• Latest News

    মহেশখালীতে পাসপোর্ট তদন্তের নামে ডিএসবি কনস্টেবলের ঘুষ বাণিজ্য


    উপকূলীয় প্রতিনিধি:
    মহেশখালী উপজেলার ৮ ইউনিয়নে পাসপোর্টের আবেদনপত্র তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নামে ডিএসবির কনস্টেবল রাশেদুল ইসলামে বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে মহেশখালীর ৮ ইউনিয়নের অসংখ্য পাসপোর্ট আবেদনকারী ও ভূক্তভোগীরা। পাসপোর্ট আবেদনকারীরা এখন তার কাছে অসহায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার পৌরসভা, হোয়ানকসহ কালারমারছড়ার কয়েকজন লোক পাসপোর্ট অফিসের চিহ্নিত কয়েকজন দালালের (সংজ্ঞত কারনে নাম প্রকাশ করা হল না) সাথে রয়েছে রাশেদুল ইসলামের বিশেষ দহরম-মহরম সম্পর্ক। এ ছাড়াও আরো কয়েকজন পাসপোর্ট অফিসের দালালের সাথে এই দাপুটে এই ডিএসবির কনস্টেলের সু-সম্পর্ক রয়েছে। এসব দালালের কাছ থেকে প্রতিনিয়িতই মোটা অংকের মাসোহারা নেন তিনি ।
    অভিযাগ রয়েছে, এ ডিএসবি কনস্টেবলের বিরুদ্ধে স্থানিয় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা, স্থানিয় বিভিন্ন মামলার আসামী চিহ্নিত বিএনপি-জামায়াতের কিছু নেতাদের সাথে দারুণ সখ্যতার ও গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও স্থানিয় বিএনপিও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা যারা বিভিন্ন মামলার আসামী তাদের পাসপোর্টের পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ওই কনস্টেবল। এসব অপকর্ম উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও ডিএসবি কনস্টেবল রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারনে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। স্থানিয়রা জানান, এ দাপুটে কনস্টেবল মহেশখালী থানার ওসির কাছের লোক পরিচয় দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কোউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস ও করেনা। ।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিএসবি কনস্টেবল রাশেদুল ইসলাম সিন্ডিকেট মহেশখালী থানায় যোগদান করেই শুরু করেন নানান অপকর্ম। প্রতিটি পাসপোর্টের আবেদনপত্র তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নামে তারা ৫ হাজার থেকে সর্বো”চ ১০হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেন। কোন পাসপোর্ট আবেদনকারী তাদের দাবীকৃত টাকা না দিলে পাসপোর্ট আবেদনপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। এদিকে গোপন সূত্রে জানা গেছে, এ কনস্টেবল মহেশখালীতে থানায় যোগদান করার পর থেকে উপজেলার হোয়ানক ছাড়া ও কালারমারছড়া ইউনিয়নের হত্যা মামলার অসংখ্যা আসামীদের পাসপোর্ট পেয়ে দিয়েছেন। এর পিছনে নেপথ্যে রয়েছে কিছু দালাল।
    পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে ডিএসবি কনস্টেবলদের মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট পেতে সহায়তা করেছেন। তাদের কাছে কোন ব্যাক্তির পাসপোর্টের তদন্তের আবেদন গেলে কোন মামলা না থাকলে ও এক ওই ব্যাক্তিকে ফাঁসাতে অপর পক্ষের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে আবেদনকারী মানুষের পাসপোর্টে মিথ্যা তথ্যা দিয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয় মিথ্যা প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
    এসব অভিযোগের ব্যাপারে মহেশখালী থানায় কর্মরর্ত ডিএসবি কনস্টেবল রাশেদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া না যাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।

    • Blogger Comments
    • Facebook Comments
    Item Reviewed: মহেশখালীতে পাসপোর্ট তদন্তের নামে ডিএসবি কনস্টেবলের ঘুষ বাণিজ্য Rating: 5 Reviewed By: Unknown
    উপরে যান