বিদেশ ডেস্ক:
নাইজেরিয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর তাকে ধর্মান্তরিত করে অপহরণকারীর সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরীর বাবা।
কিশোরীর বাবার অভিযোগ জামিলু লওয়াল নামে এক অপহরণকারী মেয়ে হাবিবাকে অপহরণের পর তাকে ধর্মান্তরিত করে অপহরণকারীর সঙ্গে জোর করে বিয়ে দিয়েছেন কাটসিনা রাজ্যের আমির আব্দুল মুমিনি ওসমান।
তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবা বলেছেন, তিনি তার নিজের ইচ্ছায় ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়ে জামিলুকে বিয়ে করেছেন।
নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজায় চলতি সপ্তাহে এক প্রেস কনফারেন্সে এ অভিযোগ করেন হাবিবার বাবা ঈসাকু থানকু।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত অপহরণকারী জামলিুর সঙ্গে কাটসিনার আমির তার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের সরকারী একটি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জামিলু তার মেয়ে হাবিবাকে অপহরণ করে। পরে তাকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করে তাদের সম্মতি ছাড়াই অপহরণকারীর সঙ্গে বিয়ে দেন আমির।
হাবিবা তার বাবার এ দাবিকে অস্বীকার করে বলেছে, তাকে নিগৃহীত কিংবা জোর করে ধর্মান্তরিত করানো হয়নি এবং সে নিজের ইচ্ছেই জামিলুকে বিয়ে করেছেন।
নাইজেরিয়ার খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের কাটসিনা চ্যাপটার ও কাটসিনা সরকারী বাহিনীর এক যৌথ কনফারেন্সে কিশোরী মেয়েটি এ দাবি করেন।
হাবিবা বলেন, 'আমি আমার সব সিদ্ধান্ত নিজের ইচ্ছায় নিয়েছি। আমি আমার নিজের ইচ্ছেই মুসলিম হয়েছি এবং আমিরের প্রাসাদে আশ্রয় নিয়েছি কারণ আমার পরিবার থেকে আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি ছিল।'
কনফরেন্সে কাটসিনার আমিরের প্রতিনিধি নুহু আব্দুল কাদির হাবিবাকে জোর করে জামিলুর সঙ্গে বিয়ে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাবিবা তার নিজের ইচ্ছায় জামিলুকে বিয়ে করেছেন।
নুহু দাবি করেন, পুলিশের লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পরে প্রাসাদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। এতে প্রকৃত পক্ষে দেখা গেছে, মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া ও তার বিয়ে নিয়ে তাকে কোনো জোর করা হয়নি। যা কিছু ঘটেছে সবই তার নিজের ইচ্ছায় ঘটেছে।
তিনি আরো জানান, হাবিবা জামিলুকে বিয়ে করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রাসাদের পক্ষ থেকে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয় এবং কনেকে আমিরের পক্ষ থেকে ৫০,০০০ নাইজেরিও মুদ্রা উপহার দেয়া হয়।
নাইজেরিয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর তাকে ধর্মান্তরিত করে অপহরণকারীর সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরীর বাবা।
কিশোরীর বাবার অভিযোগ জামিলু লওয়াল নামে এক অপহরণকারী মেয়ে হাবিবাকে অপহরণের পর তাকে ধর্মান্তরিত করে অপহরণকারীর সঙ্গে জোর করে বিয়ে দিয়েছেন কাটসিনা রাজ্যের আমির আব্দুল মুমিনি ওসমান।
তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবা বলেছেন, তিনি তার নিজের ইচ্ছায় ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়ে জামিলুকে বিয়ে করেছেন।
নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজায় চলতি সপ্তাহে এক প্রেস কনফারেন্সে এ অভিযোগ করেন হাবিবার বাবা ঈসাকু থানকু।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত অপহরণকারী জামলিুর সঙ্গে কাটসিনার আমির তার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের সরকারী একটি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জামিলু তার মেয়ে হাবিবাকে অপহরণ করে। পরে তাকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করে তাদের সম্মতি ছাড়াই অপহরণকারীর সঙ্গে বিয়ে দেন আমির।
হাবিবা তার বাবার এ দাবিকে অস্বীকার করে বলেছে, তাকে নিগৃহীত কিংবা জোর করে ধর্মান্তরিত করানো হয়নি এবং সে নিজের ইচ্ছেই জামিলুকে বিয়ে করেছেন।
নাইজেরিয়ার খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের কাটসিনা চ্যাপটার ও কাটসিনা সরকারী বাহিনীর এক যৌথ কনফারেন্সে কিশোরী মেয়েটি এ দাবি করেন।
হাবিবা বলেন, 'আমি আমার সব সিদ্ধান্ত নিজের ইচ্ছায় নিয়েছি। আমি আমার নিজের ইচ্ছেই মুসলিম হয়েছি এবং আমিরের প্রাসাদে আশ্রয় নিয়েছি কারণ আমার পরিবার থেকে আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি ছিল।'
কনফরেন্সে কাটসিনার আমিরের প্রতিনিধি নুহু আব্দুল কাদির হাবিবাকে জোর করে জামিলুর সঙ্গে বিয়ে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাবিবা তার নিজের ইচ্ছায় জামিলুকে বিয়ে করেছেন।
নুহু দাবি করেন, পুলিশের লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পরে প্রাসাদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। এতে প্রকৃত পক্ষে দেখা গেছে, মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া ও তার বিয়ে নিয়ে তাকে কোনো জোর করা হয়নি। যা কিছু ঘটেছে সবই তার নিজের ইচ্ছায় ঘটেছে।
তিনি আরো জানান, হাবিবা জামিলুকে বিয়ে করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রাসাদের পক্ষ থেকে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয় এবং কনেকে আমিরের পক্ষ থেকে ৫০,০০০ নাইজেরিও মুদ্রা উপহার দেয়া হয়।
