মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলায় দুটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ১১ টার দিকে ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের মতো চকরিয়াতেও এদুটি আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলো হলো খুটাখালী কিশলয় আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র অপরটি হলো বেতুয়া বাজারস্থ হযরত ফাতিমা (রাঃ) দাখীল মাদ্রাসা বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন শেষে উভয়ের ফলক উন্মোচন করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম।
উদ্বোধনের সময় উপস্তিত ছিলেন উভয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মাদ্রাসার সুপার সহ সকল শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধ, সাংবাদিক এবং স্থানীয় সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তারা।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান চকরিয়ায় দুটি সহ দূর্যোগ মোকাবেলায় আজ সারাদেশে ১৫৩ টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বন্যা, ক্ষরা আর জলোচ্ছ্বাসসহ নানা ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সহায়ক হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে তিনতলা বিশিষ্ট প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজারের অধিক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।' দুর্যোগ মুহূর্ত ছাড়া অন্যান্য সময় এগুলো বিদ্যালয় ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হবে বলে জানান ইউএনও।
ভিডিও কনফারেন্সে ১৯৭০, ১৯৮৮, ১৯৯১ এবং ১৯৯৮ সালের বন্যা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন 'যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন যথেষ্ট পারদর্শিতা অর্জন করেছে।' বক্তব্যে তিনি ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাঁশখালীর দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে নেওয়া পদক্ষেপের কথাও বর্ণনা করেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ১১ টার দিকে ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের মতো চকরিয়াতেও এদুটি আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলো হলো খুটাখালী কিশলয় আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র অপরটি হলো বেতুয়া বাজারস্থ হযরত ফাতিমা (রাঃ) দাখীল মাদ্রাসা বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন শেষে উভয়ের ফলক উন্মোচন করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম।
উদ্বোধনের সময় উপস্তিত ছিলেন উভয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মাদ্রাসার সুপার সহ সকল শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধ, সাংবাদিক এবং স্থানীয় সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তারা।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান চকরিয়ায় দুটি সহ দূর্যোগ মোকাবেলায় আজ সারাদেশে ১৫৩ টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বন্যা, ক্ষরা আর জলোচ্ছ্বাসসহ নানা ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সহায়ক হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে তিনতলা বিশিষ্ট প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজারের অধিক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।' দুর্যোগ মুহূর্ত ছাড়া অন্যান্য সময় এগুলো বিদ্যালয় ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হবে বলে জানান ইউএনও।
ভিডিও কনফারেন্সে ১৯৭০, ১৯৮৮, ১৯৯১ এবং ১৯৯৮ সালের বন্যা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন 'যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন যথেষ্ট পারদর্শিতা অর্জন করেছে।' বক্তব্যে তিনি ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাঁশখালীর দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে নেওয়া পদক্ষেপের কথাও বর্ণনা করেন।