কক্সবার্তা ডেস্ক:
সুন্দরবনের কাছে স্থাপনের জন্য প্রস্তাবিত কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ বন্ধ রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কো ।
ইউনেস্কো হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, এরকম একটি প্রকল্প বাংলাদেশে সুন্দরবনের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করবে।
সুন্দরবনের কাছে রামপালে প্রস্তাবিত এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশ এবং ভারতের যৌথ উদ্যোগে করা হচ্ছে। এটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১৩২০ মেগাওয়াট। প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ টন কয়লা এটিতে ব্যবহার করা হবে।
দেশের পরিবেশবাদীরা এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন এর বিরুদ্ধে গত কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছে। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার এবং ইন্টারন্যাশনাল কনজার্ভেশন ইউনিয়ন (আই ইউ সি এন) বলেছে, এমন সম্ভাবনা খুব প্রবল যে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষণ সুন্দরবনের অপূরণীয় ক্ষতি করবে।
ইউনেস্কো বলেছে, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এমন কোনো জায়গায় সরিয়ে নেয়া উচিৎ, যাতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি না হয়।
উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে।
যে জায়গায় কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে, তা সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার উত্তরে। ২০১৮ সালে কয়লা ভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার কথা।
ইউনেস্কোর এই আহ্বানের জবাবে সরকারের দিক থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে এই প্রকল্প বাতিলের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
সুন্দরবনের কাছে স্থাপনের জন্য প্রস্তাবিত কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ বন্ধ রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কো ।
ইউনেস্কো হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, এরকম একটি প্রকল্প বাংলাদেশে সুন্দরবনের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করবে।
সুন্দরবনের কাছে রামপালে প্রস্তাবিত এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশ এবং ভারতের যৌথ উদ্যোগে করা হচ্ছে। এটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১৩২০ মেগাওয়াট। প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ টন কয়লা এটিতে ব্যবহার করা হবে।
দেশের পরিবেশবাদীরা এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন এর বিরুদ্ধে গত কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছে। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার এবং ইন্টারন্যাশনাল কনজার্ভেশন ইউনিয়ন (আই ইউ সি এন) বলেছে, এমন সম্ভাবনা খুব প্রবল যে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষণ সুন্দরবনের অপূরণীয় ক্ষতি করবে।
ইউনেস্কো বলেছে, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এমন কোনো জায়গায় সরিয়ে নেয়া উচিৎ, যাতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি না হয়।
উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে।
যে জায়গায় কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে, তা সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার উত্তরে। ২০১৮ সালে কয়লা ভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার কথা।
ইউনেস্কোর এই আহ্বানের জবাবে সরকারের দিক থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে এই প্রকল্প বাতিলের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
