কক্সবার্তা ডেস্ক::
১ জুলাই সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ভাসমান অবস্থায় মাঝারি সাইজের প্লাস্টিকের মোড়ানো বস্তা বিপুল পরিমান ইয়াবা কুড়িয়ে পায় টেকনাফ বাহারছড়া উত্তর শীলখালীর কাদের হোসনের ছেলে আব্দু রহমান (প্রকাশ হউসসা)। এরপর পেরিয়ে গেছে ১১ দিন।
কিন্তু এখনো বস্তাভর্তি সেই ইয়াবাগুলো রয়ে গেছে আব্দু রহমানের কাছে। প্রশাসন এখনো সেসব ইয়াবাগুলো উদ্ধার করেনি। আর এ নিয়ে পুরো বাহারছাড়া জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। এলাকাবাসী ইয়াবাগুলো করার জোর দাবী জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী গ্রামের আমীর হোছনের ছেলে আমিন উল্লাহ জানান, আব্দু রহমান প্রধানত সমুদ্রে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে তাই প্রতিদনের ন্যায় তিনি গত ১ জুলাই (শনিবার) দুপুরের সময় সমুদ্রে মাছ শিকার করতে জান, কিন্তু ভাগ্যক্রমে বিকাল নাগাদ তিনি মাছ শিকারের সময় তীরে ভেসে আসা একটি মাঝারি সাইজের প্লাস্টিকের মোড়ানো বস্তা দেখতে পান। পরে তিনি বস্তার ভেতরে খুলে দেখলে বস্তায় ইয়াবা দেখতে পান।
তারপর তার সাথে থাকা আরেক বৃদ্ধ জেলে স্থানীয় আপলতনের ছেলে দলাইয়া তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে যে এই গুলো কি, কিন্তু সুচতুর জেলে আবদু রহমান বলে এগুলো চকলেটের প্যাকেট তাহলে আমাকে এক প্যাকেট দাও বলে তিনি প্লাস্টিকের মোড়ানো একটি প্যাকেট নিয়ে নেন। পরে বৃদ্ধ জেলে বাড়ি এসে প্যাকেটটি খুললে সেখানে ভেজা অবস্থায় সবগুলো ইয়াবা দেখতে পান। এতে তিনি ভয় পেয়ে এলাকার মধ্যে উক্ত ঘটনার বর্ণনা দেন এবং ইয়াবার প্যাকেটটি স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা আলীকে জমা দেন পুলিশকে দেওয়ার জন্য।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে মেম্বার সোনা আলী ও এলাকার মানাগণ্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে ভেজা ইয়াবাগুলো পুলিশকে হস্তান্তর করেন এবং বৃদ্ধ জেলে পুলিশকে উক্ত ঘটনা খুলে বলেন।
তারপর বাকি ইয়াবা উদ্ধারের জন্য পুলিশ আব্দুর রহমানের বাড়িতে গেলেও সে পুলিশের সামনে আসেনি। এমনি কি তার কোনো ভাইও পুলিশের সামনে আসেনি বলে এলাকাবাসী জানান।
এদিকে ইয়াবা গুলো নিয়ে বাহারছড়ায় চলছে নানান কথাবার্তা। কেউ বলছে ইয়াবার পরিমাণ ৫ লাখ হবে। কেউ বলছে ৩লাখ হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর ইয়াবা গুলো নিয়ে সত্য অনুসন্ধানের জন্য এই প্রতিবেদক আবদু রহমানের বড়ি ও এলাকাতে গেলে বাড়িতে আবদু রহমান সহ তার পরিবারের পুরুষ সদস্য কাউকে না পেয়ে কথা হয় তার আত্মীয়সহ অনেক এলাকাবাসীর সাথে তারা সবাই উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
অপরদিকে উক্ত ঘটনা পারিবারিক ভাবে জানার জন্য পরে আব্দু রহমানের ভাই কালুর মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে কালুর স্ত্রী ফোন রিসিভ করেন পরে কুড়িয়ে পাওয়া ইয়াবার ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে কালুর স্ত্রী বলেন ইয়াবার বস্তা পাইছে সত্য। তবে জিনিস গুলো সেখানে পাইছে আবার সেখানে ভেসে দিছে আমরা একটিও রাখি নাই। তার স্বামী বর্তমানে কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন মাছ শিকার করতে গেছে তার স্বামী আবদু রহমানের সাথে এই ইয়াবা গোপন করার ব্যাপারে জড়িত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার স্বামী অন্ধ মানুষ তিনি কখনো এগুলো দেখবেনা। তাহলে তিনি অন্ধ হলে কিভাবে মাছ শিকার করতে গেছেন প্রশ্ন করলে তিনি আমতা আমতা করতে থাকেন।
