দেশ বার্তা:
যশোরে তরিকুল ইসলাম নামে 'এক কোটিপতি ব্যবসায়ী' ১০ টাকার চালের কার্ড বরাদ্দ পেয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তরিকুল ইসলাম যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলকর রোহিতা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, আক্কাস আলীর ছেলে তরিকুলের (৩৮) একটি ইটভাটা আছে। রোহিতা ইউনিয়নের সারের বড় ডিলারদের একজন তিনি। আছে ৩-৪টি মাছের ঘেরও। চড়েন দামি মোটরবাইকে।এই মানুষটির কাছে রয়েছে গরিবের জন্য বরাদ্দকৃত দশ টাকার চালের কার্ড। তিনি দু'দফায় ৬০কেজি চাল উত্তোলন করেছেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
তরিকুল কিভাবে চালের কার্ড পেলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ওই ওয়ার্ডের মেম্বর মহিতুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'তাকে চালের কার্ড আমি দিইনি। দিয়েছেন মকবুল।'
মকবুল স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা। জানতে চাইলে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, 'আমাদের দল করেন, সেই সূত্রে তরিকুল কার্ড পেয়েছেন।'
স্থানীয়রা জানান, তরিকুল ইসলামের নাম রয়েছে কম টাকার চালের প্রাপ্যতালিকার ৭৫ নম্বরে। ব্যবসা করার আগে বছর দশেক তিনি প্রবাসে ছিলেন। তার নামে চালের কার্ড হওয়ায় হতবাক এলাকাবাসী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, এই চাল তরিকুল খাবেন না, খাওয়াবেন তার ঘেরের মাছকে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বুধবার দুপুরে তিনি বিষয়টি শুনেছেন। ওই সময় পরিষদে উপস্থিত নেতাকর্মীদের বেশ বকাঝকাও করলেন। বললেন, 'কিভাবে তরিকুলের নামে কার্ড হয় এটা আমার মাথায় আসে না!'
আনছার আলী চেয়ারম্যান বলেন, 'তরিকুল চালের কার্ড পাবে— এর প্রশ্নই ওঠে না। তাছাড়া আমি নিজে তো এই তালিকা করিনি। ওরাই করেছে।'
বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের মিটিং-এ তরিকুলের নাম বাদ দেওয়ার আশ্বাস জানান এ চেয়ারম্যান।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার তরিকুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'বিভিন্ন ইউনিয়নের চালের কার্ডের তালিকা যাচাই-বাছাই করার পর পাওয়ার যোগ্য নয় এমন অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। রোহিতা ইউনিয়নের তালিকাটা বাকি আছে। দ্রুত তা যাচাই-বাছাই হবে। সেখান থেকেও চাল পাওয়ার অযোগ্যদের নাম বাদ দিয়ে সেই স্থানে গরিবদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।'
তরিকুল ইসলাম যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলকর রোহিতা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, আক্কাস আলীর ছেলে তরিকুলের (৩৮) একটি ইটভাটা আছে। রোহিতা ইউনিয়নের সারের বড় ডিলারদের একজন তিনি। আছে ৩-৪টি মাছের ঘেরও। চড়েন দামি মোটরবাইকে।এই মানুষটির কাছে রয়েছে গরিবের জন্য বরাদ্দকৃত দশ টাকার চালের কার্ড। তিনি দু'দফায় ৬০কেজি চাল উত্তোলন করেছেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
তরিকুল কিভাবে চালের কার্ড পেলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ওই ওয়ার্ডের মেম্বর মহিতুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'তাকে চালের কার্ড আমি দিইনি। দিয়েছেন মকবুল।'
মকবুল স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা। জানতে চাইলে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, 'আমাদের দল করেন, সেই সূত্রে তরিকুল কার্ড পেয়েছেন।'
স্থানীয়রা জানান, তরিকুল ইসলামের নাম রয়েছে কম টাকার চালের প্রাপ্যতালিকার ৭৫ নম্বরে। ব্যবসা করার আগে বছর দশেক তিনি প্রবাসে ছিলেন। তার নামে চালের কার্ড হওয়ায় হতবাক এলাকাবাসী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, এই চাল তরিকুল খাবেন না, খাওয়াবেন তার ঘেরের মাছকে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বুধবার দুপুরে তিনি বিষয়টি শুনেছেন। ওই সময় পরিষদে উপস্থিত নেতাকর্মীদের বেশ বকাঝকাও করলেন। বললেন, 'কিভাবে তরিকুলের নামে কার্ড হয় এটা আমার মাথায় আসে না!'
আনছার আলী চেয়ারম্যান বলেন, 'তরিকুল চালের কার্ড পাবে— এর প্রশ্নই ওঠে না। তাছাড়া আমি নিজে তো এই তালিকা করিনি। ওরাই করেছে।'
বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের মিটিং-এ তরিকুলের নাম বাদ দেওয়ার আশ্বাস জানান এ চেয়ারম্যান।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার তরিকুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'বিভিন্ন ইউনিয়নের চালের কার্ডের তালিকা যাচাই-বাছাই করার পর পাওয়ার যোগ্য নয় এমন অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। রোহিতা ইউনিয়নের তালিকাটা বাকি আছে। দ্রুত তা যাচাই-বাছাই হবে। সেখান থেকেও চাল পাওয়ার অযোগ্যদের নাম বাদ দিয়ে সেই স্থানে গরিবদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।'
