মোঃ নিজাম উদ্দিন :
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের মেহেরঘোনা রেন্জ অফিসের নাকের ডগা দিয়ে প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে মুল্যবান কাঠ ও গাড়ি ভর্তি লাকড়ি। গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি সড়কের মতো কালিরছড়া সড়ক দিয়েও এসব বনজ সম্পদ পাচার হয়ে যাচ্ছে।
পাচার হওয়া কাঠ ও লাকড়ি গুলো ঈদগাঁওস্থ বিভিন্ন সমিল সহ ইটভাটায় স্থান পাচ্ছে বলে জানায় স্থানীয়রা। সরেজমিনে লক্ষ্য করা যায় দিনের বেলায় সামাজিক বনায়ন থেকে সংগৃহীত কাঠ ও লাকড়ি বোঝাই কয়েক ডজন ভ্যানগাড়ি ওই সড়কে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। রাত গভীর হলে এসব গাড়িগুলো মেহেরঘোনা রেন্জ অফিসের পাশদিয়ে বিভিন্ন প্রান্তে পাচার হয়ে যায়।
বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের মাসিক মাসোহারা দিয়ে এসব অবৈধ কর্মকান্ড দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলে জানা যায়। এতে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় করে দিলেও নির্বিকার বনরক্ষকরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রতিদিন গভীর রাতে পাচারকৃত কাঠ ও লাকড়ি বোঝাই ভ্যানের দরুন সড়কটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফলে বিশেষ করে বর্ষার সময় সড়ক দিয়ে জনসাধারণ চলাচল প্রায় অযোগ্য হয় পড়ে।
আশ্বর্যের ব্যপার হচ্ছে প্রতিনিয়ত সংঘবদ্ধ গাছ খেকো কর্তৃক পাচারের বিষয়টি শতভাগ সত্য হয়েও তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বনবিভাগ। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে মেহেরঘোনা রেন্জের কালিরছড়া বিট কর্মকর্তা আতা এ ইলাহী বলেন 'এসব ব্যাপারে আমরা জানতাম না। এখন খবর নিয়ে এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।'
পাচার হওয়া কাঠ ও লাকড়ি গুলো ঈদগাঁওস্থ বিভিন্ন সমিল সহ ইটভাটায় স্থান পাচ্ছে বলে জানায় স্থানীয়রা। সরেজমিনে লক্ষ্য করা যায় দিনের বেলায় সামাজিক বনায়ন থেকে সংগৃহীত কাঠ ও লাকড়ি বোঝাই কয়েক ডজন ভ্যানগাড়ি ওই সড়কে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। রাত গভীর হলে এসব গাড়িগুলো মেহেরঘোনা রেন্জ অফিসের পাশদিয়ে বিভিন্ন প্রান্তে পাচার হয়ে যায়।
বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের মাসিক মাসোহারা দিয়ে এসব অবৈধ কর্মকান্ড দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলে জানা যায়। এতে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় করে দিলেও নির্বিকার বনরক্ষকরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রতিদিন গভীর রাতে পাচারকৃত কাঠ ও লাকড়ি বোঝাই ভ্যানের দরুন সড়কটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফলে বিশেষ করে বর্ষার সময় সড়ক দিয়ে জনসাধারণ চলাচল প্রায় অযোগ্য হয় পড়ে।
আশ্বর্যের ব্যপার হচ্ছে প্রতিনিয়ত সংঘবদ্ধ গাছ খেকো কর্তৃক পাচারের বিষয়টি শতভাগ সত্য হয়েও তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বনবিভাগ। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে মেহেরঘোনা রেন্জের কালিরছড়া বিট কর্মকর্তা আতা এ ইলাহী বলেন 'এসব ব্যাপারে আমরা জানতাম না। এখন খবর নিয়ে এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।'
