এইচ এম রুহুল কাদের,চকরিয়া:
কক্সবাজারের গুরু্ত্বপূর্ণ জনপদ চকরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন কাকারা।দীর্ঘ একযুগ ধরে চলা জনদুর্ভোগের (আংশিক) অবসান হয়েছে কিছুদিন আগে কাকারা-মাঝেরফাঁড়ীর প্রধান সড়ের কার্পেটিং কাজে।তবে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড নদীর পাড়ের হাজার হাজার শ্রমীক কৃষক ছাত্র-ছাত্রীদের।কারণ এই এলাকার মানুষের বর্ষামৌসম মানিই আজরাইল বা ভূত।অত্র এলাকায় প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলে কেড়ে নেয় মায়ের কোলের শিশু,গভাদী পশু,কৃষকের ফসল ও রাস্তাঘাট।শুধু একটা বেড়ীবাঁধের বা কর্তৃপক্ষ্যের সু-দৃষ্ঠির অভাবে।আজ ২রা নভেম্বর বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় সেই জনগণের প্রত্যাশিত সড়কের আংশিকের(প্রপার কাকারা টু ৭নং ওয়ার্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল ইসলাম ছিদ্দিকীর বাড়ি পর্যন্ত) কার্পেটিং কাজ শেষে জনগণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেন চকরিয়া-পেকুয়ার সংসদ জনাব ইলিয়াস।তবে জনগণের আশা এই আংশিক কাজের মধ্য দিয়ে বাকি কাজের দার উন্মোক্ত হবে।এবং এই কাজটি সম্পাদনে (শুরু-শেষ) আন্তরিকভাবে চেষ্ঠা ও কষ্ঠ করছেন কাকারা ৭নং ওয়ার্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব জহিরুল ইসলাম ছিদ্দিকীর সুযোগ্য সন্তান, দৈনিক কালের কন্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক জনাব আসিফুল হাসনাত ছিদ্দিকী কে ধন্যবাদ জানান জনগন।আজ কাকারায় সংক্ষিপ্ত সফরে এলাকার সংসদ আসলে কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব শওকত ওসমান এলাকার পাহাড়ি ঢলে বিধ্বস্ত (মাজার টু প্রপার কাকারা সড়ক)নদী ভাঙ্গন তীর জায়গাগুলা দেখান এবং তিনি জনগন কে দ্রুত কাজ গুলা শুরু করবেন বলেও আস্বস্থ করেন।।
Sent from Samsung Mobile
