এইচ এম রুহুল কাদের:
বিশেষ প্রতিবেদন।।
বিশেষ প্রতিবেদন।।
মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর গুলিতে গত এক সপ্তাহে অন্ততঃ ৮০ জন রোহিঙ্গা মুসলমান নিহত ও বহু লোক আহত ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।
মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অন্ততঃ ৮০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা ও বহু লোককে আহত এবং শতশত ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়ে বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।এমন কি নারীদের ধর্ষণের পর হত্যা ও শিশুদের হাত-পা বেধে অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মাধ্যে পাওয়া খবরে বলা হচ্ছে,মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের লাশ এখন যত্র-তত্র ও সগরে ভাসতে দেখা যাচ্ছে।মায়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী এবং বৌদ্ধভিক্ষু দের পরিচালিত এ হত্যাকান্ড গণহত্যার শামিল।মায়ানমার সরকার দুটি হেলি কপ্টার গানশিপ থেকে নিরস্ত্র রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গুলি বর্ষণ করে তাদের নির্বিচারে হত্যা করেছে।
মায়ানমারের সরকার দীর্ঘ দিন থেকেই রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। গত প্রায় তিন যুগ আগে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিতাড়িত করে বাংলাদেশে আসতে বাধ্য করেছিল। তাদের আজ পর্যন্ত মায়ানমার সরকার দেশে ফিরিয়ে নেয়নি। তারা বাংলাদেশে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
সাম্প্রতিক মায়ানমার সেনাবাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৪শত রোহিঙ্গা মুসলমান গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারাও মানবেতর জীবন যাপন করছে।
মায়ানমার সরকার সে দেশের মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার অমানবিক কাজে লিপ্ত। এ মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য মায়ানমার সরকারের প্রতি বিভিন্ন সংস্থার আহ্বান জান্তা সরকার কোন পাত্তা দিচ্ছে না। এ ঘটনার ব্যাপারে মায়ানমার সরকারের ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।
মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সে দেশের সরকারের পরিচালিত গণহত্যা বন্ধ করে তাদের পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার লক্ষ্য আমি জাতিসংঘ, ওআইসি এবং সকল আন্তর্জাতিক মানবতাধিকার সংস্থা ও শান্তিকামী বিশ্ববাসীর সোচ্চার হওয়া উচিৎ।
মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অন্ততঃ ৮০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা ও বহু লোককে আহত এবং শতশত ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়ে বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।এমন কি নারীদের ধর্ষণের পর হত্যা ও শিশুদের হাত-পা বেধে অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মাধ্যে পাওয়া খবরে বলা হচ্ছে,মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের লাশ এখন যত্র-তত্র ও সগরে ভাসতে দেখা যাচ্ছে।মায়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী এবং বৌদ্ধভিক্ষু দের পরিচালিত এ হত্যাকান্ড গণহত্যার শামিল।মায়ানমার সরকার দুটি হেলি কপ্টার গানশিপ থেকে নিরস্ত্র রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গুলি বর্ষণ করে তাদের নির্বিচারে হত্যা করেছে।
মায়ানমারের সরকার দীর্ঘ দিন থেকেই রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। গত প্রায় তিন যুগ আগে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিতাড়িত করে বাংলাদেশে আসতে বাধ্য করেছিল। তাদের আজ পর্যন্ত মায়ানমার সরকার দেশে ফিরিয়ে নেয়নি। তারা বাংলাদেশে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
সাম্প্রতিক মায়ানমার সেনাবাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৪শত রোহিঙ্গা মুসলমান গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারাও মানবেতর জীবন যাপন করছে।
মায়ানমার সরকার সে দেশের মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার অমানবিক কাজে লিপ্ত। এ মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য মায়ানমার সরকারের প্রতি বিভিন্ন সংস্থার আহ্বান জান্তা সরকার কোন পাত্তা দিচ্ছে না। এ ঘটনার ব্যাপারে মায়ানমার সরকারের ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।
মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সে দেশের সরকারের পরিচালিত গণহত্যা বন্ধ করে তাদের পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার লক্ষ্য আমি জাতিসংঘ, ওআইসি এবং সকল আন্তর্জাতিক মানবতাধিকার সংস্থা ও শান্তিকামী বিশ্ববাসীর সোচ্চার হওয়া উচিৎ।
