কক্সবার্তা ডেস্ক:::
কক্সবাজারে এবার ৪৪টি কোরবানী পশুর হাট, ১০টি প্রাণী চিকিৎসকদল নিয়োগ এবং পৌরসভার ৬২টি নির্ধারিত স্থানসহ সকল উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে নির্ধারিত স্থানে কোরবানীর পশু জবাই-এর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় কক্সবাজারে আসন্ন কোরবানী ঈদে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আফরুজুল হক টুটুল, জেলা প্রাণী-সম্পদ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।
এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জনস্বার্থে করণীয় সংশ্লিষ্ট বিষয় মনিটরিং করা হচ্ছে। এসময় নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধিদের স্ব-স্ব এলাকায় নির্ধারিতস্থানগুলোর সক্ষমতাবৃদ্ধির প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করার দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মোকাবেলার উপযোগী, এবং পানি-বিদ্যুৎ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্ধারিত স্থানে কোরবানীর পশু জবাই-এর উপর নির্মিতব্য একটি জনসচেতনতামূলক প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো: আনোয়ারুল নাসের, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাহেদুল ইসলাম, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাহবুবউল করিম, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শাজাহান আলী, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাঈন উদ্দিন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পঙ্কজ বড়–য়া, সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট একেএম লুৎফর রহমান, সাংবাদিক, পৌরসভার কাউন্সিলররাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় কক্সবাজারে আসন্ন কোরবানী ঈদে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আফরুজুল হক টুটুল, জেলা প্রাণী-সম্পদ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।
এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জনস্বার্থে করণীয় সংশ্লিষ্ট বিষয় মনিটরিং করা হচ্ছে। এসময় নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধিদের স্ব-স্ব এলাকায় নির্ধারিতস্থানগুলোর সক্ষমতাবৃদ্ধির প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করার দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মোকাবেলার উপযোগী, এবং পানি-বিদ্যুৎ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্ধারিত স্থানে কোরবানীর পশু জবাই-এর উপর নির্মিতব্য একটি জনসচেতনতামূলক প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো: আনোয়ারুল নাসের, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাহেদুল ইসলাম, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাহবুবউল করিম, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শাজাহান আলী, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাঈন উদ্দিন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পঙ্কজ বড়–য়া, সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট একেএম লুৎফর রহমান, সাংবাদিক, পৌরসভার কাউন্সিলররাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
