তৌহিদুল আরব:
কক্সবার্তা ডট কম।।
ঘূর্ণিঝড় নাডায় নিখোঁজ কক্সবাজারের ৭৪ জেলে এখনো সাগরে ভাসমান। জীবিত অবস্থাতেই আছে তারা। দেশের জলসীমার মধ্যে থাকতে পারে। নয়তো ভারত মহাসাগরের অন্তর্গত নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে আছে। মারা গেলে মোবাইল অফ দেখাতো। জীবিত থাকার কারণেই মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে প্রদর্শন করা হচ্ছে। একমাত্র সরকারি উদ্যোগই তাদের স্বদেশের মাটিতে ফিরে আনতে পারবে। কথাগুলো জোরের সঙ্গে বললো, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিজার্ভ পাড়ার জেলে মো. বদি প্রকাশ বইল্ল্যা।
দীর্ঘ ১মাস ১৭ দিন পর সাগর থেকে দেশের মাটিতে ফিরে আসা এফবি মায়ের দোয়া এ এসেছে বইল্ল্যা সহ একই নৌকায় থাকা পাঁচ মাঝি-মাল্লা।
যাদের সকলেই জীবিত থাকলেও দেখতে ছিলো কাঙ্গালের মতো শুখনো। চলতি বছরের ১ নভেম্বর ঘুর্ণিঝড় নাডার সময় তারা ছিলো বঙ্গোপসাগরে। ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে নৌকা নিয়ে কূলে ভিড়তে পারেন নি। ফলে অন্য অনেকের মতো তাদেরকেও বরণ করতে হয়েছিল করুণ পরিণতি। সাগরে ভাসতে ভাসতে আশা ছেড়ে দিয়েছিলো স্বদেশের মাটিতে ফেরার। মানুষের মানবিকতা তাদেরকে যেমন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে। তেমনি পাঁচ মাঝি-মাল্লাকে দিয়েছে নতুন জীবন। এ দিকে মিডিয়ায় কক্সবাজাররের ৭১ মাঝি নিখোঁজের খবর প্রচার করায় বইল্ল্যার পরিবার ও গ্রামবাসী ধারণা করেছিলো সে আর পৃথিবীতে নেই। এমনকি মারা যাবার খবরের গুজবে তার মেজবানও সম্পন্ন করেছিলো তার আত্মীয় ও পরিবারের স্বজনরা। পরে একান্ত স্বাক্ষাৎকারে বইল্ল্যা বলেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সাগরে মাছ ধরছি। এ কারণে সাগরের ঝড় আর বাতাসের ব্যাপারে খুব ভালোভাবেই জানি। সূর্য আর চাঁদ দেখেই আমরা বলতে পারি কোন এলাকায় অবস্থান করছি। আর রাতের তারা দেখে নির্ণয় করি যাতায়াতের পথ। সাগরের ভারতের অংশ পূর্বদক্ষিণ দিকে আর মায়ানমারের অংশ দক্ষিণপশ্চিমে।
সেদিনের ঘূর্ণিঝড় ছিলো সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। বাতাস বইছিল উত্তরপূর্ব দিক থেকে দক্ষিণপশ্চিম দিকে। অন্যান্য ঝড়গুলোর তুলনায় সাগরের বাতাসের গতিও ছিলো বেশি। যা স্থায়ী ছিলো ৩ দিন। ঘূর্ণিঝড়ের তোড়ে আমাদের নৌকা দক্ষিণপশ্চিম দিকে এগিয়ে চলতে থাকে। ফলে আমাদের নৌকা প্রায় ভারতের কাছাকাছি চলে যায়! আমার বিশ্বাস বাতাসের তীব্র গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমাদের পরিণতি বরণ করতে হয়। আমার বিশ্বাস নিখোঁজ নৌকাগুলো মায়ানমার, ভারত মহাসাগরের অন্তর্গত নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কিংবা শ্রীলংকায় রয়েছে। এটি না হলে দেশের জলসীমার মধ্যে পড়ে আছে তারা।
দীর্ঘ ১মাস ১৭ দিন পর সাগর থেকে দেশের মাটিতে ফিরে আসা এফবি মায়ের দোয়া এ এসেছে বইল্ল্যা সহ একই নৌকায় থাকা পাঁচ মাঝি-মাল্লা।
যাদের সকলেই জীবিত থাকলেও দেখতে ছিলো কাঙ্গালের মতো শুখনো। চলতি বছরের ১ নভেম্বর ঘুর্ণিঝড় নাডার সময় তারা ছিলো বঙ্গোপসাগরে। ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে নৌকা নিয়ে কূলে ভিড়তে পারেন নি। ফলে অন্য অনেকের মতো তাদেরকেও বরণ করতে হয়েছিল করুণ পরিণতি। সাগরে ভাসতে ভাসতে আশা ছেড়ে দিয়েছিলো স্বদেশের মাটিতে ফেরার। মানুষের মানবিকতা তাদেরকে যেমন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে। তেমনি পাঁচ মাঝি-মাল্লাকে দিয়েছে নতুন জীবন। এ দিকে মিডিয়ায় কক্সবাজাররের ৭১ মাঝি নিখোঁজের খবর প্রচার করায় বইল্ল্যার পরিবার ও গ্রামবাসী ধারণা করেছিলো সে আর পৃথিবীতে নেই। এমনকি মারা যাবার খবরের গুজবে তার মেজবানও সম্পন্ন করেছিলো তার আত্মীয় ও পরিবারের স্বজনরা। পরে একান্ত স্বাক্ষাৎকারে বইল্ল্যা বলেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সাগরে মাছ ধরছি। এ কারণে সাগরের ঝড় আর বাতাসের ব্যাপারে খুব ভালোভাবেই জানি। সূর্য আর চাঁদ দেখেই আমরা বলতে পারি কোন এলাকায় অবস্থান করছি। আর রাতের তারা দেখে নির্ণয় করি যাতায়াতের পথ। সাগরের ভারতের অংশ পূর্বদক্ষিণ দিকে আর মায়ানমারের অংশ দক্ষিণপশ্চিমে।
সেদিনের ঘূর্ণিঝড় ছিলো সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। বাতাস বইছিল উত্তরপূর্ব দিক থেকে দক্ষিণপশ্চিম দিকে। অন্যান্য ঝড়গুলোর তুলনায় সাগরের বাতাসের গতিও ছিলো বেশি। যা স্থায়ী ছিলো ৩ দিন। ঘূর্ণিঝড়ের তোড়ে আমাদের নৌকা দক্ষিণপশ্চিম দিকে এগিয়ে চলতে থাকে। ফলে আমাদের নৌকা প্রায় ভারতের কাছাকাছি চলে যায়! আমার বিশ্বাস বাতাসের তীব্র গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমাদের পরিণতি বরণ করতে হয়। আমার বিশ্বাস নিখোঁজ নৌকাগুলো মায়ানমার, ভারত মহাসাগরের অন্তর্গত নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কিংবা শ্রীলংকায় রয়েছে। এটি না হলে দেশের জলসীমার মধ্যে পড়ে আছে তারা।
