কক্সবার্তা ডেস্ক:
হবিগঞ্জের বাহুবলে দ্বীননাথ মডেল স্কুল জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীরা জানান, বুধবার দুপুরে বাহুবল দীননাথ মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুল জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় দুই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। এক পর্যায়ে ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্র পরিণত হয়। পরে দাঙ্গা পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ শিক্ষকসহ ছয় জনকে আটক করেছে।
বাহুবল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৯০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে।
তিনি জানান, আটকদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়কে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
হবিগঞ্জের বাহুবলে দ্বীননাথ মডেল স্কুল জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীরা জানান, বুধবার দুপুরে বাহুবল দীননাথ মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুল জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় দুই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। এক পর্যায়ে ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্র পরিণত হয়। পরে দাঙ্গা পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ শিক্ষকসহ ছয় জনকে আটক করেছে।
বাহুবল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৯০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে।
তিনি জানান, আটকদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়কে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