এদিকে কালু ছাড়া এই ব্যাপার নিয়ে এলাকা থেকে আরো পালাতক রয়েছে আব্দু রহমানের আরো দুই ভাই শাকের ও হোছাইন আলী প্রকাশ লালু। আর আবদু রহমানের সাথে যোগাযোগের জন্য তার ফোন নাম্বার খোঁজলেও তিনি নিয়মিত ফোন ব্যবহার না করায় এলাকার কারো কাছ থেকে ফোন নাম্বার পাওয়া যায়নি। এমনকি আবদু রহমানের ভাবী কালুর স্ত্রী থেকে ও তার ফোন নাম্বার পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জানাতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান বৃদ্ধ জেলে দলাইয়া আমাকে যে ইয়াবার প্যাকেটটি জমা দিয়েছিল তা আমি সবার সামনে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছি।
এদিকে বাহারছড়া ইউপির ৩ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আমীর আলী বলেন, সাগর থেকে ভেসে আসা ইয়াবাগুলো এখনো আব্দু রহমানের কাছে রয়েছে। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই ইয়াবাগুলোর হদিস পাওয়া যাবে।
তিনি আরো বলেন, প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবেই ইয়াবাগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈন উদ্দীন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান বৃদ্ধ এক জেলে আমাদেরকে ভাঙ্গা ও ভেজা অবস্থায় কিছু ইয়াবা হস্তান্তর করেছে। তবে এর সংখ্যা বলা যাচ্ছে না কারণ ইয়াবা গুলো সম্পুর্ণ গুড়া হয়ে গেছে, আর আবদু রহমানের ব্যাপারে ওসি বলেন আমরা সত্যটা বের করার জন্য এখনো চেষ্টায় আছি।
সূত্রে প্রকাশ, বর্তমানে আবদুর রহমান প্র: হসু হ্নীলা কম্বনিয়া তার শশুরবাড়ী আছে। তার ব্যবহারকৃত মোবাইল নাম্বার বন্ধ আছে। এবং মো: কালু টেকনাফ সদর ইউনিয়ন লেংগুর বিল এলাকায় আছে। সালামত উল্লাহ প্র: মান্নাইন্না ও তার পিতা লালু তাহারা ২জন বর্তমানে উখিয়া থানার কোটবাজার এলাকায় ইজিল¯œা সালামত উল¯œাহর শাশুরবাড়ীতে আছে। শাকের আহমদ জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী গ্রামে তার মেয়ের শশুরবাড়ীতে আছে। তাহারা উক্ত ইয়াবাগুলো ভাগ বাটোয়ারা করে তাহাদের নিজ নিজ দায়িত্ব রেখে দেন। আবদুর রহমান ইয়াবা ব্যবসায়ী গড়ফাদার। আবদুর রহমান বর্তমানে জেলেদের বেশ ধরে সাগর পথে প্রতিনিয়ত ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের প্রতি তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সুত্রঃ কক্সবাজার অনলাইন।
কিন্তু এখনো বস্তাভর্তি সেই ইয়াবাগুলো রয়ে গেছে আব্দু রহমানের কাছে। প্রশাসন এখনো সেসব ইয়াবাগুলো উদ্ধার করেনি। আর এ নিয়ে পুরো বাহারছাড়া জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। এলাকাবাসী ইয়াবাগুলো করার জোর দাবী জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী গ্রামের আমীর হোছনের ছেলে আমিন উল্লাহ জানান, আব্দু রহমান প্রধানত সমুদ্রে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে তাই প্রতিদনের ন্যায় তিনি গত ১ জুলাই (শনিবার) দুপুরের সময় সমুদ্রে মাছ শিকার করতে জান, কিন্তু ভাগ্যক্রমে বিকাল নাগাদ তিনি মাছ শিকারের সময় তীরে ভেসে আসা একটি মাঝারি সাইজের প্লাস্টিকের মোড়ানো বস্তা দেখতে পান। পরে তিনি বস্তার ভেতরে খুলে দেখলে বস্তায় ইয়াবা দেখতে পান।
তারপর তার সাথে থাকা আরেক বৃদ্ধ জেলে স্থানীয় আপলতনের ছেলে দলাইয়া তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে যে এই গুলো কি, কিন্তু সুচতুর জেলে আবদু রহমান বলে এগুলো চকলেটের প্যাকেট তাহলে আমাকে এক প্যাকেট দাও বলে তিনি প্লাস্টিকের মোড়ানো একটি প্যাকেট নিয়ে নেন। পরে বৃদ্ধ জেলে বাড়ি এসে প্যাকেটটি খুললে সেখানে ভেজা অবস্থায় সবগুলো ইয়াবা দেখতে পান। এতে তিনি ভয় পেয়ে এলাকার মধ্যে উক্ত ঘটনার বর্ণনা দেন এবং ইয়াবার প্যাকেটটি স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা আলীকে জমা দেন পুলিশকে দেওয়ার জন্য।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে মেম্বার সোনা আলী ও এলাকার মানাগণ্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে ভেজা ইয়াবাগুলো পুলিশকে হস্তান্তর করেন এবং বৃদ্ধ জেলে পুলিশকে উক্ত ঘটনা খুলে বলেন।
