সিবিএন : চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মো. আবু তাহের নামে মাইক্রো চালককে আটক করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় ইয়াবা বহনকারী মাইক্রোটিও জব্দ করা হয়েছে। যার নং- চট্রমেট্রা চ-১১- ৩১৪৯।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে পরিষদ কার্যালয়ের সামনে থেকে ইয়াবাসহ মাইক্রোটি আটক করা হয়।
আটক মাইক্রো চালক খুটাখালী গর্জনতলী এলাকার মাহবুবুল আলমের ছেলে।
জব্দকৃত মাইক্রো মালিক ঈদগাঁও জাগিরপাড়া এলাকার মোজাফ্ফর আহমদ নামের এক ব্যক্তি বলে জানা গেছে।
এদিকে মাইক্রোতে কি পরিমাণ ইয়াবা ছিল তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নির্ভরযোগ্য একটি সুত্রের দাবী, অন্তত ৮০০০ পিস ইয়াবা ওই গাড়ীতে ছিল। ইয়াবাগুলো চালকের মাধ্যমে চট্রগ্রামে বিক্রির জন্য নিচ্ছিল একটি সিন্ডিকেট।
তবে, অভিযানকারী চকরিয়া থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন মাত্র ৮০ পিস ইয়াবাসহ চালককে আটক করা হয়েছে বলে জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদে চেকপোস্ট বসিয়ে ইয়াবাসহ চালক আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয় ইয়াবা বহনকারী মাইক্রোটিও।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, ওই মাইক্রোতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ছিল। ইয়াবা সিন্ডিকেটের সাথে আঁতাত করেছেন অভিযানকারী পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। এ কারণে ইয়াবা উদ্ধারের সংখ্যা কমিয়ে বলছেন বলে সুত্রটির দাবী।
ঈদগাঁও এলাকার বেশকয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, জব্দকৃত মাইক্রোর মালিক মোজাফ্ফর ইয়াবা ব্যবসা করে গাড়ী মালিক বনেছেন। তার সম্পদ অনুসন্ধান করলে কোম্পানী বনে যাওয়ার আসল রহস্য বের হবে।
এদিকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক মাইক্রোটি ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির শুরু করেছে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। তারা ইতিমধ্যে থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট অফিসারের সাথে কয়েক দফা মৌখিক চুক্তি করেছেন। যে কোন সময় গাড়িটি ছাড়িয়ে নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
তবে পুলিশ বলছে, কোনমতেই জব্দকৃত গাড়ী ছাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। ইয়াবার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এ সময় ইয়াবা বহনকারী মাইক্রোটিও জব্দ করা হয়েছে। যার নং- চট্রমেট্রা চ-১১- ৩১৪৯।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে পরিষদ কার্যালয়ের সামনে থেকে ইয়াবাসহ মাইক্রোটি আটক করা হয়।
আটক মাইক্রো চালক খুটাখালী গর্জনতলী এলাকার মাহবুবুল আলমের ছেলে।
জব্দকৃত মাইক্রো মালিক ঈদগাঁও জাগিরপাড়া এলাকার মোজাফ্ফর আহমদ নামের এক ব্যক্তি বলে জানা গেছে।
এদিকে মাইক্রোতে কি পরিমাণ ইয়াবা ছিল তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নির্ভরযোগ্য একটি সুত্রের দাবী, অন্তত ৮০০০ পিস ইয়াবা ওই গাড়ীতে ছিল। ইয়াবাগুলো চালকের মাধ্যমে চট্রগ্রামে বিক্রির জন্য নিচ্ছিল একটি সিন্ডিকেট।
তবে, অভিযানকারী চকরিয়া থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন মাত্র ৮০ পিস ইয়াবাসহ চালককে আটক করা হয়েছে বলে জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদে চেকপোস্ট বসিয়ে ইয়াবাসহ চালক আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয় ইয়াবা বহনকারী মাইক্রোটিও।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, ওই মাইক্রোতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ছিল। ইয়াবা সিন্ডিকেটের সাথে আঁতাত করেছেন অভিযানকারী পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। এ কারণে ইয়াবা উদ্ধারের সংখ্যা কমিয়ে বলছেন বলে সুত্রটির দাবী।
ঈদগাঁও এলাকার বেশকয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, জব্দকৃত মাইক্রোর মালিক মোজাফ্ফর ইয়াবা ব্যবসা করে গাড়ী মালিক বনেছেন। তার সম্পদ অনুসন্ধান করলে কোম্পানী বনে যাওয়ার আসল রহস্য বের হবে।
এদিকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক মাইক্রোটি ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির শুরু করেছে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। তারা ইতিমধ্যে থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট অফিসারের সাথে কয়েক দফা মৌখিক চুক্তি করেছেন। যে কোন সময় গাড়িটি ছাড়িয়ে নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
তবে পুলিশ বলছে, কোনমতেই জব্দকৃত গাড়ী ছাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। ইয়াবার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।