রাজশাহীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে জিম্মিদশা থেকে আবদুর রহিম (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজন নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার বিকাল ৫টা ৫১ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৫।
A
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাশিমপুর এলাকার লোকমান আলীর ছেলে আবদুর রহিমকে নগরীর ডিঙাডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় প্রতারকচক্রের এক নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
A
আটককৃতরা হলেন, নগরীর ডিঙাডোবা এলাকার আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী শোভা খাতুন (২৩), ভদ্রা এলাকার শহর আলীর ছেলে মো. জাহিদ (৩০), শিরোইল এলাকার খালেক মাতবরের ছেলে আকবর আলী (১৮) এবং একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে মো.ডলার (১৯)।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সম্প্রতি প্রতারকচক্রের মূলহোতা শোভা খাতুনের সঙ্গে আবদুর রহিমের মোবাইলে পরিচয় হয়। এরপর গত শনিবার আবদুর রহিমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোভা তাকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে আসেন। ওই বাসায় আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন জাহিদ, আকবর ও ডলার। তারা রহিমকে জোর করে ওই বাসায় আটকে রাখেন। এরপর তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে শোভা খাতুনের সঙ্গে মোবাইলে তার অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা রহিমের স্ত্রী ও ভাইয়ের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে রহিমকে প্রাণে মেরে ফেলাসহ অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এতে রহিমের পরিবারের পক্ষ থেকে র্যাব-৫ এর কাছে একটি অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
A
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাশিমপুর এলাকার লোকমান আলীর ছেলে আবদুর রহিমকে নগরীর ডিঙাডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় প্রতারকচক্রের এক নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
A
আটককৃতরা হলেন, নগরীর ডিঙাডোবা এলাকার আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী শোভা খাতুন (২৩), ভদ্রা এলাকার শহর আলীর ছেলে মো. জাহিদ (৩০), শিরোইল এলাকার খালেক মাতবরের ছেলে আকবর আলী (১৮) এবং একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে মো.ডলার (১৯)।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সম্প্রতি প্রতারকচক্রের মূলহোতা শোভা খাতুনের সঙ্গে আবদুর রহিমের মোবাইলে পরিচয় হয়। এরপর গত শনিবার আবদুর রহিমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোভা তাকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে আসেন। ওই বাসায় আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন জাহিদ, আকবর ও ডলার। তারা রহিমকে জোর করে ওই বাসায় আটকে রাখেন। এরপর তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে শোভা খাতুনের সঙ্গে মোবাইলে তার অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা রহিমের স্ত্রী ও ভাইয়ের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে রহিমকে প্রাণে মেরে ফেলাসহ অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এতে রহিমের পরিবারের পক্ষ থেকে র্যাব-৫ এর কাছে একটি অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