তারপর বাকি ইয়াবা উদ্ধারের জন্য পুলিশ আব্দুর রহমানের বাড়িতে গেলেও সে পুলিশের সামনে আসেনি। এমনি কি তার কোনো ভাইও পুলিশের সামনে আসেনি বলে এলাকাবাসী জানান।
এদিকে ইয়াবা গুলো নিয়ে বাহারছড়ায় চলছে নানান কথাবার্তা। কেউ বলছে ইয়াবার পরিমাণ ৫ লাখ হবে। কেউ বলছে ৩লাখ হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর ইয়াবা গুলো নিয়ে সত্য অনুসন্ধানের জন্য এই প্রতিবেদক আবদু রহমানের বড়ি ও এলাকাতে গেলে বাড়িতে আবদু রহমান সহ তার পরিবারের পুরুষ সদস্য কাউকে না পেয়ে কথা হয় তার আত্মীয়সহ অনেক এলাকাবাসীর সাথে তারা সবাই উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
অপরদিকে উক্ত ঘটনা পারিবারিক ভাবে জানার জন্য পরে আব্দু রহমানের ভাই কালুর মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে কালুর স্ত্রী ফোন রিসিভ করেন পরে কুড়িয়ে পাওয়া ইয়াবার ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে কালুর স্ত্রী বলেন ইয়াবার বস্তা পাইছে সত্য। তবে জিনিস গুলো সেখানে পাইছে আবার সেখানে ভেসে দিছে আমরা একটিও রাখি নাই। তার স্বামী বর্তমানে কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন মাছ শিকার করতে গেছে তার স্বামী আবদু রহমানের সাথে এই ইয়াবা গোপন করার ব্যাপারে জড়িত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার স্বামী অন্ধ মানুষ তিনি কখনো এগুলো দেখবেনা। তাহলে তিনি অন্ধ হলে কিভাবে মাছ শিকার করতে গেছেন প্রশ্ন করলে তিনি আমতা আমতা করতে থাকেন।
এদিকে কালু ছাড়া এই ব্যাপার নিয়ে এলাকা থেকে আরো পালাতক রয়েছে আব্দু রহমানের আরো দুই ভাই শাকের ও হোছাইন আলী প্রকাশ লালু। আর আবদু রহমানের সাথে যোগাযোগের জন্য তার ফোন নাম্বার খোঁজলেও তিনি নিয়মিত ফোন ব্যবহার না করায় এলাকার কারো কাছ থেকে ফোন নাম্বার পাওয়া যায়নি। এমনকি আবদু রহমানের ভাবী কালুর স্ত্রী থেকে ও তার ফোন নাম্বার পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জানাতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান বৃদ্ধ জেলে দলাইয়া আমাকে যে ইয়াবার প্যাকেটটি জমা দিয়েছিল তা আমি সবার সামনে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছি।
এদিকে বাহারছড়া ইউপির ৩ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আমীর আলী বলেন, সাগর থেকে ভেসে আসা ইয়াবাগুলো এখনো আব্দু রহমানের কাছে রয়েছে। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই ইয়াবাগুলোর হদিস পাওয়া যাবে।
তিনি আরো বলেন, প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবেই ইয়াবাগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈন উদ্দীন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান বৃদ্ধ এক জেলে আমাদেরকে ভাঙ্গা ও ভেজা অবস্থায় কিছু ইয়াবা হস্তান্তর করেছে। তবে এর সংখ্যা বলা যাচ্ছে না কারণ ইয়াবা গুলো সম্পুর্ণ গুড়া হয়ে গেছে, আর আবদু রহমানের ব্যাপারে ওসি বলেন আমরা সত্যটা বের করার জন্য এখনো চেষ্টায় আছি।
সূত্রে প্রকাশ, বর্তমানে আবদুর রহমান প্র: হসু হ্নীলা কম্বনিয়া তার শশুরবাড়ী আছে। তার ব্যবহারকৃত মোবাইল নাম্বার বন্ধ আছে। এবং মো: কালু টেকনাফ সদর ইউনিয়ন লেংগুর বিল এলাকায় আছে। সালামত উল্লাহ প্র: মান্নাইন্না ও তার পিতা লালু তাহারা ২জন বর্তমানে উখিয়া থানার কোটবাজার এলাকায় ইজিল¯œা সালামত উল¯œাহর শাশুরবাড়ীতে আছে। শাকের আহমদ জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী গ্রামে তার মেয়ের শশুরবাড়ীতে আছে। তাহারা উক্ত ইয়াবাগুলো ভাগ বাটোয়ারা করে তাহাদের নিজ নিজ দায়িত্ব রেখে দেন। আবদুর রহমান ইয়াবা ব্যবসায়ী গড়ফাদার। আবদুর রহমান বর্তমানে জেলেদের বেশ ধরে সাগর পথে প্রতিনিয়ত ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের প্রতি তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সুত্রঃ কক্সবাজার অনলাইন।
