ওমর ফারুক
স্পোর্টস বার্তা।।
স্পোর্টস বার্তা।।
জমে উঠেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ বিপিএল। ব্যাটসম্যানের ব্যাট হাসছে ফলে রানের ফুলঝুরি ছুটেছে অবশেষে। শাহরিয়ার নাফিস, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী মারুফরা যেমন ব্যাট হাতে আলো ছড়াচ্ছেন তেমনি বল হাতে কম যাচ্ছেননা শফিউল ইসলাম, মোহাম্মদ শহীদরা।
এবারের বিপিএলে বরিশাল বুলসের হয়ে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন দীর্ঘদিন জাতীয় দলে অচ্যুত হয়ে থাকা শাহরিয়ার নাফিস। অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে তিন হাফসেঞ্চুরী সহ ১৮৪রান নিয়ে ব্যাটসম্যান দের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছেন। তার গড় ৬১.৩৩।
১৭৪রান নিয়ে জাতীয় দলের রান মেশিন খ্যাত মুশফিক আছেন এর পরেই। চারম্যাচে তার হাফসেঞ্চুরি দু'টি। খেলেছেন ৮১রানের একটি ধ্রুপদী ইনিংস ও।
উদীয়মান তরুন মেহেদি মারুফ ১৭০রান নিয়ে তালিকায় তিনে রয়েছেন। জাতীয় দলের আরেক মারকুটে খেলোয়াড় সাব্বির রহমানের রান ১৫৭ এবং নির্ভরযোগ্য ওপেনার তামিমের ব্যাট থেকে এসেছে ১৪৩ রান।
অন্যদিকে এবারের বিপিএল স্পিনারদের হবে বলে যারা ভেবেছেন তাদের ধারনা ভুল প্রমান করে উইকেট শিকারির তালিকায় এক নাম্বারে অবস্থান করছেন জাতীয় দলের দুই নিয়মিত পেসার শফিউল এবং মোহাম্মদ শহীদ
দুইজনেই নিয়েছেন আটটি করে উইকেট। সাত উইকেট করে নিয়েছেন পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি, জুনায়েদ খান ও আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবী।
কাল থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম পর্বের খেলায় ক্রিকেটাররা আবারো একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষে লড়াই শুরু করবেন। এখনো গ্রুপ পর্বের ৮টি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে।
এবারের বিপিএলে বরিশাল বুলসের হয়ে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন দীর্ঘদিন জাতীয় দলে অচ্যুত হয়ে থাকা শাহরিয়ার নাফিস। অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে তিন হাফসেঞ্চুরী সহ ১৮৪রান নিয়ে ব্যাটসম্যান দের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছেন। তার গড় ৬১.৩৩।
১৭৪রান নিয়ে জাতীয় দলের রান মেশিন খ্যাত মুশফিক আছেন এর পরেই। চারম্যাচে তার হাফসেঞ্চুরি দু'টি। খেলেছেন ৮১রানের একটি ধ্রুপদী ইনিংস ও।
উদীয়মান তরুন মেহেদি মারুফ ১৭০রান নিয়ে তালিকায় তিনে রয়েছেন। জাতীয় দলের আরেক মারকুটে খেলোয়াড় সাব্বির রহমানের রান ১৫৭ এবং নির্ভরযোগ্য ওপেনার তামিমের ব্যাট থেকে এসেছে ১৪৩ রান।
অন্যদিকে এবারের বিপিএল স্পিনারদের হবে বলে যারা ভেবেছেন তাদের ধারনা ভুল প্রমান করে উইকেট শিকারির তালিকায় এক নাম্বারে অবস্থান করছেন জাতীয় দলের দুই নিয়মিত পেসার শফিউল এবং মোহাম্মদ শহীদ
দুইজনেই নিয়েছেন আটটি করে উইকেট। সাত উইকেট করে নিয়েছেন পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি, জুনায়েদ খান ও আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবী।
কাল থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম পর্বের খেলায় ক্রিকেটাররা আবারো একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষে লড়াই শুরু করবেন। এখনো গ্রুপ পর্বের ৮টি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে।
