বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবার্তা ডটকম:
দেশে মরণ নেশা খ্যাত ইয়াবা টেবলেটের সর্বাধিক চালান যাচ্ছে কক্সবাজার জেলা থেকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনিও থেমে নেই এর বিরুদ্ধে তৎপরতা। তারপরও লোকচক্ষুর অন্তরালে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই ইয়াবা ব্যাবসায় আঙ্গুল ফোলে কালাগাছ বুনে যাচ্ছে অনেকে।
উখিয়া উপজেলাধীন ফালংখালীর রিক্সাচালক মঞ্জুর আলম এখন 'ইয়াবা সম্রাট মঞ্জুর'। একবছরে আগের রিক্সা চালক মঞ্জুর এখন কয়েক কোটি টাকার মালিক এবং চালায় সে তিন লক্ষাধীক টাকা মুল্যের বিভিন্ন মডেলের কয়কটি মোটরবাইক। উল্লেখিত এলাকার মৃত সব্বির আহমদের পুত্র মঞ্জুর আলম ২০১১ সালে রিক্সা চালাতে রামু উপজেলার আওতাধীন জিলংঝা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরি পাড়ায় এসে বসবাস করেন।
এখানে রিক্সা চালার ফাঁকে সংগোপনে ইয়াবা রাজ্যের সন্ধান পায় মঞ্জুর।পরে বিভিন্ন পন্থায় মুহুরী পাড়ার যুবসমাজে বপন করেন ইয়াবা বীজ। তার অপকর্মে অতিষ্ট হয়ে স্থানীয় অভিভাবক মহল সোচ্চার হয় এবং এলাকা থেকে ইয়াবা দুর করতে বিভিন্ন তৎপরতা চালায়। তবে এব্যপারে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অবগত করলে প্রথমে তৎপরতা দেখিয়ে রহস্যজনক কারণে নিরব ভুমিকা পালন করে।
গোপন সুত্রে জানা যায় সম্প্রতি উখিয়ার ফালংখালীতে মনজুরের ইয়াবা চালান নিয়ে ইয়াবা কারবারিদের সাথে বন্দুক যুদ্ধ হয়, এতে মনজুরের পায়ে গুলি লেগে গুরুতর আহত অবস্তায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।ভর্তির ডায়রিতে পুলিশ কেইসের বিষয়ে অবগত হলে সুকৌশলে ওখান থেকে পালিয়ে যায় এই ইয়াবা সম্রাট মঞ্জুর।
তার সম্পর্কে জানতে চাইলে জিলংঝা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহুরি পাড়া এলাকার ইউপি সদস্য কুদরত উল্লাহ সিকদার জানায় 'সে কয়েক বছর হয়েছে এখানে এসে রিক্সা চালাতো তবে এখন এই এলাকায় তাকে দেখা যাচ্ছে না। এলাকায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন বেআইনী কর্মকান্ডে অভিযোগে তাকে খুঁজছি। অপরাধী প্রশাসনের হাতে ধরাপড়ে শাস্তি ভোগ করার ব্যাপারে আমিও সহমত জানাচ্ছি।'