এম. বশিরুল আলম,লামা::
ভারি বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসে বান্দরবানের সঙ্গে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ ফের বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার রাতে এ সড়কে নতুন করে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে জেলা প্রশাসন সতর্কতামূলক অবস্থান নিয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা মৃত্তিকা সংরক্ষণ ও পানি বিভাজিকা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত বান্দরবানে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। যা কয়েকদিনের তুলনায় বাড়ছে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) দিলীপ কুমার বণিক জানান, ভারি বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। পাহাড়ের বসবাসকারীদের নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসে গত মাসে বান্দরবানে ৪ শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। এ ছাড়া বান্দরবানের সঙ্গে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে জেলা প্রশাসন সতর্কতামূলক অবস্থান নিয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা মৃত্তিকা সংরক্ষণ ও পানি বিভাজিকা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত বান্দরবানে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। যা কয়েকদিনের তুলনায় বাড়ছে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) দিলীপ কুমার বণিক জানান, ভারি বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। পাহাড়ের বসবাসকারীদের নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসে গত মাসে বান্দরবানে ৪ শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। এ ছাড়া বান্দরবানের সঙ্গে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
