক বোনের যোগসাজসে আপন ভাই মোহাম্মদ হোসেনের বাড়ীতে পেট্রোল দিয়ে আগুন দেয় বলে জানান। বাড়ীতে আগুন দিয়ে উঠানে টোক পেরেক ছিটিয়ে দেয়।
ঘুমন্ত অবস্থায় শরীরে আগুনের চেক পড়লে বাড়ীর ভিতরে থাকা ২ শিশু , ২ মেয় ও ২ যুবক সহ ৬ জন বাহির হতে না পারায় পার্শ্ববর্তী লোকজনের সহায়তায় জীবন বাচে। মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ ধীমান বড়ুয়া জানান রাত ৩ টার পরে তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট পৌঁছার আগেই বাড়িটি প্রায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় অন্তত ৫ লাখ টাকার ক্ষক্ষতি হয়। এদিকে থানায় দেয়া লিখিত সংবাদে বাড়ির মালিক জানান তার ভাইদের সাথে বিরোধের জের ধরে এই কাণ্ড ঘটানো হয়। পরিকল্পিত ভাবে বাহির থেকে দরোজা আটকিয়ে ও বাড়ির আশপাশে তাদের উদ্ধার করতে লোকজন আসতে না পরার জন্য কাচ ভাঙ্গা ও পেরেক ছিটানো হয়। আগুন ধরে গেলে লোকজন কুড়াল দিয়ে দরোজা ভেঙ্গে তাদের উদ্ধার করে বলেও লিখিত সংবাদে প্রকাশ করা হয়।
মহেশখালী থানার ওসি বাবুল চন্দ্র বনিক বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলে জানান। বাড়ীর আগুন নিবাতে আসা মোহাম্মদ হোসন, রোমেনা আকতার, ছৈয়দ মিয়া, ছমুদা বেগম, হোছন আহাম্দ , ছালামত উল্লাহ, এমরান, গফুর, মোজাম্মেল, টিপু সহ অনেকে পায়ে ফেরেক ডুকে আহত হয়।
শনিবার ভোর রাত ২ টার দিকে এই অগ্নিকান্ড ঘটানোর পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় উল্লেখ করে বাড়ির মালিক মোহাম্মদ হোসেন থানায় লিখিত ভাবে সংবাদ দিয়েছে।
স্থানীয় সুত্রের দাবী বড় মহেশখালী মগরিয়াকাটা গ্রামের মৃত আব্দুল করিম এর ৪ ছেলে ও ৪ মেয়েদের মধ্যে বাড়ী ভিটা সংক্রান্ত বিরোধ চওেল আসছিল। এনিয়ে গত ৩ থেকে ৪মাস পূর্বে বাড়ীর মালিক মোহাম্মদ হোসেনকে একটি অস্ত্র দিয়ে পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করছিল তার ছোট ভাই কবির আহাম্মদ।
এতে তার মিশন ব্যার্থ হওয়ার কারনে সৈনিকে চাকুরী করা ভাই কবির ও অপর ভাই ও এক বোনের যোগসাজসে আপন ভাই মোহাম্মদ হোসেনের বাড়ীতে পেট্রোল দিয়ে আগুন দেয় বলে জানান। বাড়ীতে আগুন দিয়ে উঠানে টোক পেরেক ছিটিয়ে দেয়।
ঘুমন্ত অবস্থায় শরীরে আগুনের চেক পড়লে বাড়ীর ভিতরে থাকা ২ শিশু , ২ মেয় ও ২ যুবক সহ ৬ জন বাহির হতে না পারায় পার্শ্ববর্তী লোকজনের সহায়তায় জীবন বাচে। মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ ধীমান বড়ুয়া জানান রাত ৩ টার পরে তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট পৌঁছার আগেই বাড়িটি প্রায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় অন্তত ৫ লাখ টাকার ক্ষক্ষতি হয়। এদিকে থানায় দেয়া লিখিত সংবাদে বাড়ির মালিক জানান তার ভাইদের সাথে বিরোধের জের ধরে এই কাণ্ড ঘটানো হয়। পরিকল্পিত ভাবে বাহির থেকে দরোজা আটকিয়ে ও বাড়ির আশপাশে তাদের উদ্ধার করতে লোকজন আসতে না পরার জন্য কাচ ভাঙ্গা ও পেরেক ছিটানো হয়। আগুন ধরে গেলে লোকজন কুড়াল দিয়ে দরোজা ভেঙ্গে তাদের উদ্ধার করে বলেও লিখিত সংবাদে প্রকাশ করা হয়।
মহেশখালী থানার ওসি বাবুল চন্দ্র বনিক বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলে জানান। বাড়ীর আগুন নিবাতে আসা মোহাম্মদ হোসন, রোমেনা আকতার, ছৈয়দ মিয়া, ছমুদা বেগম, হোছন আহাম্দ , ছালামত উল্লাহ, এমরান, গফুর, মোজাম্মেল, টিপু সহ অনেকে পায়ে ফেরেক ডুকে আহত হয়।
