তামিরুল ইসলাম মিল্লাত
বিশেষ প্রতিবেদন
কক্সবার্তা ডট কম।।
কথায় আছে,
"ছোট ছোট বালিকণা বিন্দু বিন্দু জল,
গড়ে তুলে মহাদেশ সাগর অটল।।"
ডুলাহাজারার বেলায় কথাটা একটু বেশিই সত্যে পরিণত হয়।কেননা বিন্দু বিন্দু জলের পরিবর্তে শুধু বিন্দু জল হলেই যে সাগর মহাসাগর সৃষ্টি হচ্ছে এই ইউনিয়নের মারকাজ রোডে!😆
কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ডুলাহাজারা "মারকাজ" সড়ক বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় জনদূর্ভোগ চরমে উঠে গেছে।
পানি নিস্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা বিরাজ করছে।
বিশেষ করে এই রোডের পুরাতন জীপ স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে বর্তমান জীপ স্ট্যান্ড পর্যন্ত করুণ অবস্থা অনেক দিন ধরে। সংকট উত্তরণে কোন পদক্ষেপও নেই কর্তৃপক্ষের। ফলে দুর্ভোগের সঙ্গে বসবাস করতে হচ্ছে লাখ লাখ এলাকাবাসীকে।
স্থানীয় অনেক নাগরিকরা জানান,গত শনিবারের পর থেকে ভারি বর্ষণে এই রাস্তা পুরোটাই পানিতে তলিয়ে যায়।
এই সড়কের নিয়মিত যানবাহন ইজিবাইকগুলো এখন চলাচলের জন্য বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।ফলশ্রুতিতে ঐ বিকল্প "তেলিপাট্টি" রোড ছোট হওয়ায় ঐ রোডে সারাক্ষণ লেগে থাকে যানজট।
এই ইউনিয়নের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা জীপ স্ট্যান্ড থেকে মারকাজ মসজিদ পর্যন্ত সড়কে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির পানিতে সড়ক ডুবে গেছে। সড়কের আশপাশ থেকে ময়লা আর্বজনা বৃষ্টির পানিতে ভেসে সড়কে ভেসে আসে।
ফলে এই অবস্থায় ময়লা এই পানিতে হাটলে যথেস্ট স্বাস্থ্য ঝুকি আছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
স্থানীয় সাংবাদিক জহির উদ্দীন জীবন জানান, "কয়েক ঘন্টা বৃষ্টির পানিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছি আমরা। এ সমস্যা কয়েক যুগ ধরে বিরাজ করছে। একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।"
জানা যায়, ২০০৪ সালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এই রোড আঞ্চলিক মহাসড়কের অংশ হিসেবে সর্বশেষ প্লাস্টারিং করা হলেও পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে কোন সংষ্কার না হওয়ায় এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলে পানি নিস্কাশন না হয়ে সড়কে পানি জমে পুকুর/মহাসাগর সৃষ্টি হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোপের সাথে জানান," রাস্তার স্থানে স্থানে অসখ্য পুকুরসম গর্ত দেখা যাচ্ছে যা যানবাহনের জন্য মরণফাঁদ।এই রোড দিয়ে মানুষ চলাচল আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে এইখানে মাছ চাষ করে আমিষের চাহিদা মেটানোর প্রচুর সম্ভাবনা দেখতেছি!"
স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, "সড়কে সংস্কার না হওয়ায় খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে।ফলে বৃষ্টির দিনে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সমস্যা সমাধানে নজর দেয়া দরকার।"
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের বক্তব্য নেয়ার জন্য বার বার ফোন করে নাম্বার বিজি পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।।
"ছোট ছোট বালিকণা বিন্দু বিন্দু জল,
গড়ে তুলে মহাদেশ সাগর অটল।।"
ডুলাহাজারার বেলায় কথাটা একটু বেশিই সত্যে পরিণত হয়।কেননা বিন্দু বিন্দু জলের পরিবর্তে শুধু বিন্দু জল হলেই যে সাগর মহাসাগর সৃষ্টি হচ্ছে এই ইউনিয়নের মারকাজ রোডে!😆
কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ডুলাহাজারা "মারকাজ" সড়ক বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় জনদূর্ভোগ চরমে উঠে গেছে।
পানি নিস্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা বিরাজ করছে।
বিশেষ করে এই রোডের পুরাতন জীপ স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে বর্তমান জীপ স্ট্যান্ড পর্যন্ত করুণ অবস্থা অনেক দিন ধরে। সংকট উত্তরণে কোন পদক্ষেপও নেই কর্তৃপক্ষের। ফলে দুর্ভোগের সঙ্গে বসবাস করতে হচ্ছে লাখ লাখ এলাকাবাসীকে।
স্থানীয় অনেক নাগরিকরা জানান,গত শনিবারের পর থেকে ভারি বর্ষণে এই রাস্তা পুরোটাই পানিতে তলিয়ে যায়।
এই সড়কের নিয়মিত যানবাহন ইজিবাইকগুলো এখন চলাচলের জন্য বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।ফলশ্রুতিতে ঐ বিকল্প "তেলিপাট্টি" রোড ছোট হওয়ায় ঐ রোডে সারাক্ষণ লেগে থাকে যানজট।
এই ইউনিয়নের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা জীপ স্ট্যান্ড থেকে মারকাজ মসজিদ পর্যন্ত সড়কে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির পানিতে সড়ক ডুবে গেছে। সড়কের আশপাশ থেকে ময়লা আর্বজনা বৃষ্টির পানিতে ভেসে সড়কে ভেসে আসে।
ফলে এই অবস্থায় ময়লা এই পানিতে হাটলে যথেস্ট স্বাস্থ্য ঝুকি আছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
স্থানীয় সাংবাদিক জহির উদ্দীন জীবন জানান, "কয়েক ঘন্টা বৃষ্টির পানিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছি আমরা। এ সমস্যা কয়েক যুগ ধরে বিরাজ করছে। একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।"
জানা যায়, ২০০৪ সালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এই রোড আঞ্চলিক মহাসড়কের অংশ হিসেবে সর্বশেষ প্লাস্টারিং করা হলেও পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে কোন সংষ্কার না হওয়ায় এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলে পানি নিস্কাশন না হয়ে সড়কে পানি জমে পুকুর/মহাসাগর সৃষ্টি হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোপের সাথে জানান," রাস্তার স্থানে স্থানে অসখ্য পুকুরসম গর্ত দেখা যাচ্ছে যা যানবাহনের জন্য মরণফাঁদ।এই রোড দিয়ে মানুষ চলাচল আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে এইখানে মাছ চাষ করে আমিষের চাহিদা মেটানোর প্রচুর সম্ভাবনা দেখতেছি!"
স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, "সড়কে সংস্কার না হওয়ায় খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে।ফলে বৃষ্টির দিনে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সমস্যা সমাধানে নজর দেয়া দরকার।"
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের বক্তব্য নেয়ার জন্য বার বার ফোন করে নাম্বার বিজি পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।।


