দেশ বার্তা:
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতিভাঙা এমএম মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আসাদুজ্জমানকে কান ধরে উঠবস করানোর অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এছাড়া অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা ও লোকজন দিয়ে মারধর করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে
গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটলেও ৫ দিন পর আজ মঙ্গলবার
ইউএনও'র কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ঐ প্রভাষক।
অভিযোগে জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর হাতিভাঙা ইউনিয়ন পরিষধে জমি সংক্রান্ত এক সালিশিতে ইউপি চেয়ারম্যান দৌলত হোসেন চৌধুরি ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ প্রভাষককে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, পরিশধের খাদ্য গুদামে ২-৩ ঘন্টা আটকে রাখে ও ১০ বার কানে ধরিয়ে উঠবস করান।
এ বিষয়ে প্রভাষক জানান, চাকরিচ্যুত হওয়ার ভয়ে ৫ দিন এ ঘটনা গোপন রাখলেও বিবেকের তাড়নায় ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে কলেজের অধক্ষকেও জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান দৌলত চৌধুরি জানায়, পরিষদের আদালত কার্যক্রম চলাকালে প্রভাষক আমার উপর আক্রমন চালায়। পরে আমি তাকে বলেছি, তুমি যে কাজ করছো তাতে তোমার শাস্তি হতে পারব ১০ বার কান ধরে উঠবস করা।ওমনি প্রভাষক কানে ধরে উঠাবসা শুরু করে দিয়েছে।আমি তাকে বাধ্য করিনি।
চেয়ারম্যান আরও ঐ প্রভাষক সমন্ধে বলেন, তিনি এমন এক ব্যাক্তি যিনি, তার বাবাকেও হাজত খাটিয়েছে এবং তার স্ত্রীকেও নির্যাতন করে।
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতিভাঙা এমএম মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আসাদুজ্জমানকে কান ধরে উঠবস করানোর অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এছাড়া অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা ও লোকজন দিয়ে মারধর করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে
গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটলেও ৫ দিন পর আজ মঙ্গলবার
ইউএনও'র কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ঐ প্রভাষক।
অভিযোগে জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর হাতিভাঙা ইউনিয়ন পরিষধে জমি সংক্রান্ত এক সালিশিতে ইউপি চেয়ারম্যান দৌলত হোসেন চৌধুরি ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ প্রভাষককে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, পরিশধের খাদ্য গুদামে ২-৩ ঘন্টা আটকে রাখে ও ১০ বার কানে ধরিয়ে উঠবস করান।
এ বিষয়ে প্রভাষক জানান, চাকরিচ্যুত হওয়ার ভয়ে ৫ দিন এ ঘটনা গোপন রাখলেও বিবেকের তাড়নায় ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে কলেজের অধক্ষকেও জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান দৌলত চৌধুরি জানায়, পরিষদের আদালত কার্যক্রম চলাকালে প্রভাষক আমার উপর আক্রমন চালায়। পরে আমি তাকে বলেছি, তুমি যে কাজ করছো তাতে তোমার শাস্তি হতে পারব ১০ বার কান ধরে উঠবস করা।ওমনি প্রভাষক কানে ধরে উঠাবসা শুরু করে দিয়েছে।আমি তাকে বাধ্য করিনি।
চেয়ারম্যান আরও ঐ প্রভাষক সমন্ধে বলেন, তিনি এমন এক ব্যাক্তি যিনি, তার বাবাকেও হাজত খাটিয়েছে এবং তার স্ত্রীকেও নির্যাতন করে।
